নবাবগঞ্জে যুবদল নেতাকে ডেকে নিয়ে হত্যা
Why this classification
The incident is a confirmed murder of a political leader, but because the motive is a local conflict rather than a clash between political parties, it is classified as criminal violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে নবাবগঞ্জের খতিয়া এলাকায় জাহাঙ্গীর আলম সেন্টু নামে এক যুবদল নেতাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার লাশ কালীগঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যা
শহীদ মিনারে যুবককে গুলি করে হত্যা প্রতীকী ছবি সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬ | ২৩:৩১ রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় মো. রাকিব (২৭) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। রোববার রাত সোয়া ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করতেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। রাকিবকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জিএম ইশান বলেন, রাতে আমরা কয়েকজন বন্ধু শহীদ মিনারের পাশে আড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ পাই। এগিয়ে গিয়ে দেখি, ওই যুবক (রাকিব) রক্তাক্ত অবস্থায় পরে আছেন। এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। নিহতের বন্ধু মো. রনি জানান, রাকিব ও তাঁর কয়েকজন মেয়ে বন্ধু শহীদ মিনারে পাশে চায়ের দোকানে চা খাচ্ছিলেন। তখন এক যুবক তাকে পাশে ডেকে নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর গুলির শব্দ পেয়ে শহীদ মিনারের ওপরে গিয়ে দেখি রাকিব রক্তাক্ত অবস্থায় পরে আছেন। তার মাথায় গুলিবিদ্ধসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কোপানোর আঘাত রয়েছে। আশপাশে থাকা লোকজন দৌড়ে পালানোর সময় একজনকে আটক করে। পরে তাকে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। রনি জানান, শেখ বোরহান উদ্দিন কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন রাকিব। তিনি পুরান ঢাকার নিমতলিতে থাকতেন। তাঁর বাবার নাম তরিকুল ইসলাম খোকন। শাহবাগ থানার এসআই মিঠু ফকির জানান, গুলিবিদ্ধ ওই যুবককে রাত সাড়ে ১০টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে। - বিষয় : - গুলি করে হত্যা
নবাবগঞ্জে যুবদল নেতাকে ডেকে নিয়ে হত্যা
নবাবগঞ্জে যুবদল নেতাকে ডেকে নিয়ে হত্যা আটক ২ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঢাকার নবাবগঞ্জে জাহাঙ্গীর আলম সেন্টু নামে এক যুবদল নেতাকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর তার লাশ কালীগঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে পরিবার। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত লাশ উদ্ধার করা যায়নি। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মো. তামিম ও শাওন হোসেন নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছেন নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ। সোমবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের খতিয়া এলাকায় মোবাইল ফোনে সেন্টুকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। এ ঘটনায় রাতেই থানায় অভিযোগ করেন তার ছোট ভাই বিপ্লব। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এলাকায় কোন্দলের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। পরে লাশ কালীগঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। সেন্টু খতিয়া এলাকার আউশ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি। সর্বশেষ ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোনো পদে ছিলেন কি না, তা জানাতে পারেনি পরিবার। পুলিশ জানায়, সোমবার রাত ৮টার দিকে খতিয়া এলাকার বাদল মিয়া ফোন করে সেন্টুকে বাড়ির বাইরে যেতে বলেন। স্ত্রীকে বাড়ির অদূরে কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে যাওয়ার কথা বলে বের হন তিনি। মোবাইল ফোনে চার্জ কম থাকায় সেটি বাড়িতেই রেখে যান। দীর্ঘ সময় পরও তিনি না ফেরায় ছোট ভাই বিপ্লব নদীর পাড়ে গিয়ে অনেক রক্ত পড়ে থাকতে দেখেন। খোঁজাখুঁজি করেও সেন্টুকে না পেয়ে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেন্টুকে খুঁজে পায়নি। হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হতে পারে-এমন আশঙ্কায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের চার ডুবুরি নদীতে অভিযান চালান। তবে সে াত থাকায় তারা ব্যর্থ হন। মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে তামিম ও শাওনকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকারের দাবি করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে। সেন্টুর স্ত্রী শম্পা আক্তার বলেন, খতিয়া জাগ্রত যুবসংঘ আয়োজিত ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সোমবার বিকালে ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে তার স্বামীর কথা কাটাকাটি হয়। রাতে বাদল ফোনে কথা বলার পর সেন্টু বাইরে বের হন। এরপর আর ফেরেননি। সেন্টুর মা ফিরোজা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে কী অপরাধ করেছিল যে, তাকে হত্যা করল?’
