দুই জেলায় সংঘর্ষে ১৪ জন আহত
Why this classification
This incident is classified as political violence because a clash involving members of the BNP occurred in Bakri village, Kishoreganj, on January 7, 2026. The confrontation resulted in four injuries among party members due to internal disputes over the occupation of a waterbody. While the victims are identified as BNP members, the perpetrator side is not recorded. This classification is supported by two corroborating sources.
Killed
0
Injured
10
Summary
০৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঝিনাইদহ ও কিশোরগঞ্জে দুটি পৃথক সংঘর্ষে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের মোট ১৪ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ঝিনাইদহে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে ১০ জন এবং কিশোরগঞ্জে জলমহাল দখল নিয়ে দলীয় কোন্দলে ৪ জন আহত হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
89% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 10
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/01/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
দুই জেলায় সংঘর্ষে ১৪ জন আহত
সারাদেশ দুই জেলায় সংঘর্ষে ১৪ জন আহত আহতরা বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী ছবি: সমকাল ঝিনাইদহ ও মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ২২:০১ - অ + ঝিনাইদহ ও কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে সংঘর্ষে ১৪ জন আহত হয়েছেন। তারা বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী। বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহ সদরের বাকড়ি গ্রামের হিজলতলা মাঠে আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে আহত হন ১০ জন। কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহাল দখল নিয়ে বিরোধে চারজন আহত হয়েছেন। ঝিনাইদহের হরিশংকরপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহীন মিয়া, একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদের সমর্থকদের সঙ্গে বিএনপি কর্মী আজাদ মাস্টারের লোকজনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এলাকাবাসী জানান, বুধবার দুপুরে হিজলতলা মাঠে শাহীন মিয়ার সমর্থকদের কেউ পেঁয়াজ রোপণ করছিলেন, কেউ ক্ষেতের আইল কাটছিলেন। পাশের ক্ষেতে কাজ করছিলেন আজাদ মাস্টারের পক্ষের কিছু লোক। সেখানে তর্কাতর্কির জেরে মারামারি শুরু হয়। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা হলেন– একই ইউনিয়নের হুদাবাকড়ি গ্রামের শাহীন মিয়া, টুকু শেখ, সাগর, আমিন, আমুদ ও আব্দুল্লাহ। শাহীন মিয়ার ভাষ্য, ‘তারা অতর্কিতে আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমার মাথায় আঘাত লেগেছে। আরও অনেক মানুষ আহত হয়েছে। পূর্বের একটি মারামারি নিয়ে আজকের এই ঘটনা।’ বক্তব্য জানতে বিএনপি কর্মী আজাদ মাস্টারের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও ধরেননি। হরিশংকরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মুন্সী এম এম আবু জাফর বলেন, ‘খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ চেয়ারম্যান থাকা অবস্থা থেকেই ওই এলাকায় কয়েকটি গ্রুপের মধ্যেই মাঝে মাঝে মারামারি হতো। বুধবারের ঘটনাও দুটি পক্ষের বিরোধের জের। তবে আমরা চেষ্টা করছি বিরোধগুলো মীমাংসা করার, যেন মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারে।’ ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি সামসুল আরেফিনের ভাষ্য, ক্ষেতের আইল কাটা নিয়ে ঘটনাটি ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জলমহালের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেলসহ চারজন। তারা হামলার জন্য উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদ ও তাঁর সমর্থকদের দায়ী করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিল মাকসা জলমহালের দখল ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি-ছাত্রদলের মধ্যে বিরোধ। এর জেরে বুধবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালানো হয়। হামলায় গুরুতর আহত হন তিতুমীর হোসেন সোহেল (৩৫), তাকবীর (২৮), মীর রাফি (২৩) ও রিমন (৩৫)। শুরুতে তাদের অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। আহত ছাত্রদল নেতা তিতুমীর হোসেন সোহেল বলেন, ‘বিল মাকসা জলমহাল দখল নিয়ে আমাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বেই এই হামলা হয়েছে। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’ বক্তব্য জানতে সৈয়দ সাইদ আহমেদের মোবাইল ফোনে বারবার কল দিলেও তিনি ধরেননি। অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেব খান জানান, এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি, পেলে তদন্তের পর ব্যবস্থা নেবেন। বিষয় : আহত সংঘর্ষ আরও পড়ুন দোষীদের গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি বিজিএমইএর ঘুষের টাকাসহ যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দুদকের হাতে গ্রেপ্তার সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা আদালতের রায় নিয়ে হঠাৎ মুখোমুখি বিএনপি ও জামায়াত সর্বশেষ দোষীদের গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি বিজিএমইএর ঘুষের টাকাসহ যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দুদকের হাতে গ্রেপ্তার একমাত্র ছাত্রী হল সংসদেও জয়ী শিবির সমর্থিত প্যানেল জকসুতে ভিপি-জিএসসহ ২১ পদের ১৬টিতে জয় পেল শিবির সমর্থিত প্যানেল ফ্যাসিবাদের ফেরার পথ বন্ধে গণভোট: আলী রীয়াজ জকসু নির্বাচনেও নিরঙ্কুশ পেল জয় পেল শিবির বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা কদমতলীতে ব্যবসায়ী খুনে ২ জন গ্রেপ্তার আরও পড়ুন ×
পুলিশের পোশাকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ডাকাতি, আটক ১
সারাদেশ ঝিনাইদহ পুলিশের পোশাকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ডাকাতি, আটক ১জেলা প্রতিনিধি ঝিনাইদহ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৩৬অ+অ-ঝিনাইদহের মহেশপুরে পুলিশের পোশাক পরে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে একটি পরিবারকে জিম্মি করে মালামাল লুট করে নিয়ে পালানোর সময় মো. শান্ত (২৭) নামে একজনকে আটক করে স্থানীয় লোকজন। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার এসবিকে ইউনিয়নের বজরাপুর গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ ঢালীর ছেলে মো. আবুল হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আটক মো. শান্ত (২৭) ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কাস্টসাগরা গ্রামের কামরুল শেখের ছেলে। ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে ৫ থেকে ৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল বজরাপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ঘরের গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা পরিবারের চার সদস্যকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে অবরুদ্ধ করে। পরে ওই ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে পালিয়ে যায় ডাকাতরা। চক্রটির সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ওই বাড়ির লোকজন চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। পরে ধাওয়া করে একজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। আটক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ জানায়, আটক মো. শান্তসহ চক্রটির প্রত্যেকের পরনে পুলিশের ভুয়া পোশাক ছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন। আটক ব্যক্তির প্রাথমিক স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, এর আগের দিন (শনিবার) রাতে একই কৌশলে মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর গ্রামেও মালামাল লুট করে চক্রটি। এসব তথ্য নিশ্চিত করে মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। লুট হওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উদ্ধারের পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া চক্রটির অন্য সদস্যদের ধরতে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আব্দুল্লাহ আল মামুন/এএমকে
