বড়াইগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় ভেঙে লুটের অভিযোগ
Why this classification
This is a single, recent incident in Natore district in which unidentified people broke into and damaged a freedom fighters' office, then stole furniture and documents. Because it is vandalism and robbery, not a statement or a roundup, it counts as violence, though no injuries were reported and the perpetrators are unknown.
Killed
0
Injured
0
Summary
নাটোরের বড়াইগ্রাম পৌর এলাকার মৌখাড়া হাটে ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের দরজা-জানালা খুলে ভাঙচুর ও চেয়ার, টেবিল, আলমিরা এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র লুটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Muktijoddha Sangsad
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বড়াইগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় ভেঙে লুটের অভিযোগ
বড়াইগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় ভেঙে লুটের অভিযোগ Advertisement বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বড়াইগ্রাম পৌরসভা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পৌর এলাকার মৌখাড়া হাটে কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে শুক্রবার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংসদ কমান্ডার গোলাম মওলা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে ভবনটি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। বৃহস্পতিবার রাতে দুর্বৃত্তরা অফিসের দরজা-জানালা খুলে নেয় এবং ভেতর থেকে ৩টি কাঠের জানালা, লোহার গ্রিল, চেয়ার, টেবিল, আলমিরা ও মুক্তিযোদ্ধাদের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র লুটে নেয়। কমান্ডার গোলাম মওলা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার তৈরি করা দল ক্ষমতায় থাকাবস্থায় এই ধরনের কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না। আমি জড়িতদের বিচার দাবি করছি। ইউএনও ও পদাধিকার বলে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, তিনি বিষয়টি শুনে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
