বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগের পর আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The violence is classified as political because it stems from a direct conflict between BNP supporters and an Awami League leader, specifically linked to a murder case involving political rivals.

Reported by:SamakalJugantorProthom AloDhaka PostCorroborated · 4 sources
25/09/26•Kalishankarpur, Bhayana Union

Killed

0

Injured

0

Summary

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাতে বিএনপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ছমির উদ্দিনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ছমির উদ্দিনসহ আটজনকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

Awami League

Other actors

Samir Uddin (Awami League leader)Monira Sanjida (Lawyer)Asaduzzaman (OC, Jhenaidah Sadar Thana)

Affected infrastructure

Two-story houseFurnitureLivestock

Tags

Party ClashPolitical Assassination

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 25/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 27/09/26open original ↗

বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগের পর আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার

বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগের পর আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:০২ | প্রিন্ট সংস্করণ ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা মোনায়েম হোসেনকে হত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই তাঁর চাচাতো ভাইয়ের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত উপজেলার কালীশংকরপুর গ্রামে আওয়ামী লীগ নেতা ছমির উদ্দিনের দোতলা বাড়িতে এ তাণ্ডব চালানো হয়।  ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মোনায়েম হত্যা মামলার জেরে বিএনপির সমর্থকরা এ হামলা চালায়। এদিকে পুলিশ বলছে, ছমিরের বাড়িতে সরকারবিরোধী নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে গোপন বৈঠক হচ্ছিল। স্থানীয় লোকজন বাড়িটি ঘেরাও করে। পরে পুলিশ সেখান থেকে ছমিরসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে।   ছমির উদ্দিন ভায়না ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান।  ছমির উদ্দিনের মেয়ে কুষ্টিয়া জেলা জজ আদালতের আইনজীবী মনিরা সানজিদা বলেন, হামলার সময় তাঁর বাবা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় অবরুদ্ধ ছিলেন। রাত ১০টার দিকে পুলিশ এসে তাঁর বাবাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর থানায় নিয়ে যায়। মনিরা সানজিদার দাবি, হামলার সময় তাঁর মা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের মারধর করা হয়। বাড়ির আসবাবসহ মালপত্র লুট ও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাদের স্বজন ও সমর্থকদের অন্তত ৩০টি বাড়ি থেকে গরু-ছাগল ও আসবাব লুট করা হয়েছে। মনিরা সানজিদা আরও বলেন, ৯ সেপ্টেম্বর তাঁর চাচা ইউপি সদস্য মোনায়েম হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। মোনায়েম (৫২) একই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ইউপি সদস্য এবং ভায়না ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তাঁকে হত্যার ঘটনায় বিএনপির সমর্থক বোরহান, ইউনুস, আমজাদসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এর পর থেকে আসামিরা তাঁর বাবা ছমিরকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তাঁর দাবি, ওই আসামিদের নেতৃত্বেই গত শুক্রবার রাতে তাদের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। উদ্ধারের পর তাঁর ভুক্তভোগী বাবাকেই নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বাড়ি গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, ছমির উদ্দিনের বাড়িতে সরকারবিরোধী নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে গোপন বৈঠক হচ্ছিল। এ সময় খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন বাড়িটি ঘেরাও করে। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে আটজনকে আটক করে পুলিশ। ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, পরে ছমিরসহ আটজনকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আদালতের মাধমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। - বিষয় : - বাড়িতে হামলা

