উখিয়ার আশ্রয়শিবিরে আবার গোলাগুলি, রোহিঙ্গা তরুণ গুলিবিদ্ধ
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Cox's Bazar. Parties reported: Arakan Rohingya Army (ARA), Arakan Rohingya Organisation (ARO). Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 3 sources.
Killed
0
Injured
1
Summary
২০২৬ সালের ১২ মে কক্সবাজারের উখিয়া বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ) ও এআরও-র মধ্যে গোলাগুলিতে হাসমত উল্লাহ নামে এক তরুণ গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
98% · severity 7
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (5 sources)
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি, এক শিশু নিহত
সারাদেশ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি, এক শিশু নিহত × রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ফাইল ছবি কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬ | ১৩:২৭ - অ + কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গোলাগুলিতে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা ও তিন নারীসহ আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়ায় দায়িত্বরত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) উপ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুতুপালং ক্যাম্প-৮ ইস্টের বি-৪০ ও বি-৪১ ব্লক এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ক্যাম্পের বাসিন্দাদের ভাষ্য, সন্ধ্যার দিকে শতাধিক গুলির শব্দ শোনা যায়। এতে পুরো ক্যাম্পে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য অনেকে ঘর থেকে বের হয়ে আসেন। গোলাগুলির মধ্যে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয় পাঁচ বছর বয়সী মোজাহেদ। সে ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা নূর আলমের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মোজাহেদের মা তাহেরা বেগমসহ আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজন নারী রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) সদস্যদের মধ্যে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনার কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিষয় : রোহিঙ্গা ক্যাম্প গোলাগুলি নিহত শিশু আরও পড়ুন চুয়াডাঙ্গার ৫ রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা মোটরসাইকেল কিনে বন্ধুকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল দুজনেরই সালথায় নৌকা বাইচে মাতল হাজারো মানুষ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট সর্বশেষ বন্যা মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ সহায়তা চায় নেপাল, পুনর্গঠনে লাগবে ৫ বিলিয়ন ডলার কানাডায় অর্ণব-সুনিধির গানে মাতলেন প্রবাসী বাঙালিরা চুয়াডাঙ্গার ৫ রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা রুটি দীর্ঘ সময় নরম রাখার কৌশল জীবন বাঁচাতে গাছে উঠেছিল ৮ বছরের জোয়াল, হাসপাতালে মায়ের সঙ্গে দেখা মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় চাপে ইরানের অর্থনীতি হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছেন কিনা বুঝবেন কীভাবে? মোটরসাইকেল কিনে বন্ধুকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল দুজনেরই আরও পড়ুন ×
উখিয়ায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, স্বামী ও শাশুড়ি আটক
কক্সবাজারের উখিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে পারভিন আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যাপালং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ নিহতের স্বামী আব্দুল আলম ও শাশুড়ি মরিয়ম বেগমকে আটক করেছে। নিহত পারভিন আক্তার তিন সন্তানের জননী। তাঁর বাবার বাড়ি একই ইউনিয়নের পাতাবাড়ি এলাকায়। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৭টার দিকে পারিবারিক কলহের জেরে পারভিন আক্তার বাবার বাড়ি যেতে চাইলে স্বামী আব্দুল আলমের সঙ্গে তাঁর বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পারভিনকে গলায় ও ঘাড়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে আব্দুল আলম ও মরিয়ম বেগম পারভিনকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহত পারভিন আক্তারের মরদেহের সঙ্গে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে গিয়েছিলেন তাঁর দুই বোন ও দুই ভাই। নিহতের বোন ইয়াসমিন আক্তার বলেন, “প্রায় সময় আবদুল আলম নেশা করে এসে আমার বোনকে মারধর ও নির্যাতন করত। অনেক কষ্ট সহ্য করে সে সংসার করে আসছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রাণ দিয়ে মুক্ত হল