টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল তিন যুবকের মরদেহ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

Three young men from the same village were found dead on a hill in Teknaf, and relatives and locals say they were lured to a hideout by an alleged gang leader amid a long-running feud. Because this is a concrete, recent killing, it counts as a violent incident.

Reported by:Dhaka PostSingle source
21/04/26•Bahar Chhara Union, Ward No. 3 hill area, Teknaf

Killed

3

Injured

0

Summary

কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়ি এলাকা থেকে উত্তর শিলখালী গ্রামের তিন যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্বজন ও স্থানীয় সূত্রের ধারণা, মোর্শেদ আলম নামের এক সন্ত্রাসী গ্রুপের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে তাদের গোপন আস্তানায় ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 9

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Morshed Alam (alleged terrorist/gang leader)Nurul Bashar (28), victimRabi Alam (23), victimMujibur Rahman (28), victimRuhul Amin, father of Rabi AlamAman Ullah, Union Parishad memberSaiful Islam, acting OC of Teknaf Police Station

Tags

MurderGang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 21/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 21/04/26open original ↗

টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল তিন যুবকের মরদেহ

কক্সবাজারের টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে তিন যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন এর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়ি এলাকা থেকে একসাথে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতরা সবাই একই এলাকার উত্তর শিলখালী গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন- নুরুল ইসলামের ছেলে নুরুল বশর (২৮), রুহুল আমিনের ছেলে রবি আলম (২৩) এবং নুরুল কবিরের ছেলে মুজিবুর রহমান (২৮)। নিহতদের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যা প্রায় ৭টার দিকে মোর্শেদ আলম নামের এক সন্ত্রাসী রবি আলমকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আজ ভোর ৬টার দিকে মোর্শেদ আলম তার ভাই মুজিবুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় শামলাপুর এলাকার একটি ফার্মেসিতে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, নুরুল বশরকে পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত একটি কথিত গোপন আস্তানা থেকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ায় পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। একই স্থান থেকে পুলিশ রবি আলমের মরদেহ উদ্ধার করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র বলছে, মোর্শেদ আলম গ্রুপ ও অজ্ঞাত আরেকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, মোর্শেদ আলম তার আপন ভাই মুজিবুর রহমান, চাচাতো ভাই রবি আলম এবং সহযোগী নুরুল বশরকে গোপন আস্তানায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ বা সংঘর্ষের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই ঘটনার মূল রহস্য মোর্শেদ আলমের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে। স্থানীদের একটি অংশ মনে করছে, নিহতরা অপহরণ চক্রের সদস্য এবং কোনো ভিকটিম কৌশলে পালানোর সময় তাদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। নিহত রবির বাবা রুহুল আমিন বলেন, সকালে স্থানীয়রা পাহাড়ে কাজ করতে গিয়ে তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজের ছেলেকে শনাক্ত করেন। স্থানীয়দের বরাতে ইউপি সদস্য আমান উল্লাহ জানান, পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে অপহরণ চলছে, সকালে কয়েকজন শ্রমিক কাজ করতে গিয়ে মরদেহগুলো দেখতে পেয়ে পরিবার ও এলাকাবাসীকে খবর দেয়। টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। ইফতিয়াজ নুর নিশান/আরকে