আহত ব্যক্তির মৃত্যুর জেরে একশ বাড়িতে ভাঙচুর

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

জমি বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যুর পর তার পক্ষের লোকজন শতাধিক বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছে—এটি একটি সুনির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা, তাই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

Reported by:SamakalJugantorDhaka PostCorroborated · 3 sources
21/06/26•দড়িবাংলাট ও বড় বাংলাট গ্রাম, কসবামাজাইল ইউনিয়ন, পাংশা

Killed

1

Injured

2

Summary

রোববার (২১ জুন) রাতে রাজবাড়ীর পাংশায় জমি সংক্রান্ত সংঘর্ষে আহত জামির বিশ্বাসের মৃত্যুর পর তার পক্ষের লোকজন দড়িবাংলাট ও বড় বাংলাট গ্রামের প্রায় ১০০টি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় জামির বিশ্বাস নিহত এবং তার দুই ভাই আহত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

জামির বিশ্বাস (নিহত)আমিন বিশ্বাস (আহত)তফাই বিশ্বাস (আহত)আকতার হোসেনআব্দুল হাকিমরেহেনা বেগম (ক্ষতিগ্রস্ত)পাংশা থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম

Affected infrastructure

প্রায় ১০০টি বাড়ি (ভাঙচুর)সালাউদ্দিন ও খায়রুলের বাড়ি (অগ্নিসংযোগ)পেঁয়াজের ঘর (পুড়ে গেছে)

Tags

Land DisputeArsonMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 21/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 23/06/26open original ↗

আহত ব্যক্তির মৃত্যুর জেরে একশ বাড়িতে ভাঙচুর

রাজবাড়ীর পাংশা আহত ব্যক্তির মৃত্যুর জেরে একশ বাড়িতে ভাঙচুর নির্বিচার লুটপাট, দুই বাড়িতে অগ্নিসংযোগ রাজবাড়ীর পাংশায় রোববার রাতে উত্তেজিত জনতার দেওয়া আগুনে পুড়ে যাওয়া একটি বাড়ি। গতকাল সোমবার উপজেলার বড় বাংলাট গ্রাম থেকে তোলা সমকাল রাজবাড়ী প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬ | ০৭:৩১ | প্রিন্ট সংস্করণ রাজবাড়ীর পাংশায় সংঘর্ষে আহত ব্যক্তির মৃত্যুর জেরে প্রায় একশ বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়; চালানো হয় লুটপাট। গত রোববার রাত ১০টার দিকে উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের দড়িবাংলাট ও বড় বাংলাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে নিহত জামির বিশ্বাস (৫৫) একই উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামের হোসেন আলী বিশ্বাসের ছেলে। এ ঘটনায় জামিরের দুই ভাই আমিন বিশ্বাস ও তফাই বিশ্বাস আহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দড়িবাংলাট গ্রামের বাসিন্দা আকতার হোসেনের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে আব্দুল হাকিমের দীর্ঘদিনের বিরোধ। গত বৃহস্পতিবার এর জেরে দুপক্ষের মারামারি হয়। গত রোববার জমি মাপার দিন নির্ধারিত হয়। সেখানে যান আকতারের মামা জামির বিশ্বাস, আমিন বিশ্বাস ও তফাই বিশ্বাস। দুই পক্ষের তর্ক এক পর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। সেখানে গুরুতর আহত হন তিন ভাই। তাদের পাংশা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে আমিন ও জামিরকে ফরিদপুর পাঠানো হয়। পরে জামিরকে পাঠানো হয় ঢাকায়। রাত ৯টার দিকে তিনি মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামিরের মৃত্যু সংবাদ পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামে পৌঁছালে এলাকাবাসী দল বেঁধে কসবামাজাইল ইউনিয়নের দড়িবাংলাট ও বড় বাংলাট গ্রামে হামলা চালায়। এ সময় বড় বাংলাট গ্রামের সালাউদ্দিন ও খায়রুলের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ছাড়া দড়িবাংলাট গ্রামের অন্তত একশটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পাংশা থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বড় বাংলাট গ্রামের রেহেনা বেগম গতকাল সোমবার বলেন, রোববার রাত ১০টার পর শত শত মানুষ এসে হামলা চালায়। তাদের তিনটি পাকা বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় হামলাকারীরা। এতে পেঁয়াজের ঘর পুড়ে যায়। এমনকি তাদের গরু-ছাগল লুট করা হয়। রেহেনার দাবি, তারা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিয়েছিলেন। কিন্তু হামলাকারীরা তাদের ঘটনাস্থলে যেতে বাধা দেয়।  নিহত জামির বিশ্বাসের ভাতিজা আজমল বিশ্বাসের দাবি, ‘কারা বাড়িঘরে হামলা করেছে, সে বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।’ আরেক ভাতিজা আকুল বিশ্বাসের ভাষ্য, ‘আমার তিন চাচা গুরুতর আহত হয়েছিলেন। আমরা তাদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। এর মধ্যে একজন মারা গেলেন, অন্য দুজন হাসপাতালে। রাতে কারা হামলা করেছে, আমরা জানি না।’ অন্য কেউ পরিকল্পিতভাবে এসব ঘটনা ঘটিয়ে তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করতে পারে বলে ধারণা করছেন আকুল বিশ্বাস।  পাট্টা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আকিদুল ইসলাম বলেন, পাট্টার ঢেঁপা-মাজাইল ও কসবামাজাইলের দড়িবাংলাট গ্রাম নদীর এপার-ওপার। দড়িবাংলাট গ্রামে দুটি পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। একটি পক্ষে জামির বিশ্বাসের ভাগনে রয়েছেন। যে কারণে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। যে ঘটনা ঘটেছে, তা দুঃখজনক।  পাংশা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার মো. সাইফুল ইসলামের ভাষ্য, ‘রাত দেড়টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা রওনা দিয়েছিলাম। কিন্তু বাধার মুখে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারিনি।’ পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত ছিল; ফায়ার সার্ভিস কর্মীরাও নিরাপত্তাহীনতায় পড়ে যান। পাংশা থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম গতকাল রাত সাড়ে ৮টার দিকে বলেন, জামির বিশ্বাসের মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর তাঁর পক্ষের লোকজন বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালায়; অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। নিহত ব্যক্তির ময়নাতদন্ত ঢাকায় হয়েছে। মরদেহ বাড়িতে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।  - বিষয় : - আগুন

