নান্দাইলে যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা
Why this classification
যদিও শিকারের রাজনৈতিক সংযোগ (যুবদল) আছে, হামলাটি মাদক বিরোধী লোকজনের গোষ্ঠীর স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিক্রিয়া, কোনো পার্টি‑ভিত্তিক সংঘর্ষ নয়; তাই এটি রাজনৈতিক হিংসা হিসেবে গণ্য হয় না।
Killed
0
Injured
1
Summary
২০২৬-০৭-১৩ তারিখে ময়মনসিংহের নান্দাইলের দশালিয়া মহল্লায় যুবদল কর্মী আকরাম হোসেন ফেরদৌসকে স্থানীয় লোকেরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করেছে। তিনি মাদক বিরোধী অবস্থান নেওয়ায় এই হামলা ঘটেছে বলে বলা হয়।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
নান্দাইলে যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা
নান্দাইলে যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬ | ০৮:১৪ | প্রিন্ট সংস্করণ ময়মনসিংহের নান্দাইলে আকরাম হোসেন ফেরদৌস নামে এক যুবদল কর্মীকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করেছে দুষ্কৃতকারীরা। মাদক সেবনের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করায় এ হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার দুপুরে দশালিয়া মহল্লায় তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করেছে। এদিকে, গতকাল রাত ৯টার দিকে শতাধিক লোক মিছিল নিয়ে নান্দাইল থানায় যান। তারা ফেরদৌসের ওপর হামলার বিচার ও মাদক কারবারিদের আস্তানা গুড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন। পরে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুজাহিদুল ইসলাম থানার গেটে এসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায়। আকরাম হোসেন ফেরদৌস পৌর সদরের দশালিয়া মহল্লার আহাম্মদ হোসেনের ছেলে। তিনি নান্দাইল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আহত আকরাম হোসেন ফেরদৌস মোবাইল ফোনে জানান, গতকাল দুপুর ২টার দিকে তিনি মোটরসাইকেলে করে মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত ছেলেকে খাবার দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় স্থানীয় জহিরুলের বাড়ির সামনে পৌঁছলে জহিরুল, আমীন ও মাসুদসহ সাত-আটজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর পথরোধ করে। এ সময় তারা বলতে থাকে ‘আমাদের ছেলেদের ডিস্টার্ব করছিস কেন? তোকে আজ শেষ করে ফেলব’। এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই চাপাতি দিয়ে ফেরদৌসকে কোপাতে শুরু করে। এতে তিনি রক্তাক্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাঁকে হাসপাতালে পাঠান। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে ওই এলাকায় একদল যুবককে প্রকাশ্যে মাদক সেবন করতে দেখে স্থানীয়রা তাদের আটক করেন। খবর পেয়ে ফেরদৌস গিয়ে তাদের বকাঝকা করেন। আর কখনও মাদক সেবন করবে না– এমন শর্তে তাদের সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া মাসখানেক আগে একই এলাকার সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে চিহ্নিত মাদকসেবী ও কারবারিদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। তখন থেকেই স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে মাদকবিরোধী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এসব কারণেই ফেরদৌসের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীরা মাদক কারবার ও সেবনের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। এদিকে এ হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে নান্দাইল থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে গতকাল বিকেলে দশালিয়া গ্রামের কিবরিয়া ও ডাংরী গ্রামের মাসুদকে আটক করেছে পুলিশ। নান্দাইল মডেল থানার উপপরিদর্শক সাইদুল ইসলাম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে দুজনকে আটক করা হয়েছে। নান্দাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম জানান, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদী অবস্থানকে নষ্ট করতে এ হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। - বিষয় : - হত্যার হুমকি
