‘হানি ট্র্যাপ’ দুই ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মচারীকে জিম্মি করে বিবস্ত্র ভিডিও, খোয়ালেন টাকা
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Sunamganj. Parties reported: হানি ট্র্যাপ চক্র (Honey Trap Gang), ভুক্তভোগী সাধারণ নাগরিক. Reported casualties: 0 killed and 3 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
3
Summary
সুনামগঞ্জে প্রেমের ফাঁদে ফেলে জিম্মি ও বিবস্ত্র করে মারধরের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগে ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিল এক নারী ও এক পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ চক্রের ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অন্তত ৩ জন ভুক্তভোগী।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 4
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 19/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ৮৬, গ্রেপ্তার ৭
পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ৮৬, গ্রেপ্তার ৭ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬ | ০৭:৫৯ | প্রিন্ট সংস্করণ সুনামগঞ্জে ঈদের ছুটিতে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় ৮৬ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পাথারিয়ার সংঘর্ষে যুক্ত সাতজনকে সেনাসদস্যরা আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেছেন। পুলিশ জানায়, সোমবার গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পরে মঙ্গলবার জামিন শুনানি করলে আদালতের বিচারক মো. এমদাদ তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। রোববার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এদিন রাতে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া বাজারে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় একটি মিনি মার্কেট ভাঙচুর, দুটি দোকান লুট এবং তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ সময় সংঘর্ষস্থল থেকে সাতজনকে আটক করে সেনাবাহিনী। স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষে জড়িত দুই পক্ষ স্থানীয় বিএনপির ফারুক আহমদ ও আনছার উদ্দিনের সমর্থক। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাস নিয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাজীনগর গ্রামের মনির মিয়া ও আঙ্গুর মিয়ার লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠরা বিষয়টি সামাজিকভাবে নিষ্পত্তির জন্য রাত ৯টায় উভয়পক্ষকে নিয়ে শালিস বৈঠকে বসেন। এ সময় বাজারে দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাট শুরু হয়। জামালগঞ্জে বাঁধ কাটা নিয়ে সংঘর্ষ জামালগঞ্জ উপজেলায় পাগনার হাওরে বাঁধ কাটা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। ঈদের দিন সকালে এই ঘটনা ঘটে। কাশিপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আমির আলী বলেন, টানা বৃষ্টিপাতে নলচুন্নি হাওরে রোপণ করা ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। একইসঙ্গে শান্তিপুর গ্রামের কানাইখালী নদীতে একটি বাঁধ থাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পানি নামানোর জন্য বাঁধ কাটতে গেলে স্থানীয়রা বাধা দেয়। দিরাইয়ে সংঘর্ষ, লুটপাট সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় শিশুর সাইকেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। ঈদের দিন উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নের নাচনী চণ্ডিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কাশিপুর গ্রামের লোকজনের বিরুদ্ধে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, টিনসহ প্রায় ২৫ লাখ টাকার মালপত্র লুটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ জানায়, নাচনী চণ্ডিপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার ছয় বছর বয়সী ছেলে বাড়ির সামনে দিরাই-শাল্লা সড়কে সাইকেল চালাচ্ছিল। এ সময় পাশের শাল্লা উপজেলার কাশিপুর গ্রামের হাফিজুর মিয়ার ছেলে তার সাইকেল নিয়ে যায়। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাফিজুর মিয়ার পক্ষের লোকজন দলবদ্ধভাবে দিরাই উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। চণ্ডিপুর গ্রামের আফিয়া বেগম (৬০) জানান, হঠাৎ করেই হামলা চালানো হয়। তারা ঘটনার কিছুই জানতেন না। তাঁর ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে আসবাব ও ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। টাকাগুলো বাড়ির পাশে মাটি ভরাটের কাজের জন্য রাখছিলেন। ছাতকে সংঘর্ষে আহত ৩০ ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নের গণেশপুর গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার বিকেলে গণেশপুর মোড়লহাটির নুরুল হক ও মেজর টুকের আলাউদ্দিন গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার আছরের নামাজ শেষে জুতা রদ-বদলের উত্তেজনা নিয়ে শনিবার বিকেলে দুই গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয় । পর্যটনকেন্দ্রে সংঘর্ষ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাচ্চুনগর পর্যটনকেন্দ্রে টিকিটের দাম বাড়ানো নিয়ে স্থানীয় লোকজন ও পর্যটনকেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের মধ্যে ঈদের দিন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। এ ঘটনায় বাচ্চুনগর পর্যটন কেন্দ্রের মালিক বাচ্চু মিয়া শিকদারকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোমবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। তিন কার্যদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব না দিলে বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে নোটিশে। - বিষয় : - সংঘর্ষ
