পূর্ববিরোধের জের, মাদারীপুরে ফের সংঘর্ষে নিহত ১

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

This is a specific, recent incident in Madaripur where supporters of two rival local groups fought with knives and other local weapons, leaving one man dead and houses looted. A bomb exchange the night before is also described, so the event involves real physical violence and is not a report, statement, or statistic.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
10/03/26•Madaripur Sadar Upazila

Killed

1

Injured

0

Summary

মাদারীপুর সদরে মঙ্গলবার (১০ মার্চ ২০২৬) সকালে হাসান মুন্সি ও আক্তার হাওলাদার গ্রুপের সমর্থকদের দেশীয় অস্ত্রের সংঘর্ষে আলমগীর হাওলাদার (৫৫) নিহত হন এবং বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট হয়। এর আগে রোববার রাতে দুপক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে অর্ধশতাধিক হাতবোমা ছোড়ে, পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

88% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আলমগীর হাওলাদার (৫৫) - নিহত ব্যক্তিহাসান মুন্সি গ্রুপের সমর্থকরাআক্তার হাওলাদার গ্রুপের সমর্থকরাশাকিল মুন্সি - আগের হত্যাকাণ্ডে নিহত, সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতিমাদারীপুর সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ

Affected infrastructure

houses

Tags

MurderGang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 11/03/26open original ↗