আমার অভাগা বোনটি। আমরা এ হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”নিহতের বড় ভাই সৌদি প্রবাসী কামাল উদ্দিন বলেন, “১০ বছর আগে আমার বোনের সঙ্গে আবদুল আলমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বোনের সুখের জন্য আমরা আর্থিকভাবে সহযোগিতা করে আসছিলাম। তারপরও সে সুখী হতে পারেনি। স্বামী পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিল। কিন্তু নেশাগ্রস্ত হওয়ায় সে তেমন কাজ করত না।” বাড্ডায় ছুরিকাঘাতে গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামী পলাতক উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হত্যায় জড়িত সন্দেহে ভিকটিমের স্বামী আব্দুল আলম এবং শাশুড়ি মরিয়ম বেগমকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি, যুবক গুলিবিদ্ধ
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ফের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে হাসমত উল্লাহ (২২) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেল ৩টার দিকে ক্যাম্প-৮ এর বি ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হাসমত উল্লাহ ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ক্যাম্পের ব্র্যাক হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ডান হাতে দুটি গুলি লেগেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) কর্মকর্তারা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও রোহিঙ্গা সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি নবী হোসেন বাহিনী নামে পরিচিত আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ) এবং আরাকান রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশন (এআরও)-এর মধ্যে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। এর জেরে গত ৫ মে ক্যাম্প-৭ এ এআরও কমান্ডার কেফায়েত উল্লাহ হালিম নিহত হন। পরদিন ৬ মে ক্যাম্প-৮ এ এআরও সদস্যদের গুলিতে নিহত হন নবী বাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার মোহাম্মদ কামাল প্রকাশ ও নুর কামাল। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ক্যাম্প-৮ পশ্চিম অংশে ১০-১২ জন সশস্ত্র সদস্যের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এক রোহিঙ্গা নেতা দাবি করেন, এআরও গ্রুপের সদস্যরা নবী হোসেন বাহিনীর আস্তানায় হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পে সাধারণ রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে এবং ক্যাম্প এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। ইফতিয়াজ নুর নিশান/ এসএমডব্লিউ
ভিটেমাটি বন্ধক রেখে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণে ফিরলেন মহেশখালীর দুই যুবক
ভিটেমাটি বন্ধক রেখে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণে ফিরলেন মহেশখালীর দুই যুবক Advertisement কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ১১:১৮ পিএম রবিউল আলম এবং মোহাম্মদ এহসান। ফাইল ছবি। পাহাড়ের গহীনে টানা পাঁচ দিন বন্দি জীবন। চোখ বেঁধে এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে সরিয়ে নেওয়া,সামান্য ভুল হলেই অমানুষিক নির্যাতন। আর এদিকে সন্তানদের জীবিত ফেরাতে শেষ সম্বল ভিটেমাটি, পানের বরজ বন্ধক রেখে ও গরু বিক্রি করে মুক্তিপণের টাকা জোগাড়ে মরিয়া পরিবার। অবশেষে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়ার পর কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে অপহৃত দুই যুবক বাড়িতে ফিরে এসেছেন। তবে ফিরে এলেও এখনো আতঙ্কে রয়েছেন তারা। অপহৃত দুই যুবক হলেন মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কালালিয়াকাটা এলাকার লাল মিয়ার ছেলে রবিউল আলম এবং একই এলাকার বাদশাহ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ এহসান। স্থানীয় সূত্র ও পরিবার জানায়, গত ১২ মে সংঘবদ্ধ একটি অপহরণ চক্র মহেশখালী থেকে কৌশলে ওই দুই যুবককে কক্সবাজারে নিয়ে যায়। পরে ইনানীর পাটুয়ারটেক সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আটকে রেখে পরিবারের কাছে প্রথমে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ফিরে আসা যুবকরা জানান, অস্ত্রধারী অন্তত পাঁচজন সন্ত্রাসী সার্বক্ষণিক তাদের পাহারা দিত। নিজেদের অবস্থান গোপন রাখতে একদিন পরপর তাদের এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে সরিয়ে নেওয়া হতো। এ সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় এবং পরিবারের সদস্যদের ফোনে ভয়ভীতি দেখিয়ে দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, অপহরণ চক্রটির নেটওয়ার্ক অত্যন্ত বিস্তৃত ও ভয়ংকর। এতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি টেকনাফ, উখিয়া, মহেশখালী ও মিয়ানমারের কিছু অপরাধী জড়িত থাকতে পারে। এমনকি ভারতের কয়েকজন অপরাধীর সম্পৃক্ততার কথাও তারা জানতে পেরেছেন। নিজস্ব যানবাহন রয়েছে, যেগুলো ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের টার্গেট করা হয়। