পদ্মায় চলন্ত স্পিডবোট আটকে ডাকাতি, ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

এটি একটি সাম্প্রতিক, একক ঘটনা যেখানে ডাকাত দল স্পিডবোট আটকে যাত্রীকে কুপিয়ে জখম করে এবং মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে। এটি সহিংস অপরাধের সংজ্ঞা পূরণ করে, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।

Reported by:Prothom AloSamakalCorroborated · 2 sources
09/06/26•পদ্মা নদী, চর ঝাউকান্দা ইউনিয়ন সংলগ্ন, চরভদ্রাসন

Killed

0

Injured

1

Summary

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী স্পিডবোট আটকে ডাকাত দল এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করে নগদ টাকা, মুঠোফোন ও ইঞ্জিন লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনাটি মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ঘটে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

লিটন মোল্লা (ব্যবসায়ী)সঞ্জিত খালাসী (স্পিডবোটচালক)আনোয়ার হোসেন (থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)

Affected infrastructure

স্পিডবোটের ইঞ্জিনস্পিডবোটের যন্ত্রাংশ

Tags

Robbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 13/06/26open original ↗

ব্যবসায়ীকে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা

ব্যবসায়ীকে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আল আমিন ফরিদপুর অফিস প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬ | ২৩:১৫ | আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ | ২৩:২২ নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের শাকপালদিয়া গ্রামে যুবককে চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন এবং টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় গত বুধবার থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে ওই গ্রামের মজিদ ফকির, তাঁর নাতি সেনা সদস্য মুকুল এবং পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আল আমিন (২৪) ধুতরাহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় ছাগল ব্যবসায়ী। অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত ৯ জুন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শাকপালদিয়া গ্রামের একটি নম্বর থেকে আল আমিনের কাছে ফোন করে দুটি ছাগল বিক্রির কথা বলা হয়। ছাগল কিনতে তিনি ওই গ্রামে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁকে একটি বাড়ির ভেতরে নিয়ে চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর তাঁর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধেরও চেষ্টা করা হয়। নির্যাতনের সময় অভিযুক্তরা তাঁর কাছে থাকা ব্যবসার নগদ ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় আল আমিনকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আল আমিন বলেন, ‘আমাকে মারধর করার সময় বলা হয়, তাদের এক আত্মীয়ের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ঘটনায় আমাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। আমি কোনো অন্যায় করিনি। এর পরও আমাকে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে এবং আমার সঙ্গে থাকা টাকা নিয়ে নেওয়া হয়েছে।’ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বললে তারা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে তারা স্বীকার করে, আল আমিনকে ছাগল কেনার কথা বলে বাড়িতে ডেকে এনে আটকে রাখা এবং মারধর করা হয়েছিল। তাদের দাবি, কয়েক দিন আগে সালথা সদর বাজারে তাদের এক স্বজন প্রতারণার শিকার হয়ে টাকা হারিয়েছিলেন। ওই ঘটনায় আল আমিন জড়িত থাকতে পারেন– এমন সন্দেহ থেকেই তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে তাঁর সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তারা। ভুক্তভোগীর মা লিমা নাজনিন বলেন, ‘আমার ছেলেকে অন্যায়ভাবে মারধর করা হয়েছে। তাঁর কাছে থাকা টাকা-পয়সাও নিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’ নগরকান্দা থানার ওসি রাসূল সামদানী আজাদ বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Source 2: Prothom Alo · 10/06/26open original ↗

পদ্মায় চলন্ত স্পিডবোট আটকে ডাকাতি, ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী একটি স্পিডবোট আটকে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করার পাশাপাশি নগদ টাকা, মুঠোফোন, স্পিডবোটের ইঞ্জিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ লুট করে নিয়ে যায় দলটি। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার চর ঝাউকান্দা ইউনিয়ন-সংলগ্ন পদ্মা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতির শিকার ব্যবসায়ী লিটন মোল্লা (৩২) চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নের মৌলভীরচর কারিকরডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা কোমর মোল্লার ছেলে। আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকার দোহার উপজেলার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন। এদিকে ডাকাত দলের ধাওয়া খেয়ে স্পিডবোটচালক সঞ্জিত খালাসী (৩৯) কাশবনে পালিয়ে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে চরভদ্রাসনে নিয়ে আসে। সঞ্জিত সদর ইউনিয়নের খালাসীডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে আটজন গরু ব্যবসায়ীকে চরভদ্রাসনের গোপালপুর ঘাট থেকে দোহার উপজেলার মৈনট ঘাটে পৌঁছে দেন সঞ্জিত খালাসী। ওই ব্যবসায়ীরা ফরিদপুর শহরের টেপাখোলা গরুর হাট থেকে ব্যবসা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁদের নামিয়ে দিয়ে ফেরার পথে স্পিডবোটে একমাত্র যাত্রী ছিলেন লিটন মোল্লা। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে স্পিডবোটটি ঢাকা জেলার সীমান্ত পেরিয়ে চরভদ্রাসন এলাকায় ঢুকলে স্থানীয় ফারুক মোল্লার চরের কাছে একটি ডাবল ইঞ্জিনচালিত স্পিডবোট নিয়ে একদল ডাকাত ধাওয়া করে। একপর্যায়ে তারা স্পিডবোটটির গতি রোধের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে চালক সঞ্জিত বোটটি চরে ভিড়িয়ে কাশবনের মধ্যে পালিয়ে যান। এরপর ডাকাতেরা বোটের একমাত্র যাত্রী লিটন মোল্লাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর মুঠোফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। একই সঙ্গে স্পিডবোটের ইঞ্জিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা লিটনের বাঁ হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেয়। পরে স্থানীয় জেলেরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। চরাঞ্চলের প্রকৃতি ও জীবনযাপন নিয়ে কাজ করা সংস্কৃতিকর্মী আবদুস সবুর মোল্লা বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে এ নৌপথে এমন ডাকাতির ঘটনা শোনা যায়নি। ঢাকার সঙ্গে চরাঞ্চলের মানুষের সহজ যোগাযোগের এই পথ যদি অনিরাপদ হয়ে পড়ে, তাহলে চরভদ্রাসনসহ আশপাশের চরাঞ্চলবাসীর জন্য তা উদ্বেগের। তিনি ডাকাতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং নৌপথে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান। খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্পিডবোটচালক সঞ্জিত খালাসীকে উদ্ধার করে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই ডাকাতেরা পালিয়ে যায়। ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। জড়িত সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।