জামায়াতের কুমিল্লা মহানগর কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ, ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাঙচুর

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

প্রবন্ধে কুমিল্লা জামায়াতে ইসলামী অফিসে ককটেল বিস্ফোরণ এবং গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে, যা একটি বাস্তব, সাম্প্রতিক (২০২৬-১০-১৪) ধ্বংসাত্মক কাজ এবং বাংলাদেশে ঘটেছে; তাই এটি হিংসা হিসেবে স্বীকৃত এবং রাজনৈতিক পার্টি সংঘর্ষের অংশ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।

Reported by:Prothom AloJugantorDhaka PostSamakalCorroborated · 4 sources
14/10/26•Farukia Housing, Mogultuli

Killed

0

Injured

0

Summary

কুমিল্লা মোগলটুলি এলাকার ফারুকিয়া হাউজিংয়ে জামায়াতে ইসলামী মহানগর কার্যালয়ের চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং মাহবুবুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Jamaat

Victim side

Jamaat

Other actors

Mahbubur RahmanA.T.M. MashumKazi Dewan MohammadA.K.M. Mdadul HaqMosleh UddinTouhidul Anwar

Affected infrastructure

Jamaat office buildingMahbubur Rahman's personal carglass and equipment

Tags

Party ClashVandalismBomb Attack

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 17/10/26open original ↗

কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত

কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কমিটি বিলুপ্ত কমিটি দ্বন্দ্বে গাড়ি ভাঙচুরে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি ফাইল ফটো কুমিল্লা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬ | ২১:২৮ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে কমিটির আমিরকেও তাঁর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দলটির মগবাজার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা মহানগর শাখা কার্যালয়ে বুধবারের সংঘটিত ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর শাখা কার্যালয়ে বুধবার সংঘটিত ঘটনা এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বৈঠকে নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর ধারার ৩ নম্বর উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে ৬৩ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সংগঠন ও ইমারাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা মহানগরী সংগঠন পরিচালিত হবে। কুমিল্লা মহানগরী সংগঠন কেন্দ্রের পক্ষ থেকে তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করবেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। এদিকে, বুধবারের ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন- সংগঠনের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। এ কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জামায়াত আমিরের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এ ব্যাপারে জানতে শুক্রবার রাতে দলটির সদ্য বিলুপ্ত কুমিল্লা মহানগর কমিটির আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে জানতে পেরেছি। এখন থেকে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুসারে, এখানে দলের কার্যক্রম চলবে।’ প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে কুমিল্লা নগরীর গাংচর এলাকার ফারুকী হাউসে দলটির কুমিল্লা মহানগর আমির নির্বাচনের প্রস্তুতি সভার সময় নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় দলের কার্যালয়ের সামনে রাখা মহানগর সেক্রেটারি মো. মাহাবুবুর রহমানের একটি গাড়ি ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।   - বিষয় : - জামায়াতে ইসলামী - কমিটি - অব্যাহতি

Source 2: Dhaka Post · 14/10/26open original ↗

আমির নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্ব, কুমিল্লায় জামায়তের দুই পক্ষের সংঘর্ষ

আমির নির্বাচনকে ঘিরে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর ও দলীয় কার্যালয়ের ছাদে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর মোগলটুলীতে মহানগর জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মহানগর জামায়াতের নতুন আমির নির্বাচন নিয়ে কয়েক দিন ধরে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে কমিটি গঠন নিয়ে বৈঠক চলাকালে সেই বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। বর্তমান সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান নতুন কমিটিতে আমির হতে পারেন—এমন গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি পরে সেটি বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয়। একপর্যায়ে সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর করে জামায়াতের একটি অংশ। যার মধ্যে সহসাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন ও দাওয়াহ ও তথ্য সম্পাদক হোসেনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গাড়ি ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে সহসাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এ বিষয়ে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমরা মিডিয়ায় ব্রিফিং দেব, মিটিং চলছে। ঘটনার পর প্রকাশিত খবরকে বিভ্রান্তিকর দাবি করে বিবৃতি দিয়েছেন মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। রাত ৯টা ৩৭ মিনিটে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় মহানগর জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে একটি সভা চলছিল। এ সময় কিছু যুবক প্রোগ্রামে ঢুকে হইচই করে তারা চিৎকার করে চলে যাওয়ার সময় আমাদের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে। ঘটনার তদন্ত চলছে, শেষ হলে বিস্তারিত সংবাদমাধ্যমকে অবহিত করব। কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনাটি আমাকে জানালে সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ পাঠিয়েছি। এই মুহূর্তে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ভেতরে জামায়াতের ঊর্ধ্বতন নেতারা আছেন। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর আমরা পাইনি। আরিফ আজগর/এএমকে

Source 3: Jugantor · 14/10/26open original ↗

কুমিল্লায় মহানগর জামায়াতের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, ভাঙচুর

কুমিল্লায় মহানগর জামায়াতের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, ভাঙচুর. কুমিল্লায় মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আসন্ন কমিটি গঠন নিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে মহানগর জামায়াতের নায