‘হানি ট্র্যাপ’ দুই ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মচারীকে জিম্মি করে বিবস্ত্র ভিডিও, খোয়ালেন টাকা
সুনামগঞ্জে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের গ্রেপ্তার হওয়া দুই সদস্যছবি: সংগৃহীত এক নারী মুঠোফোনে প্রথমে পুরুষদের সঙ্গে গড়ে তোলেন প্রেমের সম্পর্ক। এরপর কৌশলে ডেকে নেওয়া হয় বাসায়। সেখানে জিম্মি করে বিবস্ত্র অবস্থায় ধারণ করা হয় ভিডিও, চলে ব্যাপক মারধর। এই ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আদায় করা হয় মোটা অঙ্কের টাকা। সুনামগঞ্জে তিনজনের এমন ‘হানি ট্র্যাপে’ পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এক ব্যবসায়ী খুইয়েছেন ছয় লাখ টাকা; আরেক ব্যবসায়ী খুইয়েছেন সোনা ও টাকাপয়সা। আর এক সরকারি কর্মচারী ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হওয়ার পাশাপাশি গেছে বেশ কিছু টাকা। ওই চক্রের এক নারী ও এক পুরুষ সদস্যকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে। এক ঘটনায় ওই দুজনকে গ্রেপ্তারের পর শহরের আরও দুই ব্যবসায়ী থানায় গিয়ে এমন ফাঁদে পড়ে তাঁদের দুর্দশার কথা জানিয়েছেন। পুলিশের কাছে দিয়েছেন ভিডিওসহ তথ্য–প্রমাণ। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রতন শেখ সোমবার রাত আটটায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা একটি ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে হানি ট্র্যাপ চক্রের দুজনকে গ্রেপ্তার করি। এখন আরও দুজন ব্যবসায়ী এসে একইভাবে ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁরা ভিডিও দেখিয়েছেন। তথ্য–প্রমাণ দিয়েছেন। আমরা ওই চক্রে যুক্ত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনব।’ হানি ট্র্যাপ একধরনের অপকৌশল। বাংলা অনুবাদে একে ‘ভালোবাসার ফাঁদ’ নামে অভিহিত করা যেতে পারে। সহজ কথায় এটা হলো যৌনতার প্রলোভন দেখিয়ে বিপক্ষ শিবির থেকে তথ্য বা অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি। যৌনতা ও শারীরিক সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে কাজ সমাধা করে নেওয়ার নামই হানি ট্র্যাপ। নিছক মজা করার জন্য এই ফাঁদ পাতা হয় না, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী বা গোয়েন্দাদের কাছ থেকে তথ্য বা অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই থাকে এর উদ্দেশ্য। পুলিশ জানায়, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অজিত চন্দ্র দাস (৪০) জেলা সমবায় বিভাগের কর্মচারী। তিনি নিজের মুঠোফোন দিয়ে বিভাগের আরেক কর্মচারীকে কথা বলিয়ে দেন এক নারীর (৩০) সঙ্গে। এরপর ওই নারীর সঙ্গে নিয়মিত কথা বলতে থাকেন ভুক্তভোগী কর্মচারী। একপর্যায়ে ওই নারী তাঁকে কৌশলে শহরের একটি বাসায় ডেকে নেন। সেখানে নিয়েই তাঁকে জিম্মি করা হয়। বিবস্ত্র করে ভিডিও ও বেধড়ক মারধর করা হয়। এরপর ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে দাবি করা হয় ৫০ হাজার টাকা। ভুক্তভোগী ব্যক্তি তাৎক্ষণিক কিছু টাকা দিয়ে ছাড়া পান। পরে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকলে তিনি বাধ্য হয়ে থানায় অজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন। এরপর পুলিশ অজিতকে আটক করে ওই নারীর সন্ধান জানতে চায়। এ সময় অজিতকে দিয়ে ফোন করিয়ে ওই নারীকে জানানো হয় আরেকজন ‘মক্কেল’ পাওয়া গেছে। জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ওই নারী তখন ছুটে আসেন শহরে। পুলিশ তখন তাঁকে আটক করে। গতকাল রোববার অজিত দাস ও ওই নারীকে আটকের পর তাঁদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখান হয়। সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাঁদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে সোমবার থানায় ভুক্তভোগী আরও দুজন ব্যবসায়ী যোগাযোগ করে ওই চক্রের শিকার হওয়ার কথা তুলে ধরেন। পুলিশ জানায়, দুই ব্যবসায়ীর একজনকে ট্র্যাপে ফেলে একটি বাসায় নিয়ে বিবস্ত্র অবস্থায় গলায় জুতার মালা পরিয়ে ভিডিও করা হয়। হাত-পা বেঁধে পেটানো হয়। পরে তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন সময় ছয় লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি তাহিরপুর উপজেলায়। আরেকজন শহরের বাসিন্দা, সোনার দোকান আছে তাঁর। তাঁকেও একইভাবে বাসায় নিয়ে বিবস্ত্র অবস্থায় মারধর ও ভিডিও করা হয়। তাঁর কাছ থেকে সোনা ও টাকাপয়সা নেওয়া হয়েছে। তাঁরা এসব ঘটনার ভিডিও ও অন্যান্য প্রমাণ দিয়েছেন। সদর মডেল থানার ওসি মো. রতন শেখ বলেছেন, ‘আমরা ওই চক্রে আরও কেউ যুক্ত আছে কি না, খতিয়ে দেখছি। থাকলে সবাইকে ধরা হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সিলেট বিভাগসরকারি কর্মচারীগ্রেপ্তারসুনামগঞ্জপ্রতারণামারধরব্যবসায়ী
