ঝালকাঠিতে শিশুসন্তানের লাশ কোলে নিয়ে বিচার চাইলেন এক মা
Why this classification
This incident was classified as gender-based violence in Jhalakathi. Parties reported: Victim Mother, Hriday Bepari. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
0
Summary
ঝালকাঠির পোনাবালিয়ায় ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া ১৩ মাস বয়সী এক শিশু ২৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। ভুক্তভোগী মা অভিযুক্ত হৃদয় ব্যাপারীর বিচারের দাবিতে দুপুরে মৃত সন্তানকে নিয়ে মানববন্ধন করেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
74% · severity 8
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ঝালকাঠিতে শিশুসন্তানের লাশ কোলে নিয়ে বিচার চাইলেন এক মা
ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাওতিতা এলাকায় ভুক্তভোগী এক মা তাঁর ১৩ মাস বয়সী সন্তানের লাশ নিয়ে প্রেমিক হৃদয় ব্যাপারীর বিচারের দাবি জানিয়েছেন। আজ সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাউতিতা গ্রামে মানববন্ধনের মাধ্যমে এই দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তারা জানান, ২০২১ সালে একই এলাকার হৃদয় ব্যাপারীর সঙ্গে ওই নারীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিভিন্ন সময় তাঁরা শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। এতে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হন। পরবর্তী সময় ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বরিশালের শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। সন্তান জন্মের পর হৃদয় ব্যাপারী আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে হৃদয় ব্যাপারী কৌশলে নবজাতককে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে শিশুটিকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে তিনি পালিয়ে যান। এক ভিক্ষুক শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশের মাধ্যমে একটি চাইল্ড হোমে পাঠান। ঘটনার খবর পেয়ে ওই নারী চাইল্ড হোমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরবর্তী সময় ডিএনএ পরীক্ষা ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৬ সালের ৯ মার্চ তিনি শিশুটিকে নিজের কাছে ফেরত আনেন। শিশুটি তখন অসুস্থ অবস্থায় ছিল এবং পরে শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে মারা যায়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা প্রশাসনের কাছে অভিযুক্ত হৃদয় ব্যাপারীর বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান। উল্লেখ্য, ৯ মার্চ ওই নারী হৃদয় ব্যাপারী ও আরও দুজনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত হৃদয় ব্যাপারীর সঙ্গে যোগাযোগে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহম্মেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামি পলাতক রয়েছে এবং তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
