জাবিপ্রবিতে দুই কর্মকর্তাকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a real, recent incident in Jamalpur in which a group of 10-12 university teachers and staff locked two officials in rooms, physically abused them for over three hours, and forced them to sign resignation letters. It is a physical attack and coercion, not a statement or report, so it qualifies as violence.

Reported by:SamakalSingle source
21/05/26•Administrative Building, Jamalpur Science and Technology University

Killed

0

Injured

0

Summary

২১ মে ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টার দিকে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী রেজিস্ট্রার ও অর্থ ও হিসাব পরিচালককে কক্ষে অবরুদ্ধ করে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর আদায় করেন। অভিযুক্তরা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করেছেন, এবং উপাচার্য লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

Registrar Mohammad Nur Hossain ChowdhuryDirector, Finance and Accounts Mohammad AslamVice Chancellor Prof. Dr. Mohammad Amir Hossain BhuiyanTwo teachers leading the group of 10-12 teachers, officers and staff (unnamed)

Affected infrastructure

Registrar's office roomFinance and Accounts Director's office room

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 21/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 23/05/26open original ↗

জাবিপ্রবিতে দুই কর্মকর্তাকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ

জাবিপ্রবিতে দুই কর্মকর্তাকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ ফাইল ছবি জামালপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬ | ১৯:৩৭ জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ নূর হোসেন চৌধুরী এবং অর্থ ও হিসাব পরিচালক মোহাম্মদ আসলামকে অবরুদ্ধ রেখে শারীরিকভাবে লাঞ্ছনা ও জোরপূর্বক পদত্যাগপত্র আদায়ে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় কতিপয় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংঘবদ্ধ একটি দল এই ঘটনা ঘটায়। সরেজমিনে ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষকের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল রেজিস্ট্রারের কক্ষে ঢুকে ভেতর থেকে তালা আটকে দেয়। তিন ঘণ্টারও বেশি সময় তাকে অবরুদ্ধ রেখে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার পর প্রশাসনিক ভবন থেকে বের করে দেওয়া হয়। এর আগে একই দল অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ আসলামের কক্ষে ঢুকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। মারমুখী আচরণ ও মান-সম্মানের ভয়ে তিনিও পদত্যাগপত্রে সই করতে বাধ্য হন। ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা উপস্থিত হলে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শিক্ষক-কর্মচারীদের ওই দলটি পিছু হটে যান। রেজিস্ট্রার নূর হোসেন চৌধুরীর দাবি, নিয়মবহির্ভূত পূর্বের চাকরির সময়কাল গণনার (সার্ভিস কাউন্ট) মতো অবৈধ সুবিধা না দেওয়ার ক্ষোভ থেকেই এই হামলা। অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ আসলামের অভিযোগ, কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষক-কর্মচারীরা দলবলে তার কক্ষে ঢুকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও অপমান-অপদস্থ করেন। তখনই পদত্যাগ করতে হবে বলে তারা মারমুখী আচরণ শুরু করেন। পরিস্থিতির একপর্যায়ে মান-সম্মানের ভয়ে তাদের লিখে আনা পদত্যাগপত্রে সই করতে বাধ্য হন তিনি। সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিজেদের সংঘটিত পূর্বের নানা অনিয়ম ধামাচাপা দিতে এবং নতুন উপাচার্যের কাছে নিজেদের প্রভাব প্রমাণ করতেই পরিকল্পিতভাবে এই মব তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন, জোরপূর্বক পদত্যাগপত্র নেওয়া ও মবের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আমির হোসেন ভূঁইয়া সমকালকে জানান, ঘটনার সময় তিনি একটি জরুরি সভায় ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কয়েকজন সিন্ডিকেট সদস্যকে পাঠিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা লিখিতভাবে জানাতে হবে। মব সৃষ্টি করে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা হেনস্তা করার কোনো সুযোগ নেই। অর্থ পরিচালকের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেহেতু রেজিস্ট্রার ও অর্থ পরিচালক দুজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগপ্রাপ্ত, তাই তাদের নিয়মিত ডিউটি চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপাচার্য। - বিষয় : - বিশ্ববিদ্যালয় - পদত্যাগ - অভিযোগ