নিউ মার্কেট এলাকায় গুলিতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
Why this classification
A masked gunman duo on a motorcycle shot a man in New Market, Dhaka, on the evening of 28 April 2026. Doctors confirmed he died with five bullet wounds, so this is a single, recent, fatal shooting in Bangladesh.
Killed
1
Injured
0
Summary
রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় শহীদ শাহ নেওয়াজ হলের সামনে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) রাত প্রায় ৮টায় মোটরসাইকেলে আসা দুই মুখোশধারী দুর্বৃত্ত গুলি চালিয়ে খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে হত্যা করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর শরীরে পাঁচটি গুলির চিহ্ন পাওয়া যায় এবং পুলিশ তাঁকে 'শীর্ষ সন্ত্রাসী' হিসেবে শনাক্ত করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ফুটবলের মাঠ থেকে মাফিয়া টিটন, সন্ত্রাসীর গুলিতেই জীবনাবসান
একসময় যশোরে ফুটবলার হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। পরে হয়ে ওঠেন অপরাধ জগতের মাফিয়া। জায়গা করে নেন দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকায়। দীর্ঘ কয়েক দশকের অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রণ, হত্যা-সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আবার কখনো কারাগারে কাটানো জীবন অবশেষে শেষ হলো গুলিতে। রাজধানী ঢাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাইম আহমেদ টিটন। যার পৈতৃক বাড়ি যশোরে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বাদ এশা যশোর শহরের কারবালা জামে মসজিদে জানাজা শেষে টিটনকে দাফন করা হয়। তাদের বাড়ি যশোর শহরের খড়কী ‘আপনের মোড়’ এলাকায়। তিনি সাবেক জুটমিল কর্মকর্তা খন্দকার ফখরুদ্দিনের ছেলে। একই সঙ্গে ২০০০ সালে র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত আলোচিত সন্ত্রাসী টুটুলের ছোট ভাই। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় সশস্ত্র হামলায় নিহত হন টিটন। প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে তাকে লক্ষ্য করে কাছ থেকে ৫-৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্র বলছে, সাত ভাই ও পাঁচ বোনের বড় পরিবারে বেড়ে ওঠা টিটন খুব অল্প বয়সেই অপরাধজগতে জড়িয়ে পড়েন। তার বড় ভাই টুটুলের সঙ্গে ভগ্নিপতি ঢাকার আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজেদুল ইসলাম ইমনের মাধ্যমে তাদের অপরাধ জগতে প্রবেশ। ৯০-এর দশকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও পরে টিটন ও টুটুল অস্ত্র ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৯৬ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা ঢাকায় চলে যান এবং মোহাম্মদপুরকে কেন্দ্র করে নিজেদের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। যশোর-ঢাকা দুই জায়গাতেই ছিল তাদের শক্ত অবস্থান। পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের তথ্যমতে, হত্যা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ একাধিক অভিযোগ ছিল টিটনের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে প্রকাশিত দেশের ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকায় তার অবস্থান ছিল দ্বিতীয়। সূত্র জানায়, স্থানীয় বিরোধের জেরে ১৯৯৯ সালে টুটুল ও টিটন যশোরের কারবালা এলাকায় মাত্র দশ মিনিটের ব্যবধানে বিএনপি কর্মী মোসলেম উদ্দিন খোকন ও টিপুকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেন। জোড়া এই হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস পর ২০০০ সালে র্যাবের কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন টুটুল। সে সময় ঢাকায় পালিয়ে যান টিটন। তারপর থেকে তিনি বেশিরভাগ সময় ঢাকাতেই থাকতেন। তবে, ঢাকায় গিয়ে অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণকর্তা বনে যাওয়া টিটনকে মাঝেমধ্যে যশোরেও দেখা যেত। টিটনের মৃত্যুর পর জানাজায় অংশ নিতে আসা যশোরের সাবেক খেলোয়াড় ও রেফারি লাবু জোয়ার্দার স্মৃতিচারণ করে বলেন, টিটন একসময় ভালো ফুটবল খেলতেন। ৯০-এর দশকে এ অঞ্চলের ফুটবলে পরিচিত মুখ ছিলেন তিনি। তার দাবি, একাধিক রাজনৈতিক হামলার শিকার হওয়ার পর প্রতিশোধ-পরায়ণতা থেকেই টিটনের অপরাধজগতে প্রবেশ। বহুবার গ্রেপ্তার হলেও টিটন দীর্ঘদিন ধরে ছিলেন লোকচক্ষুর আড়ালে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান বলে জানা যায়। এরপর আবারও অপরাধ জগতে সক্রিয় হন তিনি। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন, শুনেছি নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন যশোরের বাসিন্দা। আমি এখানে নতুন হওয়ায় তার বিরুদ্ধে যশোরে কী কী মামলা আছে বা নেই তা এখন নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। রেজওয়ান বাপ্পী/আরকে
নিউ মার্কেট এলাকায় গুলিতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
নিউ মার্কেট এলাকায় গুলিতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত Advertisement হাজারীবাগ (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৪ পিএম শহীদ শাহ নেওয়াজ হলের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ফাইল ছবি রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে। তিনি ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহীদ শাহ নেওয়াজ হলের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ৮টার দিকে নিউ মার্কেটের পাশের বটতলা এলাকায় মোটরসাইকেলে করে আসা মুখোশধারী দুজন দুর্বৃত্ত ওই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হয়ে পড়ে থাকেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. জুয়েল জানান, শাহ নেওয়াজ হলের সামনে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। চিকিৎসক জানান, তার শরীরে পাঁচটি গুলির চিহ্ন ছিল। ঢাকা মেদিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে। প্রথমে নিহতের পরিচয় জানা না গেলেও পরে পুলিশ তাকে খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন হিসেবে শনাক্ত করে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলম জানান, বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে নিহত ব্যক্তি ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ টিটন। বিষয়টি আরও যাচাই করা হচ্ছে। পুলিশ জানায়, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ২০০১ সালে প্রকাশিত ২৩ জন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসীর’ তালিকায় টিটনের নাম ছিল। তার ভগ্নিপতি সানজিদুল ইসলাম ইমনও একই তালিকাভুক্ত আরেক সন্ত্রাসী। তারা দুজনই মোহাম্মদপুর এলাকার হারিছ-জোসেফ গ্রুপের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং টিটনের তৎপরতা ছিল ধানমণ্ডি ও হাজারীবাগ এলাকায়। এদিকে পুলিশের বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, নিহত টিটনের সঙ্গে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ক্যাপ্টেন ইমন’-এর দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। পারিবারিকভাবেও তাদের সম্পর্ক জটিল—টিটন ছিলেন ইমনের সমন্ধি (ছোট স্ত্রী নীলার বড় ভাই)। সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর টিটন আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলালের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পুনরায় সক্রিয় হন, যা সাম্প্রতিক এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানান, চব্বিশের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর টিটনসহ তালিকাভুক্ত কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর টিটন আর আদালতে হাজিরা দেননি। নিউ মার্কেট থানার ওসি মো. আইয়ুব বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে অনেক রক্ত দেখতে পেয়েছি। দুর্বৃত্তরা গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
