ইমামের মেয়েকে অপহরণের ঘটনায় গ্রেফতার ৮, অধরা প্রধান আসামি
Why this classification
This is a specific, recent incident in which a 16-year-old girl was abducted at knifepoint on April 14, 2026, forced into a marriage, and relatives were beaten. The article also reports arrests and the main suspect remaining at large, but the violent acts themselves are clearly described, so the story qualifies as a violence incident.
Killed
0
Injured
0
Summary
গাজীপুরের শ্রীপুরে ১৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মাদ্রাসাছাত্রী (১৬) ইমামের মেয়েকে ছুরির ভয় দেখিয়ে অপহরণ করা হয় এবং পরে জোরপূর্বক বিয়ে পড়ানো ও আত্মীয়দের মারপিটের অভিযোগ ওঠে। ১৮ এপ্রিল উদ্ধারের পর এ পর্যন্ত আটজন গ্রেফতার হলেও প্রধান আসামি আবিদ পলাতক রয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ইমামের মেয়েকে অপহরণের ঘটনায় গ্রেফতার ৮, অধরা প্রধান আসামি
ইমামের মেয়েকে অপহরণের ঘটনায় গ্রেফতার ৮, অধরা প্রধান আসামি Advertisement শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৮ পিএম ফাইল ছবি। গাজীপুরের শ্রীপুরে মসজিদের ইমামের মেয়েকে অপহরণের পর উদ্ধারের ঘটনায় এ পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি আবিদ (২১) এখনো পলাতক রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বলছেন, প্রধান আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। জেলা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ওই ছাত্রী (১৬) পরিবারের সঙ্গে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় বাস করেন। তিনি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী। গত ১৪ এপ্রিল মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে মাওনা ফায়ার স্টেশনের কাছ থেকে একই এলাকার যুবক মো. আবিদ (২১) তাকে অপহরণ করে। পরবর্তীতে অপহরণকারীর অভিভাবককে চাপ দিলে পরদিন সকাল ১০টার দিকে আবিদ (২১) ওই ছাত্রীকে তার বাবার বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে উভয়পক্ষ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠকে বসে। সেখানে বিষয়টি ফয়সালা না হওয়ায় বেলা ১১টার দিকে আবিদ তার সহযোগীদের মাধ্যমে পুনরায় ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে এবং তার আত্মীয়-স্বজনকে মারপিট করে। এ ঘটনার ছাত্রীর বাবা পরদিন শ্রীপুর থানায় আবিদসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন। পরে ওই ছাত্রীকে গত শনিবার উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। অপহৃত ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা, বয়স নির্ধারণ এবং নারী-শিশু আইনের ২২ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি গ্রহণের জন্য শনিবার বিকালে তাকে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার এসআই লাল চাঁন বলেন, ওই মাদ্রাসাছাত্রী আদালতে বাবার দায়ের করা অভিযোগের পক্ষে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। পরে আদালত তাকে বাবার জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছেন। উদ্ধার হওয়ার পর ইমাম কন্যা এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে বলেন, আমাকে ছুরির ভয় ও তাদের সঙ্গে না গেলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে রিকশাযোগে নিয়ে প্রথমে আবিদের বন্ধু সুমিতের বাসায় রাখে। এ সময় রিকশাওয়ালা আমাকে না নিতে চাইলে তাকেও ছুরি দিয়ে ভয় দেখায় তারা। পরে রাতে একটি রিসোর্টে নিয়ে যায়। সেখান থেকে রাত ১০টার সময় একটি রেস্টুরেন্টে নিয়ে যায়। এ সময় রেস্টুরেন্টে তার বন্ধু উজ্জল সুমিত ও পাপ্পু ছিল। এ সময় সুহানকে উকিল বানিয়ে জোর করে বিয়ে পড়িয়েছে। সেখানে আবিদের চাচা বাচ্চু এবং সোহানের বাবা উপস্থিত ছিল। যে বিয়ে পড়িয়েছে তিনি কোনো হুজুর না, তিনি কাজি কিনা তাও সন্দেহ হয়েছে। সেখানে তারা জোরপূর্বক আমার হাত ধরে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়েছে। এছাড়াও আমার বাবা আর ভাইকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ভিডিও সাক্ষাৎকার নিয়েছে যে, আবিদের সঙ্গে আমি স্বেচ্ছায় চলে গিয়েছি। তবে, অপর একটি ভিডিওতে ইমামকন্যা আর অভিযুক্ত আবিদকে স্বাভাবিকভাবে পাশাপাশি হেঁটে যেতে দেখা যায়। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য অভিযুক্ত আবিদ ও তার পরিবারের কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
