শিশুর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার, হত্যাকারী সন্দেহে বাড়িঘরে আগুন
Why this classification
This incident involves a child's murder and subsequent arson by aggrieved relatives, but lacks any political motivation or political party involvement.
Killed
1
Injured
0
Summary
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে ৭ বছরের শিশু মুসলিমার পলিথিনে মোড়ানো গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যাকারী সন্দেহে নিহতের স্বজন ও ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা কয়েকটি বাড়িঘরে আগুন দেয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown, Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
শিশুর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার, হত্যাকারী সন্দেহে বাড়িঘরে আগুন
শিশুর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার, হত্যাকারী সন্দেহে বাড়িঘরে আগুন প্রতীকী ছবি বাগেরহাট প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৩:৩০ বাগেরহাটের মোল্লাহাটে মাছের ঘেরের পাড় থেকে মুসলিমা (৭) নামে এক শিশুর পলিথিনে মোড়ানো গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকা থেকে স্বজনরা মরদেহটি উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় হত্যাকারী সন্দেহে কয়েকটি বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিহত মুসলিমা ওই এলাকার ইসলাম শেখের মেয়ে। পুলিশ মরদেহটি হেফাজতে নিয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে বাড়ির আশপাশে খেলছিল মুসলিমা। একপর্যায়ে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সন্ধ্যার পর স্থানীয়রা একটি মাছের ঘেরের পাড়ে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। কাছে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যার কারণ এবং কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিহতের স্বজনরা হত্যায় জড়িত সন্দেহে কয়েকটি বাড়িঘরে আগুন দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। মোল্লাহাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার শরিফ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের কাছেই আছি। সেখানকার পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। পুলিশ এলে আমরা ঘটনাস্থলে প্রবেশ করব।’ মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশ একসঙ্গে কাজ করছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত এবং হত্যার কারণ কী, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। - বিষয় : - বাগেরহাট - মরদেহ উদ্ধার - আগুন
বাগেরহাটে শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩
মামলাপ্রতীকী ছবি বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় সাত বছর বয়সী শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে নিহত শিশুর বাবা মোল্লাহাট থানায় মামলাটি করেন। এতে চার প্রতিবেশীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জাহাঙ্গীর শেখ (৫৫) ও তাঁর দুই ছেলে রমজান (১৯) ও আব্দুর রহমান (২৭)। জাহাঙ্গীর পানের বরজ ও কৃষিকাজ করেন। আরও পড়ুন শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার, হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তির বাড়িতে আগুন, লুটপাট ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শিশুটির পরিবার জানিয়েছে, শনিবার বিকেল পাঁচটার পর থেকে শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার কচুড়িয়া গ্রামের মধ্যপাড়ায় একটি পানের বরজের পাশে পুকুরপাড়ে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় তার লাশ দেখতে পান স্বজনেরা। রাত নয়টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। লাশের পাশে একটি পানির বোতলও পাওয়া যায়। লাশ উদ্ধারের পর হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর শেখের বাড়িতে হামলা চালান একদল বিক্ষুব্ধ লোক। তাঁরা বাড়িঘর ও পানের বরজে আগুন দেন। ভাঙচুর ও লুটপাটও করা হয়। আগুনে জাহাঙ্গীরের বসতঘর, গোয়ালঘর, রান্নাঘর, দুটি খড়ের গাদা ও একটি পানের বরজ পুড়ে যায়। নিহত শিশুর বাবা জানান, তাঁর মেয়ে নিয়মিত জাহাঙ্গীরের মেয়ের সঙ্গে খেলতে তাঁদের বাড়িতে যেত। শনিবার বিকেলেও সে সেখানে খেলতে গিয়েছিল। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, তিনজনকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পুলিশলাশবাগেরহাটখুলনা বিভাগহত্যা
