স্ত্রীকে আনতে গিয়ে জনরোষে মোটরসাইকেল ফেলে পালালেন ছাত্রদল নেতা
Why this classification
এটি একটি সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনা: ছাত্রদল নেতা শাকিল তার সহযোগীদের নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের মারধর করেন এবং স্ত্রীকে জোর করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন; স্থানীয়রা ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। স্ত্রীর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ থাকায় এটি গার্হস্থ্য/লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা হিসেবে শ্রেণিকৃত।
Killed
0
Injured
0
Summary
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে বগুড়ার নন্দীগ্রামের ভাগ শিমলা গ্রামে ছাত্রদল নেতা ফিরোজ আহম্মেদ শাকিল স্ত্রীকে জোর করে ফিরিয়ে আনতে গেলে স্থানীয়রা ধাওয়া দেয়; তিনি ও সহযোগীরা দুটি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যান। শাকিলের স্ত্রী আরফিন আলমগীর রিভা অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে শাকিল ও তার মা তাকে শারীরিক নির্যাতন করতেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
স্ত্রীকে আনতে গিয়ে জনরোষে মোটরসাইকেল ফেলে পালালেন ছাত্রদল নেতা
স্ত্রীকে জোর করে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে বগুড়ার নন্দীগ্রামে জনরোষের মুখে পড়েছেন ছাত্রদল নেতা ফিরোজ আহম্মেদ শাকিল। স্থানীয়দের ধাওয়ার মুখে তিনি ও তার সহযোগীরা দুটি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যান। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে উপজেলার ভাগ শিমলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ফিরোজ আহম্মেদ শাকিল নন্দীগ্রাম সরকারি মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফিরোজ আহম্মেদ শাকিল প্রায় দুই বছর আগে ভাগ শিমলা গ্রামের আলমগীর হোসেনের মেয়ে আরফিন আলমগীর রিভাকে প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে করেন। তবে রিভার পরিবার এ বিয়ে মেনে না নেওয়ায় দীর্ঘদিন তাদের পারিবারিক যোগাযোগ বন্ধ ছিল। প্রায় দুই মাস আগে শাকিল রিভা দম্পতির ঘরে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। গত রোববার (১৪ জুন) রিভার বাবা-মা বিয়ে মেনে নিয়ে মেয়েকে শাকিলের বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরপর বুধবার (১৭ জুন) বাবার বাড়ি থেকেই রিভা শাকিলকে তালাকনামা পাঠান। তালাকের খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে শাকিল তিনটি মোটরসাইকেলে কয়েকজন নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে ভাগ শিমলা গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে যান। এ সময় তার সঙ্গে থাকা লোকজন বাড়ির সদস্যদের মারধর করে রিভাকে জোর করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে তাদের ধাওয়া দিলে শাকিল ও তার সহযোগীরা দুটি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মোটরসাইকেল দুটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। আরফিন আলমগীর রিভা বলেন, বিয়ের পর থেকেই শাকিল ও তার মা আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। আমার গহনাগুলোও বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সন্তান জন্মের পরও আমি নির্যাতনের শিকার হয়েছি। তিনি আরও বলেন, বাবা-মা বিয়ে মেনে না নেওয়ায় আমি প্রথমে শাকিলের বাড়িতেই ছিলাম। গত ১৪ জুন বাবা-মা আমাকে তাদের সঙ্গে নিয়ে আসেন। এরপর আমি শাকিলকে তালাক দেই। তালাকের খবর পেয়ে সে লোকজন নিয়ে আমাকে জোর করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। অভিযোগ অস্বীকার করে ফিরোজ আহম্মেদ শাকিল বলেন, আমি প্রেমের মাধ্যমে বিয়ে করেছি। আমাদের সম্পর্ক ভালো ছিল। হঠাৎ তালাকের খবর পেয়ে কারণ জানতে শ্বশুরবাড়িতে যাই। সেখানে আমার স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় কয়েকজন সাংবাদিককেও মারধর করা হয়। পরে আমরা প্রাণভয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করি। নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে কাউকেই পাওয়া যায়নি। তবে ফেলে যাওয়া দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সেগুলো নিতে কেউ থানায় যোগাযোগ করেনি। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সময় নকল করতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে শাকিলকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কয়েক দিন পর তাকে পুনরায় দলীয় পদে বহাল করা হয়। আব্দুল মোমিন/আরকে
শাজাহানপুরে আহত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মৃত্যু
শাজাহানপুরে আহত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মৃত্যু Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ শাজাহানপুরে ছুরিকাঘাতে আহত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহাগ হোসেন (২৭) মারা গেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নিহত সোহাগ হোসেন উপজেলার গন্ডগ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে এবং মহানগরী যুবদলের ১৩ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ছিলেন। জানা যায়, উপজেলার বেজোড়া হিন্দুপাড়ার ছাবেদ আলী ও তার স্ত্রী শারমিন আকতারের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। একপর্যায়ে স্বামীকে শায়েস্তা করতে শারমিন তার বাবার বাড়ি গন্ডগ্রাম এলাকার কয়েকজন যুবককে খবর দেন। খবর পেয়ে শনিবার বিকালে সোহাগ ও রুবেল হোসেনসহ কয়েকজন আসেন। তারা ছাবেদ আলীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা করলে একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহাগ ও তার সঙ্গী রুবেল ছুরিকাহত হন। স্থানীয়রা তাদের দুজনকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সন্ধ্যায় সোহাগ মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আতিক হাসান সোমবার রাতে থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন।
