চবি ছাত্রশক্তি নেতার বিরুদ্ধে সাংবাদিককে ‘তুই’ সম্বোধনের অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

A leader of the political student organization Jatiya Chhatrashakti physically assaulted and verbally abused journalists during a political rally, which constitutes a low-level act of political violence.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
04/08/26•Kazir Dewri

Killed

0

Injured

1

Summary

২০২৬ সালের ৪ আগস্ট চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি এলাকায় জাতীয় ছাত্রশক্তির এক সমাবেশে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক আরাফাত হোসেন ও অন্যান্যরা শারীরিক ও মৌখিক লাঞ্ছনার শিকার হন। ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল মাহাতি এক সাংবাদিকের ঘাড় চেপে ধরেন এবং অন্যদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 2

Perpetrator side

Jatiya Chhatrashakti

Victim side

Journalists

Other actors

Abdullah Al MahatiArafat HossainShahidul Islam MasumAbdur Rahman Emon

Tags

Rally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Jatiya Chhatrashakti

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Journalists

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 04/08/26open original ↗

চবি ছাত্রশক্তি নেতার বিরুদ্ধে সাংবাদিককে ‘তুই’ সম্বোধনের অভিযোগ

চট্টগ্রামে জাতীয় ছাত্রশক্তির একটি কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সংগঠনটির এক নেতার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের হেনস্তা ও অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মাহাতি এক সাংবাদিকের ঘাড় চেপে ধরেন। পরে অন্য সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি অসম্মানজনক ভাষায় কথা বলেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। সোমবার (৪ আগস্ট) বিকেলে নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকায় জুলাই গণহত্যার বিচার, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তি আয়োজিত সমাবেশ ও মিছিল চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের ভাষ্য, কর্মসূচির ছবি ও ভিডিও ধারণ করছিলেন অনলাইন সংবাদমাধ্যম টাইমস টুডের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি আরাফাত হোসেন। একপর্যায়ে কয়েকজন কর্মী তার পরিচয় জানতে চান। আরাফাত সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে প্রেস কার্ড দেখানোর প্রস্তুতি নিলে ছাত্রশক্তির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মাহাতি তার ঘাড় চেপে ধরেন এবং ধাক্কা দেন বলে অভিযোগ ওঠে। আরাফাত হোসেন বলেন, আমি স্পষ্টভাবে নিজের সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং এ ধরনের আচরণ স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থি। ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ও বিষয়টির ব্যাখ্যা জানতে এনপিবি নিউজের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম মাসুম, চট্টগ্রাম প্রতিদিনের প্রতিবেদক আব্দুর রহমান ইমন এবং আরাফাত হোসেন অভিযুক্ত নেতার সঙ্গে কথা বলতে যান। তাদের সঙ্গেও অশালীন আচরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা। আব্দুর রহমান ইমন বলেন, ছাত্র সংগঠনের একজন দায়িত্বশীল নেতা হয়েও তিনি আমাদের সঙ্গে অসম্মানজনক ভাষায় কথা বলেছেন। একপর্যায়ে আমাকে ‘তুই’ সম্বোধন করে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আব্দুল্লাহ আল মাহাতির মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিক নেতারা বলেছেন, যেকোনো রাজনৈতিক কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহ করা গণমাধ্যমকর্মীদের সাংবিধানিক ও পেশাগত অধিকার। দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের হেনস্তা ও অসম্মান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। এমআর/এসএএস

Source 2: Jugantor · 02/07/26open original ↗

চবি ছাত্রশক্তির নেতাকে মারধর, সাংবাদিকদের হেনস্তা

চবি ছাত্রশক্তির নেতাকে মারধর, সাংবাদিকদের হেনস্তা অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে Advertisement চবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) জাতীয় ছাত্রশক্তির এক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণে বাধা ও হেনস্তা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার উলফাতুর রহমান রাকিব জাতীয় ছাত্রশক্তির চবি শাখার মুখ্য সংগঠক। এটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী ছাত্রসংগঠন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে শাহজালাল হলের সামনে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে রাকিবের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে প্রক্টরের সামনেই তাকে মারধর করা হয়। চবি ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীব, সিনিয়র যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াছিনসহ আরও অনেকে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়া হয়। সেখানে ছাত্রদল কর্মী তাসিন আল সাদমান, দপ্তর সম্পাদক রোকন উদ্দিনসহ কয়েকজন সাংবাদিকদের হেনস্তা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সোমবার বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে ছাত্রদল কর্মী ইফতেখারুল ইসলাম জিসানের সঙ্গে ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক মামুনের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় জিসানকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। এর জেরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মামুনকে মারধর করা হয়। ওই রাতে বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে জিসানকে মোটরসাইকেলে করে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে পৌঁছে দেন রাকিব। রাকিবের অভিযোগ, এ কারণে ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীব তাকে ফোনে কল করে ডেকে নিয়ে মারধর করেন। চবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াছিন বলেন, যারা অভিযুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব। সাংবাদিকদের সঙ্গে যারা অশোভন আচরণ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একজন শিক্ষার্থীকে মারধর করেছেন। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।