পাবনায় বিএনপির মিছিলে জামায়াতের বাধা, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন
Why this classification
The article reports a physical confrontation between BNP and Jamaat supporters during protests on 28 July 2026, with police intervention and no mention of criminal motives, so it is classified as political violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
২৮ জুলাই সন্ধ্যায় সাঁথিয়া পৌর এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিএনপি মিছিলকে বাধা দেন, ফলে দুই দলের মধ্যে হাতাহাতি হয় এবং পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। পরিস্থিতি শীতল হয়ে বাজারের দোকানগুলো বন্ধ থাকে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পাবনায় বিএনপির মিছিলে জামায়াতের বাধা, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন
পাবনার সাঁথিয়ায় জুমার নামাজের সময় জামায়াতের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনের ওপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে বাধা দিয়েছেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত ৮টার দিকে সাঁথিয়ার পৌর এলাকার তিন রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সাঁথিয়া পৌর এলাকার আফতাবনগর জামে মসজিদে স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন জুমার নামাজে ইমামতি করতে চান। এ সময় বিএনপির অনুসারীরা তাতে আপত্তি জানালে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে জামায়াত ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও কর্মসূচির একপর্যায়ে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। এতে জামায়াত এমপি মোমেনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার ও পরিকল্পিত নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়। এই সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে বিকেলে পৌর শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় এর পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে আরেকটি বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় বিএনপি। সন্ধ্যায় নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে পৌনে ৮টার দিকে পৌর বিএনপির কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করতে গেলে পাশেই তিন মাথা মোড়ে অবস্থান নেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এ নিয়ে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আতঙ্কে বাজারের সকল দোকানপাট বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। এ ব্যাপারে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মল্লিক বলেন, আমাদের সংবাদ সম্মেলনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করায় সন্ধ্যায় আমরাও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি দেই। কিন্তু জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা দেশি ও বিদেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলার জন্য পাশেই অবস্থান নেয়। তাদের কাছে একাত্তরের সেই অস্ত্রও রয়েছে। সেগুলো দিয়ে এই এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে চায়। কিন্তু বিএনপি সেটি হতে দেবে না। নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ করে নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে। তবে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আনিসুর রহমান বলেন, ওখানে আমাদের সব নেতাকর্মী অবস্থান নিয়েছিলো বিষয়টি এমন নয়। ওখানকার স্থানীয় কিছু কর্মী সমর্থক একত্রিত হয়ে বিএনপির রাতের মিছিল বন্ধের দাবি জানায়। পরে পুলিশের আহ্বানে তারা সরে আসে। এখানে লাঠিসোঁটা বা অস্ত্রশস্ত্রে হামলা পরিকল্পনার অভিযোগ মিথ্যা। এ ব্যাপারে সাঁথিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, মিছিলকে কেন্দ্র করে তিন রাস্তার মোড়ের দুই পাশে দুই পক্ষ অবস্থান নেয়। তৎক্ষণাৎ পুলিশ মাঝখানে অবস্থান নিয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত করে। পরে বিএনপি নেতাকর্মীরা সংক্ষিপ্ত মিছিল শেষে ফিরে যায়। আপাতত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উভয় পক্ষই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আরএআর