Source 2: Dhaka Post · 22/06/26open original ↗

রাজবাড়ীতে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ১

রাজবাড়ীর পাংশায় আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে জামির বিশ্বাস (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) রাত ৯টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাট্রা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আকিদুল ইসলাম। নিহত জামির বিশ্বাস উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের মো. হোসেন আলী বিশ্বাসের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে উপজেলার কশবামাজাইল ইউনিয়নের দড়িবাংলাট ও পাট্রা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে জমি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ ঘটনায় জামির বিশ্বাস গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আহত একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে জন্য কাজ করছে পুলিশ। মীর সামসুজ্জামান সৌরভ/এএমকে

Source 3: Jugantor · 22/06/26open original ↗

পাংশায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত ১

পাংশায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত ১ Advertisement রাজবাড়ী প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম ছবি: সংগৃহীত রাজবাড়ীর পাংশায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামিন বিশ্বাস (৫৫) নামে ১ ব্যক্তি নিহত হয়েছে। রোববার (২১ জুন) রাত ৯টার দিকে ঢাকার একটি হসপিটালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে সোমবার বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন— পাট্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আকিদুল ইসলাম। নিহত জামিন বিশ্বাস উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের মো. হোসেন আলী বিশ্বাসের ছেলে। পাংশা থানা পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালের দিকে উপজেলার কশবামাজাইল ইউনিয়নের দড়ি-বাংলাট ও পাট্রা ইউনিয়নের ঢেঁপা-মাজাইল গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় জামিন বিশ্বাস গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা প্রথমে তাকে উদ্ধার করে বিকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শেষে গত রোববার রাত ৯টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বিকালে যুগান্তরকে বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মূলতঃ দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে পুলিশকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পরে জামিন নামের ওই যুবক ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।সোমবার বিকালে নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা ঢাকা থেকে নিহতের লাশ নিয়ে রওয়ানা হয়েছেন। লাশের দাফন শেষ করে তারা থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। পরিবার মামলা করলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।