Source 2: Dhaka Post · 23/04/26open original ↗

ঝিনাইদহে যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে মোহন শেখ (৬৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। নিহত মোহন শেখ বিএনপির কর্মী ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার মাধবপুর গ্রামে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু জাহিদ চৌধুরীর সমর্থকদের সাথে শৈলকুপা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার তরিকুল সাদাতের সমর্থকদের বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় যুবদল নেতা জাহিদের এক সমর্থককে মারধর করে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু সাদাতের লোকজন। এরই জেরে বৃহস্পতিবার সকালে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় মোহন শেখ নিহত হন। তার নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষের লোকজন ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় অন্তত ৩০ জন আহত হয়। গ্রামের কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু জাহিদ চৌধুরী বলেন, মাধবপুর গ্রামে গত ৫/৬ মাস ধরে আমার লোকজনের ওপর বিভিন্ন সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গতকাল সন্ধায় আমার আরও এক সমর্থকের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালাই। সকালে আমার লোকজন বাড়িতেই অবস্থান করছিল। সে সময় প্রতিপক্ষের লোকজন এসে আমার লোকজনের ওপর হামলা করে বিএনপি কর্মী মোহন শেখকে হত্যা করেছে। উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার তরিকুল সাদাত বলেন, এটা রাজনৈতিক মারামারি নয়, এটা সামাজিক মারামারি। আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারবো না। শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. তন্নি খাতুন বলেন, মোহন শেখকে আমরা মৃত অবস্থায় পেয়েছি। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে আব্বাস শেখ নামের একজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর রেফার্ড করা হয়েছে। শৈলকুপা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, ওই গ্রামের পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত। দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। সম্রাট হোসেন/আরএআর

Source 3: Jugantor · 24/06/26open original ↗

ঝিনাইদহে পুলিশের কাছ থেকে আ.লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা

ঝিনাইদহে পুলিশের কাছ থেকে আ.লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা Advertisement কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০২:১৬ পিএম ছবি: যুগান্তর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। জানা গেছে, সকালে শহরের আড়পাড়া এলাকার নিজ বাড়ির নিচতলায় দলীয় অফিসে বসেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান বিজু। এ সময় অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনা ছিল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করার। এ সময় পুলিশ এসে বাধাগ্রস্ত করে এবং মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেন। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বিজুর ব্যবহৃত মোবাইল ও মানিব্যাগ পুলিশ নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন নেতাকর্মীরা। কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযান চালিয়ে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

