নেত্রকোনায় জমির বিরোধে কুপিয়ে জখম, ৫ দিন পর আহত ব্যক্তির মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 98%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Netrokona. Parties reported: Zia Mia's family, Shahin Mia's family. Reported casualties: 1 killed and 6 injured. Reported by 3 sources.

Reported by:Ajker PatrikaProthom AloJugantorCorroborated · 3 sources
18/03/26•Baushi, Barhatta

Killed

1

Injured

4

Summary

নেত্রকোনার বারহাট্টায় ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত শাহীন মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ মার্চ ভোরে মারা যান। সংঘর্ষে রামদার কোপে উভয় পক্ষের অন্তত ৫-৬ জন আহত হয়েছিলেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

98% · severity 8

Parties involved

Zia Mia's familyShahin Mia's family

Tags

Land DisputeMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 4

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 18/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 23/03/26open original ↗

নেত্রকোনায় জমির বিরোধে কুপিয়ে জখম, ৫ দিন পর আহত ব্যক্তির মৃত্যু

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় জমির বিরোধে সংঘর্ষে আহত শাহীন মিয়া (৫৫) পাঁচ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে গত বুধবার বিকেলে উপজেলার বাউসী গ্রামে প্রতিপক্ষের রামদার কোপে তিনি গুরুতর আহত হন। বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাউসী গ্রামের জিয়া মিয়ার পরিবার ও শাহীন মিয়ার পরিবারের লোকজনের মধ্যে জমি নিয়ে পূর্ববিরোধ রয়েছে। গত বুধবার বিকেলে বাউসী বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন শাহীন মিয়া ও তাঁর ছোট ভাই মাসুদ মিয়াসহ কয়েকজন। পথে আগে থেকেই অস্ত্র নিয়ে ওত পেতে থাকা জিয়া, তাঁর ভাই ফারুক ও কাউছার মিয়াসহ অন্যরা শাহীন ও মাসুদের ওপর হামলা চালায়। এতে রামদা দিয়ে কুপিয়ে শাহীন ও মাসুদকে গুরুতর জখম করে। এ সময় তাঁদের বাঁচাতে এলে শাহীন মিয়ার পক্ষের আরও দুজন আহত হন। তবে এ ঘটনায় অপর পক্ষের জিয়া, কাউছারসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। তাঁরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত শাহীন মিয়া ও তাঁর ভাই মাসুদ মিয়াকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাতে অবস্থার অবনতি হলে শাহীন মিয়াকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আরও অবনতি হলে পরদিন তাঁকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহীন মিয়ার মৃত্যু হয়। এদিকে ঘটনার পরদিন গত বৃহস্পতিবার আহত শাহীন মিয়ার চাচাতো ভাই মো. শ্যামল মিয়া বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের জিয়া মিয়া (৪৮), তাঁর ভাই ফারুক মিয়া (৪৪) ও কাউছার মিয়াসহ (৩৮) সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় আগের দেওয়া অভিযোগটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। এদিকে লাশ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আসামিদের মধ্যে জিয়া ও কাউছার আহত অবস্থায় হাসপাতালে রয়েছেন। সেখানে পুলিশ তাঁদের নজরদারিতে রাখছে। সুস্থ হলেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হবে। এ ছাড়া বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Source 2: Jugantor · 04/08/26open original ↗

নেত্রকোনায় পুলিশ দেখে পালাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

নেত্রকোনায় এক কলেজ শিক্ষার্থীর লাশ হাসপাতালে পাওয়া গেছে। ডিবি পুলিশ ওই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ ওই যুবকের পরিবার। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নেত্রকোনা শহরের মেছুয়াবাজারে পানসিগারেটের ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিনের ছেলে সাব্বির মিয়া (২১)। সাব্বির নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। পুলিশ জানায়, নেত্রকোনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মাদক সংক্রান্ত একটি অভিযানে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকালে সদরের একটি এলাকায় যাচ্ছিল। এ সময় পুলিশকে দেখে দৌঁড় দিয়ে সদরের হরিখালি খালের কাছে পালাতে গিয়ে কয়েকজন যুবক খালে পরে যায়। পরে গ্রামবাসী তাদের উদ্ধার করে একজনকে মুমূর্ষ্য অবস্থায় সড়কে ফেলে রাখে। পরে পুলিশ ওই যুবককে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। নিহত সাব্বিরের বোন পূর্ণিমা আক্তার ও বন্ধু জিহাদ মিয়া বলেন, সে তো বাইরে গোসল করতে যায় না। খালে পরে গেলে তার মোবাইল ফোন পকেটে কেন? তার মৃত্যু রহস্যজনক। তাকে ডিবি পুলিশ কেন এখানে ফেলে রেখে যাবে? আমরা এই ঘটনার তদন্ত করে বিচার চাই। নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাজহারুল আমিন বলেন, মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে ওই যুবককে নিয়ে আসা হয়। তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক তার ইসিজি টেস্ট করানোর পর তার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া যায়। তার শরীরের কাপড়ছোপড় ভেজা ছিল! ময়না তদন্তের পর তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। নেত্রকোনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজুল ইসলাম বলেন, ডিবি পুলিশের একটি দল আমতলা এলাকার ময়মনসিংহের রুহী গ্রামে মাদকের একটি অভিযানে যাচ্ছিল। এসময় হরিখালি খালের পাড়ে পুলিশ দেখে কয়েকজন যুবক দৌড়ে পালাতে গিয়ে খালে পরে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সড়কে ফেলে রাখে। এসময় এক যুবককে মুমূর্ষ্য অবস্থায় ডিবি পুলিশ এনে হাসপাতালে রেখে আসে।

Source 3: Prothom Alo · 16/05/26open original ↗

নেত্রকোনায় ধান শুকানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

লাশপ্রতীকী ছবি ধান শুকানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহিম (৭৫) মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বলাইশিমুল চকপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আবদুর রহিমের সঙ্গে প্রতিবেশী মো. জসিম উদ্দিন ওরফে এন্তাজ মিয়ার (৫০) সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ধান শুকানোর সীমানা নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে শান্ত করেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর জসিম উদ্দিনের লোকজন আবদুর রহিমদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এতে আবদুর রহিমসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই হাসপাতালে আবদুর রহিমের অবস্থার অবনতি হলে গতকাল শুক্রবার সকালে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রাত সাড়ে তিনটার দিকে তিনি মারা যান। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি মাকসুদ আজ শনিবার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, হামলায় আহত বলাইশিমুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহিম মারা গেছেন। তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনো থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। তবে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন কেন্দুয়ানেত্রকোনামৃত্যুসংঘর্ষময়মনসিংহ বিভাগ