Source 4: Prothom Alo · 14/10/26open original ↗

জামায়াতের কুমিল্লা মহানগর কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ, ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাঙচুর

কুমিল্লার মোগলটুলি এলাকার ফারুকিয়া হাউজিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর মহানগর কার্যালয় চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বুধবার রাতের ছবিপ্রথম আলো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর কার্যালয় চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আজ বুধবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে কুমিল্লার মোগলটুলি এলাকার ফারুকিয়া হাউজিংয়ে দলটির মহানগরের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাছুমসহ মহানগরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা মহানগর জামায়াতের আমির নির্বাচনপ্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা ও রুকনদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এ সময় কার্যালয়ের বাইরে একদল নেতা-কর্মী জড়ো হয়ে হট্টগোল শুরু করেন। একপর্যায়ে কার্যালয় চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে এবং সেখানে রাখা মাহবুবুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে নিজেদের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তৌহিদুল আনোয়ার, ওসি, কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা এ বিষয়ে রাত সাড়ে আটটার দিকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে নিজেদের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে মহানগর জামায়াতের অন্তত তিনজন নেতার সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁরা কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ, ককটেল বিস্ফোরণ এবং গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা স্বীকার করেছেন। তবে কেউই নাম প্রকাশ করতে চাননি। ওই তিন নেতার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কাজী দ্বীন মোহাম্মদ দীর্ঘদিন ধরে মহানগরের আমির পদে থাকায় দলের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে মহানগর কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। কেন্দ্র থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বর্তমান আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হক (মামুন) ও আরেক নায়েবে আমির মোসলেহ উদ্দিনকে পরবর্তী কমিটির নেতৃত্বে রাখা হবে না। তাঁদের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অন্য দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর কার্যালয় চত্বরে রাখা ভাঙচুর করা গাড়িছবি: প্রথম আলো ওই তিন নেতার ভাষ্য, সম্প্রতি আমির নির্বাচন উপলক্ষে প্রস্তুত করা ভোটার তালিকায় বর্তমান আমির ও দুই নায়েবে আমিরের নাম রাখা হয়নি। তবে বর্তমান সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানসহ অন্য নেতাদের নাম রয়েছে। এ নিয়ে দলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। মাহবুবুর রহমান আমির নির্বাচিত হতে পারেন—এমন আশঙ্কা থেকে কয়েক দিন ধরে তাঁর বিরুদ্ধে জমি কেনাবেচাসহ বিভিন্ন বিষয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগসহ বিভিন্ন নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়। জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, রুকনদের ভোটে দলের আমির নির্বাচিত হন। মহানগর কমিটির আমির নির্বাচনপ্রক্রিয়ার দায়িত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাছুম। আজ তিনি মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের আয়োজন করেন। বৈঠক চলাকালে এ কে এম এমদাদুল হকের অনুসারীরা কার্যালয়ের বাইরে হট্টগোল শুরু করেন। পরে ককটেল বিস্ফোরণ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর কার্যালয়ের সামনে ভাঙা গাড়ি, কাচের টুকরা ও বিভিন্ন সরঞ্জাম ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কেন্দ্রীয় নেতা এ টি এম মাছুম নেতা-কর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। দলীয় নেতাদের একাংশ এ ঘটনার জন্য মহানগরের নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হকের অনুসারীদের দায়ী করলেও এ অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া আজকের কর্মসূচিতে মহানগর জামায়াতে ইসলামীর অন্য নেতারা উপস্থিত থাকলেও এমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন না। দলীয় সূত্র জানায়, আজকের এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে মূলত জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগরের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদকে কেন্দ্র করে। তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে কুমিল্লা শহর জামায়াতের আমির পদে রয়েছেন। ২০১১ সালে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর আবার তিনি মহানগর জামায়াতের আমিরের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৯৮ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত একটানা ২৮ বছর কুমিল্লা শহর ও মহানগর জামায়াতের আমিরের পদে রয়েছেন তিনি। এ কারণে এত দিন নিচের সারির নেতারা আমিরের নেতৃত্বে আসতে পারেননি। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিরাজ করছিল। আজকে সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এদিকে ঘটনার পর এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হক, সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেলসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে প্রথম আলো। তাঁদের কেউ কথা বলতে রাজি হননি। পরে বিষয়টি নিয়ে রাত সোয়া ১০টার দিকে গণমাধ্যমে মহানগর জামায়াতের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাঠানো হয়। মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদের বরাতে পাঠানো ওই বক্তব্যে বলা হয়, কুমিল্লা মহানগরীর সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। এসব সংবাদ তাঁদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে বুধবার রাত সাতটার দিকে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে ইসলামী কার্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত একটি সভা চলছিল। এর মধ্যে কিছু যুবক প্রোগ্রামে ঢুকে হইচই শুরু করে। তারা চিৎকার করে চলে যাওয়ার সময় একটি গাড়ি ভাঙচুর করে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন চট্টগ্রাম বিভাগকুমিল্লাবাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীবিস্ফোরণভাঙচুর