শ্রমিক দল নেতা হত্যার আসামি আ.লীগ কর্মীকে কুপিয়ে খুন

শ্রমিক দল নেতা হত্যার আসামি আ.লীগ কর্মীকে কুপিয়ে খুন সমকাল ডেস্ক প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬ | ০৭:৩৩ | প্রিন্ট সংস্করণ মাদারীপুরের সদর উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি শাকিল মুন্সি হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আলমগীর হাওলাদারকে (৫৫) কুপিয়ে খুন করেছে প্রতিপক্ষ। এ সময় মরদেহের হাতের কবজি কেটে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। ভাঙচুর, লুটপাট চালানো হয় বাড়িতেও। গতকাল মঙ্গলবার সকালে পৌর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।    নিহত আলমগীর হাওলাদার মাদারীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কর্মী। তিনি জুলাই আন্দোলনের একটি হত্যা মামলায় বর্তমানে কারাগারে থাকা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং সাবেক পৌর কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের চাচাতো ভাই।  পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০২৫ সালের ২৪ মার্চ সদর উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি শাকিল মুন্সিকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ। এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে শাকিলের ভাই উপজেলা শ্রমিকদলের সহসভাপতি হাসান মুন্সি ও প্রতিপক্ষ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে মঙ্গলবার সকালে মনিরুজ্জামানের সমর্থক ও চাচাতো ভাই আলমগীর হাওলাদারের বসতঘরে ঢুকে হামলা চালায় প্রতিপক্ষ হাসান মুন্সির লোকজন। তারা আলমগীরকে কুপিয়ে হত্যা করে এবং হাতের কবজি কেটে নিয়ে যায়। ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয় আলমগীরের বাড়িতে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে হাসান মুন্সি পলাতক। জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফারুক হোসেন বলেন, শ্রকিদল নেতা শাকিল মুন্সি হত্যার বিচার প্রয়োজন। একই সঙ্গে মঙ্গলবারের ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, সে যে দলেরই হোক না কেন তাদের বিচার হোক।  মাদারীপুর সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। এখনও মামলা হয়নি। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। গোপালগঞ্জে নিখোঁজ কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার  গোপালগঞ্জে নিখোঁজের দুদিন পর কলেজছাত্র সিয়াম মোল্যার (১৭) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাত ১১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পেছনের একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে মুকসুদপুর থানা পুলিশ। সিয়াম মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝুটিগ্রামের ইতালি প্রবাসী লিখন মোল্যার ছেলে ও মুকসুদপুর কলেজের এইচএসসির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গত ৭ মার্চ চার সহপাঠী সিয়ামকে বাঁশবাড়িয়া গ্রামের নানাবাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ তদন্তে নেমে সিয়ামের সহপাঠী ঝুটিগ্রামের শাহিন মিয়ার ছেলে দিদার মিয়া (১৬) ও বাঁশবাড়িয়া গ্রামের টিটুল মুন্সীর ছেলে পারভেজ মুন্সীকে (১৭) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ  করে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার হয়।  ওসি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে দিদার ও পারভেজ স্বীকার করেছে তারা মাদকাসক্ত। মাদকের টাকা জোগাড় করতে সিয়ামের কাছ থেকে তার আইফোন ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে তারা চারজন। ৭ মার্চ তারা সিয়ামকে শ্বাসরোধে হত্যার পর পুকুরের কচুরিপানার নিচে মরদেহ ঢেকে রাখে তার ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আইফোনটি পার্শ্ববর্তী বোয়ালিয়া গ্রামের এক ব্যক্তির কাছে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে। এ ঘটনায় আটক দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জড়িত অপর দুজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। টেকনাফে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ দুই ছেলের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের টেকনাফে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে কালা মিয়া (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর দুই ছেলের বিরুদ্ধে। গত সোমবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত দুই ছেলে শাকের আলম ও মনির আলমের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মানিকছড়িতে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার বড়বিল এলাকায় ঘরের রান্নাঘর থেকে রাম্রা মারমা (৪১) নামে এক স্বামী পরিত্যক্তা নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বাটনাতলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বিল এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মানিকছড়ি থানার ওসি (তদন্ত) আল আমিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধরণা করা হচ্ছে ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে। আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। শাহজাহানপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা রাজধানীর শাহজাহানপুরের শান্তিবাগ এলাকায় সেকান্দার মিয়া (৩২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত সোমবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালাতেন। স্বজনের অভিযোগ, মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় তাঁকে খুন করা হয়। শাহজাহানপুর থানার ওসি আমিরুল ইসলাম বলেন, শান্তিবাগের ভাঙাড়ি গলিতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে একজন গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যুর খবর  পাওয়া যায়। সেকান্দারের বিরুদ্ধে মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।  পুলিশ সূত্র জানায়, বুলেট মামুন নামে পরিচিত এক মাদক কারবারির সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল সেকান্দারের। দুজনের বিরুদ্ধেই মাদক কারবারে সংশ্লিষ্টতাসহ সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে।  (প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন সমকাল প্রতিবেদক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি) - বিষয় : - খুন

Source 2: Jugantor · 11/03/26open original ↗

পূর্ববিরোধের জের, মাদারীপুরে ফের সংঘর্ষে নিহত ১

পূর্ববিরোধের জের, মাদারীপুরে ফের সংঘর্ষে নিহত ১ Advertisement মাদারীপুর ও টেকেরহাট প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে আলমগীর হাওলাদার (৫৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে হাসান মুন্সি ও আক্তার হাওলাদার গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে হাসান মুন্সি ও আখতার হাওলাদার গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে এদিন দুপক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় আলমগীর হাওলাদারকে কোপানো হয়। সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে রোববার রাত ৯ থেকে ১১টা পর্যন্ত দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয়পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে অর্ধশতাধিক হাতবোমা নিক্ষেপ করে। বোমার বিকট শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ নিরাপত্তার জন্য ঘরের ভেতর অবস্থান নেয়। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। পরে সেখানে সেনাবাহিনীর একটি দল যায়। এরপর যৌথ অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয়রা জানান, বছরদেড়েক আগে হাসান মুন্সি ও আক্তার হাওলাদার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে হাসান মুন্সির ভাই শাকিল মুন্সি নিহত হন। এর পর থেকেই দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, সকালের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টহল জোরদার করা হয়েছে। আর ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে মাঠে নেমেছে পুলিশ।