পায়ের শব্দ পেলেও চমকে উঠছে মোহনা

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

A girl aged 11 was repeatedly beaten, burned with a heated spatula, had her hair pulled out, was locked in a bathroom, and was denied food by the wife of the house owner in Uttara, Dhaka. The abuse was discovered on the night of Saturday 31 January 2026, and the child is still receiving treatment in hospital, with a case filed against four people.

Reported by:SamakalSingle source
31/01/26•উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের সি/৭ নম্বর রোডের ২৬ নম্বর বাড়ি

Killed

0

Injured

1

Summary

ঢাকার উত্তরায় একটি বাড়িতে গৃহকর্মী ১১ বছরের শিশু মোহনাকে দীর্ঘদিন ধরে নির্মমভাবে নির্যাতনের ঘটনা (৩১ জানুয়ারি ২০২৬) রাতে উদ্ঘাটিত হয়। বাড়ির মালিকের স্ত্রী বিথী রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং শিশুটি গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

92% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

বিথী রহমান (বাড়ির মালিকের স্ত্রী, অভিযুক্ত)শফিকুর রহমান (বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মামলার আসামি)মোহনা (১১ বছর বয়সী নির্যাতনের শিকার শিশু)গোলাম মোস্তফা (শিশুটির বাবা, মামলার বাদী)ডা. খলিলুর রহমান (সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট)

Tags

Domestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 31/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 05/02/26open original ↗

পায়ের শব্দ পেলেও চমকে উঠছে মোহনা

পায়ের শব্দ পেলেও চমকে উঠছে মোহনা মোহনা। ছবি: সমকাল ইজাজ আহমেদ মিলন, গাজীপুর প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৭:৩১ | আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১১:২৩ মোহনার শরীরের কিছু ক্ষত শুকিয়ে এসেছে, কিন্তু দাগগুলো যেন কথা বলে। আবার কিছু আঘাত এখনও দগদগে। গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অষ্টম তলার সার্জারি বিভাগের ৩ নম্বর বেডে শুয়ে আছে ১১ বছরের শিশুটি। যন্ত্রণায় কুঁকড়ে থাকা এই শিশুর চোখে মুখে শুধু ব্যথা নয়, জমে আছে অজানা এক আতঙ্ক। কারও পায়ের শব্দ পেলেই সে চমকে ওঠে, চোখ দুটো বড় হয়ে যায়, ভয় যেন এখনও তাকে তাড়া করে ফেরে। উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের সি/৭ নম্বর রোডের ২৬ নম্বর বাড়িতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হওয়া মোহনার চিকিৎসা চলছে গাজীপুরের এই হাসপাতালে। চিকিৎসকরা বলছেন, তাঁর শরীরের আঘাতগুলো দীর্ঘদিনের, নিয়মিত ও পরিকল্পিত নির্যাতনের প্রমাণ বহন করে। সেরে উঠতে সময় লাগবে-শুধু শরীর নয়, মনও। হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান ডা. খলিলুর রহমান বলেন, শিশুটির হাতে, পায়ে, পিঠে– রুটিন মাফিক মারধরের চিহ্ন রয়েছে। কোনো আঘাত ১০ দিনের, কোনোটি ১৫ দিনের, আবার কোনোটি ২০ দিনের পুরোনো। তাকে পর্যাপ্ত খাবারও দেওয়া হয়নি। পুরোপুরি সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগবে। নির্যাতনের কথা বলতে গিয়ে মোহনার কণ্ঠ বারবার আটকে আসে। চোখ নামিয়ে ফিসফিস করে সে জানায়, বাড়ির মালিকের স্ত্রী বিথীকে আমি মা বলে ডাকতাম। কিন্তু মা-ই আমাকে মারত। খুন্তি গরম করে শরীরে ছ্যাঁকা দিত। চুল টেনে ছিঁড়ে ফেলত। আমাকে স্যারের কাছে যেতে দিত না। প্রায়ই বাথরুমে আটকে রাখত। খেতে দিত না। খুব ক্ষুধা লাগলেও ভয়ে খাবার চাইতে পারতাম না। এখনও ১১ বছর পূরণ হয়নি মোহনার। মোহনা মা-হারা শিশু। বয়স যখন এক বছর, তখন সড়ক দুর্ঘটনায় মাকে হারায় সে। মেয়ের কথা ভেবেই বাবা গোলাম মোস্তফা আর বিয়ে করেননি। হোটেলে কাজ করে সংসার চালাতেন। তারা থাকতেন গাজীপুরের জরুন এলাকায়। গত কোরবানির ঈদের পর মোহনাকে ওই বাড়িতে কাজে দেন গোলাম মোস্তফা। সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে দেখাশোনার দায়িত্ব পড়ে মোহনার কাঁধে। গোলাম মোস্তফা বলেন, মাঝে মধ্যে মেয়েকে দেখতে যেতাম, ফোনেও কথা হতো। কিন্তু গত দুই মাস আমাকে যেতে দেওয়া হয়নি। নানা অজুহাতে বাসায় যেতে বারণ করত। গত শনিবার রাতে মেয়েকে দেখতে গিয়ে তিনি যা দেখেন, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আদরের মেয়ের ক্ষতবিক্ষত শরীর দেখে সেখানেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। রাত ২টার দিকে মেয়েকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। তিনি আরও জানান, সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে মেয়েটাকে আমার কাছে দিয়েছে। কাউকে কিছু না জানাতে ভয়ভীতি দেখানো হয়। মেয়েকে নির্যাতনের ঘটনায় গোলাম মোস্তফা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শফিকুর রহমান, তাঁর স্ত্রী বিথী রহমানসহ চারজনকে আসামি করে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন। গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক এস কে ফরহাদ জানান, শিশুটির চিকিৎসা চলছে। আগের তুলনায় কিছুটা উন্নতি হলেও পুরোপুরি সুস্থ হতে আরও অনেক সময় লাগবে।