Source 4: Prothom Alo · 11/06/26open original ↗

ঝিনাইদহে সরকারি রাস্তার ইট তুলে মাটি কেটে জায়গা দখল করলেন এক প্রভাবশালী

রাস্তার ইট তুলে মাটি কেটে দখল। আজ বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুরের পাচলিয়া গ্রামেছবি: প্রথম আলো অর্ধশত বছরের একটি পুরোনো সরকারি রাস্তার ইট তুলে মাটি কেটে জায়গা দখলে নিলেন সাইদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। সাইদুর একটি রাজনৈতিক দলের প্রভাব খাটিয়ে এই জমি দখলে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার পাচলিয়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। রাস্তাটি ওই এলাকার মানুষের ফসলের মাঠে যাওয়ার একমাত্র ব্যবস্থা ছিল। এ ঘটনায় সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন স্থানীয় দোড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দীন। সাইদুর উপজেলার পাচলিয়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় থেকে তিনি বিএনপির নানা কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সেই প্রভাব খাটিয়ে তিনি রাস্তা দখল করেছেন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন। তবে দোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান বলেন, সাইদুর বর্তমানে বিএনপির কেউ নন। তিনি রাস্তা দখলের যে অপকর্ম করেছেন, তার দায় বিএনপি নেবে না। তাঁরা দলের বদনাম করার জন্য এসব পরিচয় দিচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিন পাচলিয়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের মধ্য দিয়ে একটি রাস্তা পাশের লক্ষ্মীপুর বাজারের দিকে গেছে। ওই রাস্তার বটতলা নামক স্থান থেকে উত্তরে ফসলের মাঠ অভিমুখে একটি ইটের সলিংয়ের রাস্তা বেরিয়ে গেছে। আনুমানিক ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্যের সরকারি ওই রাস্তাটি রাইয়ান জৈব কৃষি প্রকল্পের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই রাস্তার উত্তর সীমান্তের আনুমানিক ৩০ ফুট জায়গার অর্ধেক অংশের ইট তুলে ফেলা হয়েছে। সেখানে মাটি কেটে বড় গর্তের সৃষ্টি করা হয়েছে। রাইয়ান জৈব কৃষি খামারের মালিক নজরুল ইসলাম বলেন, তাঁর বাড়ি শিবনগর গ্রামে। ২০১৮ সালে তিনি পাচলিয়া গ্রামের মাঠে ডোবা ও পরিত্যক্ত সাড়ে তিন একর জমি কেনেন। ২০২১ সালে সেখানে ঝিনুকে মুক্তা চাষের প্রকল্প গড়ে তোলেন, যার নাম দেন রাইয়ান পার্ল হারবার। এ ছাড়া সেখানে মাশরুম, মাছ চাষসহ নানা ফলের গাছের চাষ শুরু করেন। এই খামার শুরুর অনেক আগে থেকে পাচলিয়া গ্রামে বটতলা হতে ফসলের মাঠের এই রাস্তাটি বিদ্যমান। তিনি খামার করার তিন বছর পর স্থানীয় দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে রাস্তাটি ইটের সলিং বিছিয়ে পাকা করা হয়। এ রাস্তা দিয়ে গ্রামের মানুষ মাঠের ফসল ঘরে তোলেন। নজরুল ইসলাম আরও বলেন, গত ২০ এপ্রিল তিনি খামারে প্রবেশের সময় দেখতে পান রাস্তার পাশের জমির মালিক সাইদুর রহমান ওই রাস্তার ইট তুলছেন। পরে তিনি তাঁর জমির পাশের ওই রাস্তার প্রায় অর্ধেক অংশের মাটি কেটে পিলার গেড়ে তারকাঁটার বেড়া দেন। বিষয়টি সম্পর্কে তাঁর (সাইদুর) কাছে জানতে চাইলে তিনি জায়গাটি নিজের বলে দাবি করেন। পরে সরকারি কর্মকর্তাদের জানালে কোটচাঁদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহেল রানা সরেজমিনে আসেন। তিনি সরকারি রাস্তায় বেড়া দেওয়া দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে লোকজন লাগিয়ে বেড়া উঠিয়ে দেন। এ ঘটনার দেড় মাস পর ৫ জুন সকালে সাইদুর রাস্তার জায়গা দখলে নিতে মাটি কেটে গর্ত খুঁড়ে তাঁর জমির সঙ্গে মিশিয়ে নেন। এ ঘটনায় গত রোববার দোড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দীন বাদী হয়ে সাইদুরের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, জায়গাটি ২ নম্বর খতিয়ানের ৩২৩ দাগে কাঁচা রাস্তা। যার রেকর্ডীয় মালিক দোড়া ইউনিয়ন পরিষদ। রাস্তাটি ২০২২-২৩ অর্থবছরে কাজের বিনিময়ে টাকা প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ব্যয়ে সলিং করা হয়। সাইদুর রাস্তার ইট তুলে-মাটি কেটে দখল করেছেন, যা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ বিষয়ে সাইদুর রহমান বলেন, রাস্তার অর্ধেক অংশ তাঁর জমির ওপর ছিল। কিন্তু স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জলিল জোর করে তাঁর জায়গার ওপর দিয়ে ইট বিছিয়ে সলিং রাস্তা তৈরি করেন। এ বিষয়ে তিনি প্রতিকার পাওয়ার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছেন। না পেয়ে শেষে তিনি নিজেই ব্যবস্থা নিয়েছেন। এ বিষয়ে দোড়া ইউপি চেয়ারম্যান জলিল বলেন, এটি অনেক পুরোনো একটি সরকারি রাস্তা। এর আগে মাটির রাস্তা ছিল। এলাকার লোকজনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাস্তাটিতে ইটের সলিং করা হয়। সাইদুর ওই রাস্তার ইট তুলে ঠিক করেননি। এ বিষয়টি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দেখছেন। কোটচাঁদপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহেল রানা বলেন, রাস্তাটি ইউনিয়ন পরিষদের। সাধারণ মানুষের চলাচলে এটা ব্যবহৃত হয়। একজন এটা দখল করার চেষ্টা করছে। প্রথমে বেড়া দিলে সেটা সরিয়ে দেওয়া হয়, পরে মাটি কেটে পাশের জমির সঙ্গে মিশিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে মামলা দেওয়া হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ঝিনাইদহখুলনা বিভাগকোটচাঁদপুরদখল