মান্দায় চোর সন্দেহে একজনকে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা
Why this classification
This is a single, specific incident in Naogaon district, reported on 6 March 2026, in which Rafiqul Islam was allegedly tied to a mango tree and beaten to death by madrasa teachers after being accused of theft. The police recovered his body, so the death is confirmed, while the exact cause is still under investigation.
Killed
1
Injured
0
Summary
নওগাঁর মান্দা উপজেলার প্রসাদপুর দারুল উলুম ইসলামিয়া কাওমি মাদ্রাসায় ৪ মার্চ (বুধবার) মধ্যরাতে চোর সন্দেহে রফিকুল ইসলামকে গাছে বেঁধে মারধর করা হয়, যাতে তিনি মারা যান বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ পরদিন সকালে লাশ উদ্ধার করে এবং প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
92% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
পুলিশের লাথিতে আসামির বাবার মৃত্যুর অভিযোগ
পুলিশের লাথিতে আসামির বাবার মৃত্যুর অভিযোগ ফাইল ছবি নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬ | ০৩:০৯ নওগাঁর মহাদেবপুরে পুলিশের লাথিতে আব্দুল হামিদ ধলা (৬৬) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত ব্যক্তি একটি পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি এমরান হোসেনের বাবা। আসামিকে ধরতে গিয়ে পুলিশ আব্দুল হামিদ ধলাকে লাথি মারলে তিনি মাটিতে পড়ে গিয়ে মারা যান বলে দাবি স্বজনের। গত বুধবার রাতে উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের মালাহার উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পারিবারিক সূত্র জানায়, বুধবার রাতে মহাদেবপুর থানার এসআই আসাদুজ্জামান, এএসআই আছির উদ্দিন ফোর্সসহ পরোয়ানাভুক্ত আসামি এমরানকে গ্রেপ্তার করতে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এমরান পালিয়ে যান। এ সময় ইমরানকে না পেয়ে পুলিশ তাঁর বাবা আব্দুল হামিদকে ধরে আনার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে পুলিশ আব্দুল হামিদকে লাথি মেরে ফেলে দিলে তিনি মারা যান। এমনকি আব্দুল হামিদের বৃদ্ধ মা হালিমা বেওয়া তাঁর ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের পা ধরলে তাঁকেও ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়। অভিযোগ বিষয়ে মহাদেবপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, পুলিশ পরোয়ানাভুক্ত আসামি ধরতে মালাহার উত্তরপাড়া গ্রামে গিয়েছিল। এ সময় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আরেকটি বাড়িতে অভিযান চালালে সেখানে আসামিকে পাওয়া যায়নি। পরে ওই বাড়ির অভিভাবকের কাছ থেকে পাশের একটি বাড়িতে তল্লাশি চালাতে পুলিশ সাহায্য চায়। ওখান থেকে আসার পথে স্থানীয় লোকজন বলছিল, যে লোকটি সহযোগিতা করতে বাইরে গিয়েছিলেন তিনি স্ট্রোকে মারা যান। পুলিশের আঘাতে মৃত্যুর ঘটনা সঠিক নয়। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। ওই পরিবারের কেউ এখনও আমাদের কাছে অভিযোগ করেনি। তারপরও বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মান্দায় চোর সন্দেহে একজনকে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা
গভীর রাতে মাদ্রাসায় প্রবেশ মান্দায় চোর সন্দেহে একজনকে গাছে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা Advertisement নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মান্দায় চোর সন্দেহে রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে আটকের পর মাদ্রাসার শিক্ষকদের মারধরে মারা যাওয়া অভিযোগ উঠেছে। এ মৃত্যু নিয়ে এলাকায় ধোয়াশা তৈরি হয়েছে। বুধবার মধ্যরাতে উপজেলার প্রসাদপুর দারুল উলুম ইসলামিয়া কাওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রফিকুল ইসলাম সদর উপজেলার জিনারপুর গ্রামের মৃত জেহের আলীর ছেলে। জানা গেছে, নিহত রফিকুল ইসলাম পানি খাওয়ার জন্য মাদ্রাসায় প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু তাকে চোর সন্দেহে আটক করে মাদ্রসার শিক্ষক সাব্বিরসহ কয়েকজন। এরপর তাকে আমগাছের সঙ্গে বেঁধে উপর্যুপরি মারধর করা হয়। এর একপর্যায়ে তিনি মারা যান। পরে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক মাওলানা মাসুদুর রহমান বিভিন্ন মহলে জোর তদবির করেন। খবর পেয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। স্থানীয় জহুরুল বলেন, মাদ্রাসার আশপাশে কোনো বাড়ি নেই। তবে গভীর রাতে মাদ্রাসা থেকে চিৎকারের শব্দ শোনা গেছে। সকালে শোনা যায় সেখানে এক চোরকে মারধর করে মেরে ফেলা হয়েছে। তবে এ বিষয় নিয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক সাব্বির কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক মাওলানা মাসুদুর রহমান বলেন, ‘সেহরির জন্য মাদ্রাসায় রান্না করা হচ্ছিল। এ সময় অপরিচিত এক ব্যক্তিকে চোর সন্দেহে শিক্ষক সাব্বিরসহ কয়েকজন তাকে আটক করে গাছে বেঁধে মারধর করেন। একপর্যায়ে অচেতন হলে ফোনে আমাকে বিষয়টি জানানো হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি তিনি মারা গেছেন। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়।’ ওসি একেএম মাসুদ রানা বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
