হত্যা মামলায় হাজিরা দিয়ে ফিরে আবারও খুনের অভিযোগ
Why this classification
A man was stabbed to death in public in Badarganj, Rangpur, on 5 May 2026 by people linked to a feud between BNP factions that began after an earlier clash. The attackers used knives, the victim died at the health complex, and one suspect has been arrested.
Killed
1
Injured
0
Summary
রংপুরের বদরগঞ্জে ২০২৬ সালের ৫ মে (মঙ্গলবার) বিকেলে বালুয়াভাটা আম্বিয়ারমোড় এলাকায় হত্যা মামলার আসামি ফিরোজ হোসেন ও তার সহযোগীরা প্রতিবেশী আরিফুল ইসলামকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আদালতে হাতাহাতির জেরে চলমান বিএনপির দুই গ্রুপের বিরোধের সূত্রে এ ঘটনা ঘটে এবং পুলিশ জামাল হোসেনকে আটক করেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
হত্যা মামলায় হাজিরা দিয়ে ফিরে আবারও খুনের অভিযোগ
হত্যা মামলায় হাজিরা দিয়ে ফিরে আবারও খুনের অভিযোগ প্রতীকী ছবি রংপুর অফিস প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬ | ২২:৪৩ রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় হত্যা মামলায় হাজিরা দিয়ে বাড়ি ফিরে আবারও প্রকাশ্যে কুপিয়ে একজনকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে আসামিদের বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বালুয়াভাটা আম্বিয়ারমোড় এলাকায় ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ একজনকে আটক করেছে। নিহত আরিফুল ইসলাম (২৮) বদরগঞ্জ পৌরসভার পাঠানপাড়া গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে। তিনি রিকশাভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বদরগঞ্জ থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বদরগঞ্জ উপজেলায় গত বছরের ৫ এপ্রিল টিনের দোকানঘর নির্মাণ ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে লাভলু মিয়া নামের স্থানীয় সক্রিয় এক কর্মী নিহত হন। এ ঘটনায় বদরগঞ্জ থানায় পৃথক দুইটি মামলা করা হয়। আজ রংপুরের একটি আদালতে হাজিরা দিতে যান দুই মামলার আসামিরা। সেখানে এক মামলার আসামি কলেজপাড়া গ্রামের ফিরোজ হোসেন ওরফে মার্ডার ফিরোজের সঙ্গে আরেক মামলার আসামি পাঠানপাড়ার মমিনুল ইসলামের হাতাহাতি হয়। এতে মমিনুল আহত হন। আদালত থেকে বাড়ি ফিরে মমিনুল দেশীয় অস্ত্রসহ সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে ফিরোজকে খুঁজতে তার বাড়ি যান। তাকে না পেয়ে ফিরে আসেন। এদিকে ফিরোজও তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ বদরগঞ্জ পৌর এলাকায় মমিনুলকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে পাঠানপাড়া গ্রামের মমিনুলের প্রতিবেশি আরিফুলকে পৌরসভার বালুয়াভাটা গ্রামের আম্বিয়ারমোড় এলাকায় দেখতে পান। তাকে ছুরি দিয়ে উপর্যপুরী কুপিয়ে ফিরোজ ও তার সাঙ্গপাঙ্গ চলে যান। আরিফুলের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন গিয়ে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন আরিফুল ইসলামের বাবা রেজাউল ইসলাম। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, ‘মমিনুলের বাড়ির পাশে বাড়ি হওয়ায় আমার নিরাপরাধ ছেলেকে প্রকাশ্যে ছুরি দিয়ে কোপায়ে মারছে। আমার ছেলে কোনোদিন কারো দলে যায় নাই, কখনও মারামারিও করে নাই। আমার ছেলে রিকশাভ্যান চালাত। আহা রে! ওরা কেন মারল আমার ছেলেকে? ওরতো কোনো অপরাধ ছিল না।’ বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার বলেন, ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে জামাল হোসেন (২২) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য আগামীকাল (বুধবার) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
দুই কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্ব, প্রাণ গেল যুবকের
দুই কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্ব, প্রাণ গেল যুবকের Advertisement বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ প্রতীকী ছবি রংপুরের বদরগঞ্জে মঙ্গলবার প্রকাশ্যে কিশোর গ্যাং সদস্যদের ছুরিকাঘাতে যুবক আরিফুল ইসলাম নিহত হয়েছেন। বিকাল ৪টার দিকে পৌর শহরের আম্বিয়ার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন জামাল হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। নিহত আরিফ ভ্যানচালক ছিলেন। পৌরশহরের পাঠানপাড়া এলাকার রেজাউল ইসলামের ছেলে তিনি। পুলিশ জানায়, একটি মামলায় হাজিরা দিতে কিশোর গ্যাংয়ের মমিনুলসহ পাঁচজন রংপুর আদালতে যায়। একই মামলায় কিশোর গ্যাংয়ের আরেক গ্রুপ ফিরোজ শাহের লোকজনও আদালতে যায়। এ সময় আদালত চত্বরে এক গ্রুপ আরেক গ্রুপের ওপর হামলা করে। এতে মমিনুলের নাক ফেটে যায়। তাদের মধ্যে মীমাংসা হয়। কিন্তু আদালত থেকে বদরগঞ্জে গিয়ে তারা আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মমিনুলের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফিরোজের বাড়িতে হামলা করে। এরপর ফিরোজে লোকজন মমিনুলের লোকজনকে খুঁজতে থাকে। বিকাল ৪টার দিকে বালুয়াভাটা আম্বিয়ার মোড়ে পাঠানপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক আরিফুলকে একা পেয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তাকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার বলেন, হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
