দোহারে মোবাইলে কথা বলতে বাইরে গিয়েই নারী খুন
Why this classification
A woman was found seriously injured near a tube well outside her family home and was declared dead at the health complex, with injuries to her stomach and hands. Her father alleges a planned killing, but police have not confirmed the cause or the perpetrator, so the death is treated as a murder under investigation.
Killed
1
Injured
0
Summary
ঢাকার দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নে সেহরির পর ফোনে কথা বলতে বাড়ির বাইরে যাওয়া মলি আক্তার নামে এক নারী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার আগেই মারা যান। নিহতের বাবা পেট ও হাতে আঘাতের চিহ্ন দেখে এটিকে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
দোহারে মোবাইলে কথা বলতে বাইরে গিয়েই নারী খুন
দোহারে মোবাইলে কথা বলতে বাইরে গিয়েই নারী খুন বাবার দাবি পরিকল্পিত হত্যা Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সেহরির পরে ফোনে কথা বলতে বলতে ঘর থেকে বের হয়েছিলেন মলি আক্তার। কিছুক্ষণ পর তার ডাকচিৎকারে ছুটে আসেন পরিবারের লোকজন। দেখেন বাড়ির পার্শ্ববর্তী টিউবওয়েলের পাশে পড়ে রয়েছে মলি। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নেওয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। চিকিৎসক জানান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পূর্বেই মারা গেছে মলি। এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নের আন্তা বাহ্রার বাগেরকাচা এলাকায়। নিহত মলি আক্তার ওই এলাকার বাদশা বাবুর্চি ও রেহেনা আক্তার দম্পতির মেয়ে। স্বামী ইসমাইলের সঙ্গে দেড় বছর আগে ছাড়াছাড়ির পর একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতেই থাকতেন তিনি। ডিভোর্সের পর জীবিকার তাগিদে বিদেশ গেলেও দেড় মাস আগে ঈদ করতে দেশে আসেন তিনি। জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বোনদের সঙ্গে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন মলি। শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টা থেকেই তার ফোনে অনবরত কল আসতে থাকে। একপর্যায় ফোন ধরে কথা বলতে বলতে ঘর থেকে বের হয়ে যায় মলি। প্রায় ১০ মিনিট পর তার ডাকচিৎকারে পরিবারের লোকেরা এগিয়ে এসে বাড়ির পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মলির মা রেহেনা আক্তার বলেন, মিলির সঙ্গে আমার আরও দুই মেয়ে ঘুমিয়েছিল। ভোরে আমার মেয়ের ডাকচিৎকারে আমরা গিয়ে দেখি ওর পড়ে রয়েছে। আমার মেয়েকে মেরে ফেলে রেখে গেছে। ওর মোবাইল পুলিশ চেক করলেই ধরা পড়বে কে মারছে আমার কলিজার টুকরাকে। বাবা বাদশা বাবুর্চি বলেন, প্রথমে যখন ওকে উদ্ধার করি মনে করেছিলাম। একা পড়ে গেছে। পরে দেখি রক্ত, পেটে ও হাতে আঘাতের চিহ্ন। আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এখন আমার নাতির কি হবে? আমি এর ন্যায় বিচার চাই।