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ দেনদরবারের পর শেষ পর্যন্ত ১০ লাখ টাকায় সমঝোতা হয়। এই টাকা জোগাড় করতে গিয়ে দুই পরিবার কার্যত নিঃস্ব হয়ে পড়ে। গরু বিক্রি, জমানো সঞ্চয়, পানের বরজ এবং ভিটেমাটি বন্ধক রেখে মুক্তিপণের টাকা সংগ্রহ করা হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, অপহরণের পর প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও তারা কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাননি। এ বিষয়ে মহেশখালী থানার ওসি মুহাম্মদ আবদুস সুলতান বলেন, দুই যুবকের অপহরণের বিষয়টি পুলিশ জানত এবং বিষয়টি জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে জানানো হয়েছিল। তবে মুক্তিপণ দিয়ে তাদের ছাড়া পাওয়ার বিষয়টি পুলিশের জানা নেই বলে তিনি দাবি করেন।
উখিয়ার আশ্রয়শিবিরে আবার গোলাগুলি, রোহিঙ্গা তরুণ গুলিবিদ্ধ
কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী আশ্রয় শিবিরফাইল ছবি কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবিরে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে আবার গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে হাসমত উল্লাহ (২২) নামে একজন রোহিঙ্গা তরুণ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে ক্যাম্প-৮–এর বি ব্লকে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। গুলিবিদ্ধ হাসমত উল্লাহ ক্যাম্প-৮– এর বাসিন্দা। আশ্রয়শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) একজন কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ সদস্যরা আশ্রয়শিবির থেকে গুলিবিদ্ধ রোহিঙ্গা হাসমত উল্লাহকে উদ্ধার করে প্রথমে ক্যাম্পের অভ্যন্তরের ব্র্যাক হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে সেখান থেকে উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসমত উল্লাহর ডান হাতে দুটি গুলি লেগেছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি আশ্রয়শিবিরে নবী হোসেন বাহিনী নামে পরিচিত রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা আর্মির (এআরএ) সঙ্গে আরেক সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশনের (এআরও) আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। ৬ মে বেলা আড়াইটার দিকে বালুখালী আশ্রয়শিবিরে এআরও সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন নবী হোসেন বাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার মোহাম্মদ কামাল প্রকাশ নুর কামাল (৪৫) নামের এক রোহিঙ্গা নেতা। তিনি নবী বাহিনীর প্রধান নবী হোসেনের ছোট ভাই। তার আগের দিন ৫ মে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বালুখালী ক্যাম্প-৭ আশ্রয়শিবিরে নবী হোসেন বাহিনীর সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন এআরও কমান্ডার কেফায়েত উল্লাহ হালিম (৪৫)। এ সময় আরও দুই রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশ ও রোহিঙ্গা নেতারা জানায়, এর জের ধরে আজ বেলা তিনটার দিকে ১০-১২ জনের একদল সন্ত্রাসী ক্যাম্প-৮ পশ্চিম আশ্রয়শিবিরে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে হাসমত উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হন। হাসমত নবী হোসেন বাহিনীর সদস্য দাবি করে আশ্রয়শিবিরের একজন রোহিঙ্গা নেতা বলেন, এআরও বাহিনীর সন্ত্রাসীরা নবী হোসেন বাহিনীর (এআরএ) আস্তানায় হামলা চালায়। এ ঘটনায় আশ্রয়শিবিরে সাধারণ রোহিঙ্গার মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, সন্ত্রাসীদের ধরতে আশ্রয়শিবিরে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। টহল জোরদার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে বর্তমানে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৪ লক্ষাধিক। এর মধ্যে ৮ লাখ এসেছে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পরের কয়েক মাসে। গত আট বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। উল্টো গত দেড় বছরে রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন করে এসেছে আরও দেড় লাখ রোহিঙ্গা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, বর্তমানে আশ্রয়শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের নয়টির বেশি রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন রোহিঙ্গাকক্সবাজারঅপরাধউখিয়াচট্টগ্রাম বিভাগগুলি
