গৌরনদীতে দুগ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
Why this classification
A concrete physical clash occurred on the night of 17 March 2026 in Gaurnadi, Barisal, in which both sides attacked each other with sticks and fists and 10 people, including a woman, were injured. Five of the injured were admitted to hospital in serious condition, so the incident is a valid, recent act of violence.
Killed
0
Injured
10
Summary
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার পশ্চিম শাওড়া গ্রামে ১৭ মার্চ ২০২৬ (মঙ্গলবার) রাত পৌনে ৯টার দিকে তারাবির নামাজের সময় স্কুলছাত্রদের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলায় নারীসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত ৫ জনকে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 10
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
গৌরনদীতে দুগ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
গৌরনদীতে দুগ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০ Advertisement গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গৌরনদীতে তারাবির নামাজের সময় স্কুল ছাত্রদের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুগ্রুপের মধ্যে হামলা-পালটা হামলা ও সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার পশ্চিম শাওড়া গ্রামে সৌদি প্রবাসীর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় উভয় পক্ষের ৫ জনকে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার পশ্চিম শাওড়া জামে মসজিদে তারাবির নামাজ আদায়ের সময় মহাসিন খানের ছেলে ৫ম শ্রেণির ছাত্র মাহাসিব খান ও সৌদি প্রবাসী হিরন বেপারীর ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র আলামিন বেপারীকে ঠেলাঠেলি করে দাঁড়াতে গিয়ে একে অপরের গায়ে পা লাগে। এরপর উভয়ই মসজিদ থেকে বের হয়ে বাড়ি ফিরছিল। পথিমধ্যে আলামিন বেপারী ও মাহাসিন খানের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা বাধে। একপর্যায়ে আলামিনসহ ২/৩ কিশোর হামলা চালিয়ে মহাসিনকে মারধর করে। সৌদি প্রবাসী হিরনের স্ত্রী ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা আকলিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, মহাসিন খানের নেতৃত্বে ৬-৭ জন আমাদের বাড়িতে এসে আমার ছেলে আলামিনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আমি ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে মহাসিন ও তার সহযোগীরা আমাকে ও আমার ছেলেকে কিলঘুষি ও লাথি মারে। এ সময় আমাকে ও আমার ছেলেকে উদ্ধার করতে প্রতিবেশী দেবর মাহিন্দ্রা চালক ইউসুফ বেপারী, চাচাতো দেবর আজগোর বেপারী, ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র ফাহাত বেপারী এগিয়ে এলে তাদেরও পিটিয়ে আহত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় আলামিন, ইউসুফ, ফাহাতকে আগৈলঝাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রতিপক্ষ মহাসিন খান পালটা অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে মারধরের ঘটনার বিচার দেওয়ার জন্য আমরা আলামিনের বাড়িতে যাই। বাড়ির সামনে পৌঁছলে প্রবাসী হিরনের স্বজনরা লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাকে, আমার ছেলে মাহিম খান, শ্যালক ছলেমান বেপারী, চাচাতো ভাই রাহাত খানকে পিটিয়ে আহত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় আমাকে ও আমার বড় ছেলেকে গৌরনদী হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।
