মাকে উত্ত্যক্ত করায় চাচাকে ছুরিকাঘাত
Why this classification
A nephew stabbed his uncle on Thursday night, 8 October 2026, in Companiganj, Noakhali, causing injuries that required hospital treatment. The attack followed the uncle's repeated harassment of a widow, which makes it a valid violent incident within the two-week window.
Killed
0
Injured
1
Summary
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে (৮ অক্টোবর ২০২৬) রাতে বিধবা মাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে ভাতিজা রিহান চাচা আবুল কাশেমকে ছুরিকাঘাত করে। আহত আবুল কাশেমকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
পুকুরপাড়ে ঘুমন্ত ব্যক্তিকে পিটুনির পর ছুরিকাঘাতে হত্যা, সাবেক স্ত্রী ও শাশুড়ি আটক
পুকুরপাড়ে ঘুমন্ত ব্যক্তিকে পিটুনির পর ছুরিকাঘাতে হত্যা, সাবেক স্ত্রী ও শাশুড়ি আটক সুধারাম মডেল থানা নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬ | ১৩:১৭ নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদ্রাসার মাঠে ঘুমন্ত অবস্থায় কামাল হোসেন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক স্ত্রী, শাশুড়ি ও শ্যালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহতের সাবেক স্ত্রী তানিয়া (৩০) ও শাশুড়ি কবরী বেগমকে (৫০) আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব দুর্গানগর গ্রামের মোহাম্মদিয়া নুরানী মাদ্রাসার পুকুরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার সকালে সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওসির দায়িত্বে থাকা মো. ইদ্রিসুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। নিহত কামাল সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের খলিলুর রহমানের ছেলে। তার সাবেক স্ত্রী তানিয়া সদর উপজেলার পূর্ব দুর্গানগর গ্রামের আমির হোসেনের মেয়ে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুয়া খেলায় আসক্তি নিয়ে কামালের সঙ্গে তানিয়ার পারিবারিক কলহ ছিল। এ বিরোধের জেরে পাঁচ-ছয় বছর আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তবে বিচ্ছেদের পরও কামাল বিভিন্ন সময় সাবেক স্ত্রীকে বিরক্ত করতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। কিছুদিন আগে কামাল সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে যান। তবে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে সেখানে থাকতে দেননি। এরপর থেকে মেয়েকে দেখতে তিনি শ্বশুরবাড়ির পাশের মোহাম্মদিয়া নুরানী মাদ্রাসার পুকুরপাড়ের ঘাটলায় ঘুমাতেন। এ সময় মাথার নিচে ইট ব্যবহার করতেন তিনি। পুলিশ জানায়, গত শনিবার মাদ্রাসার মাঠে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কামাল ইট দিয়ে তার সাবেক শ্বশুর আমির হোসেনকে মারধর করে আহত করেন। এ ঘটনার জেরে রোববার ঢাকা থেকে আসেন কামালের শ্যালক আকাশ (২০)। ওই রাত ১১টার দিকে মাদ্রাসার মাঠে ঘুমন্ত কামালকে লাঠি ও ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ হত্যাকাণ্ডে তার সাবেক স্ত্রী, শাশুড়ি ও শ্যালক জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইদ্রিসুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের সাবেক স্ত্রী ও শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে। মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
মাকে উত্ত্যক্ত করায় চাচাকে ছুরিকাঘাত
মাকে উত্ত্যক্ত করায় চাচাকে ছুরিকাঘাত Advertisement কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কোম্পানীগঞ্জে বিধবা মাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে চাচা আবুল কাশেমকে ছুরিকাঘাত করেছে ভাতিজা রিহান। বৃহস্পতিবার রাতে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাছনি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত আবুল কাশেমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আবুল কাশেমের স্ত্রী চার বছর আগে মারা যান। তার এক ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, তার চাচাতো ভাই আবু নাছের দেড় বছর আগে তিন ছেলেসন্তান রেখে মারা যান। এরপর থেকে নাছেরের বিধবা স্ত্রীকে বারবার বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন কাশেম। ওই নারী প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও তাকে উত্ত্যক্ত করা অব্যাহত রাখেন কাশেম। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়। সেখানে কাশেমকে অন্যত্র বিয়ে করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপরও তিনি ওই নারীকে উত্ত্যক্ত করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিহান চাচাকে ছুরিকাঘাত করে। ওসি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুকুরপাড়ে ঘুমিয়ে থাকা ব্যক্তিকে পিটুনির পর ছুরিকাঘাতে খুন, সাবেক স্ত্রী ও শাশুড়ি আটক
সুধারাম মডেল থানাফাইল ছবি নোয়াখালী সদর উপজেলায় কামাল উদ্দিন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে পিটুনির পর ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই ব্যক্তির সাবেক স্ত্রী ও শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের দুর্গানগর গ্রাম থেকে কামাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত কামাল উদ্দিন সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরমাজীর এরশাদ কলোনির মৃত ওহিদুর রহমানের ছেলে। পুলিশের হাতে আটক তাঁর সাবেক স্ত্রীর নাম তানিয়া আক্তার (৩০)। আটক অপরজন তানিয়া আক্তারের মা কবরী বেগম (৫০)। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় চার-পাঁচ বছর আগে কামাল উদ্দিন ও তানিয়া আক্তারের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাঁদের ১১ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদের পরও কামাল উদ্দিন সাবেক স্ত্রী তানিয়া আক্তারের বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করতেন এবং তানিয়াকে বিরক্ত করতেন। কয়েক দিন ধরে তিনি পূর্ব দুর্গানগর এলাকার একটি মাদ্রাসার বারান্দায় রাত যাপন করে আসছিলেন। গত শনিবার রাতে তানিয়ার বাবা আমির হোসেনকে (৬০) ওই মাদ্রাসার মাঠে একা পেয়ে মারধর করেন কামাল উদ্দিন। এ ঘটনায় আমির হোসেনের মাথা ও হাতে গুরুতর জখম হয়। এই ঘটনার পর তানিয়া ও তাঁর ভাই মোহাম্মদ আকাশ (২২) ক্ষুব্ধ হন। গতকাল রাতে আকাশ ঢাকায় কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফেরার পর তিনি, তানিয়া আক্তার ও কবরী বেগম কামাল উদ্দিনকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে রাত ১০টার দিকে একটি পুকুরপাড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় কামাল উদ্দিনকে পেয়ে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকেন তাঁরা। মোহাম্মদ ফোরকান নামের আরেক বাসিন্দাও তাঁদের সঙ্গে ছিলেন। একপর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে কামাল উদ্দিনের মাথায়, বুকে, হাতে ও পিঠে আঘাত করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই কামাল উদ্দিনের মৃত্যু হয়। সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইদ্রিস প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, রক্তমাখা বালু, মুঠোফোনসহ বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস বলেন, ‘ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তানিয়া আক্তার ও তাঁর মা কবরী বেগমকে আটক করা হয়েছে। মোহাম্মদ আকাশ, ফোরকানসহ অন্যদের আটক করতে অভিযান চলমান। নিহত কামাল উদ্দিনের পরিবারের অভিযোগের আলোকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন নোয়াখালীঅপরাধচট্টগ্রাম বিভাগ
