বাগেরহাটে খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে হামলা ও খাবার লুট

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This incident is classified as political violence because unknown miscreants attacked a prayer meeting for Begum Khaleda Zia at the Mongla Helipad Field in Bagerhat on January 12, 2026. The attack resulted in two injuries, including a former student leader of the BNP, and involved the looting of food. Although the specific identity of the perpetrator side is not recorded, the targeting of a political gathering justifies the classification. The report is supported by two corroborating sources.

Reported by:Dhaka PostProthom AloCorroborated · 2 sources
12/01/26•Mongla Helipad Field

Killed

0

Injured

2

Summary

১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাগেরহাটের মোংলায় বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে দুর্বৃত্তদের হামলায় ছাত্রদলের একজন সাবেক নেতাসহ দুইজন আহত হয়েছেন। হামলার সময় দেড় হাজার মানুষের জন্য প্রস্তুতকৃত খাবার লুট করা হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ ও নৌবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 4

Parties involved

BNPUnknown Miscreants

Tags

BNPChhatra DalPolitical AttackLootingKhaleda Zia

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 12/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 12/01/26open original ↗

খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে দুর্বৃত্তদের হামলা, খাবার লুট

সারাদেশ বাগেরহাট খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে দুর্বৃত্তদের হামলা, খাবার লুটজেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:৩২অ+অ-বাগেরহাটের মোংলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলে দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সোবাহান মোল্লা (৩০) ও মো. মাইনুল (২৫) নামে দুইজন আহত হয়েছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে মোংলা হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলে হামলার ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম। তিনি বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দোয়া মাহফিল শুরুর আগেই একদল দুর্বৃত্ত প্রায় দেড় হাজার মানুষের জন্য প্রস্তুত করা খাবার লুট করে নিয়ে যায় এবং বেশ কিছু খাবার নষ্ট করে ফেলে। এতে বাধা দিতে গেলে দুর্বৃত্তদের হামলায় দুইজন আহত হন। হামলার সময় উপস্থিত লোকজন প্রাণ বাঁচাতে মোংলা থানাসহ আশপাশের বিভিন্নস্থানে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে মোংলা থানা পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হামলায় আহত রামপাল উপজেলার হুড়কা ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি সোবাহান মোল্লা জানান, হামলার সময় জীবন বাঁচাতে তিনি মোবাইল ফোন ফেলে থানার ভেতরে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি সংঘবদ্ধ দল পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং দোয়া মাহফিলটি বানচাল করতেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা ডেকোরেটর মালিক ও বাবুর্চিদেরও হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়। মোংলা থানার সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। তালেব/এমএএস

Source 2: Prothom Alo · 12/01/26open original ↗

মোংলায় বিএনপির সাবেক এমপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের দোয়া অনুষ্ঠানের আগে হামলা

বাগেরহাটে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া অনুষ্ঠানের আগে খাবার তৈরির তাঁবুর ভেতরে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার বিকেলে মোংলা উপজেলার হেলিপ্যাড মাঠেছবি: সংগৃহীত বাগেরহাটের মোংলায় জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের উদ্যোগে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত‌ কামনায় আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠান শুরুর কিছু আগে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার বিকেলে মোংলা উপজেলার হেলিপ্যাড মাঠে এ ঘটনা ঘটে। সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) এম এ এইচ সেলিম দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনসহ জেলার তিনটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাঁর উদ্যোগে ‘মোংলার সর্বস্তরের নাগরিক সমাজের ব্যানারে’ হেলিপ্যাড মাঠে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের অভিযোগ, দোয়া মাহফিলে বিতরণের উদ্দেশ্যে প্রায় ১০ হাজার মানুষের জন্য খাবার তৈরির কাজ চলছিল। বেলা একটার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে সভামঞ্চসংলগ্ন খাবার তৈরির তাঁবুতে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। তারা কিছু খাবার নিয়ে যায় ও প্যাকেট নষ্ট করে। এ সময় খাবারের তত্ত্বাবধানে থাকা দুজন আহত হন। আহত ব্যক্তিরা হলেন রামপাল উপজেলার ৬ নম্বর হুড়কা ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ছোবহান মোল্লা ও মো. মাইনুল। তাঁরা দুজনই স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের কর্মী। ছোবহান মোল্লা বলেন, ‘মোটরসাইকেলে করে ১৫–২০ জন এসে হঠাৎ হামলা করে। হামলার সময় জীবন বাঁচাতে পাশেই মোংলা থানার ভেতরে আশ্রয় নিই। পরে পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।’ হামলার পর দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম। আজ সোমবার বিকেলে মোংলা উপজেলার হেলিপ্যাড মাঠেছবি: সংগৃহীত এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার মোংলা থানার ওসিকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। তবে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, তেমন গুরুতর কিছু হয়নি। থানায় কোনো অভিযোগ বা মামলাও হয়নি। পরে সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে এম এ এইচ সেলিমসহ তাঁর কর্মী–সমর্থকেরা হেলিপ্যাড মাঠে পৌঁছান এবং সেখানে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। দোয়া অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যা সাতটার দিকে মোংলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে করেন এম এ এইচ সেলিম। তিনি বলেন, ‘নদীর ওপারে থাকতেই আয়োজকেরা আমাকে বলেন, ওপারে যাওয়ার দরকার নেই, লোকজন নেই, সব ভেঙে ফেলেছে। কিন্তু আমি বলেছি, যে মাঠে আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া অনুষ্ঠান, সেখানে আমি যাব না, তা হতে পারে না। পরে দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে। সেখানে এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরাও অংশ নেন।’ এম এ এইচ সেলিম আরও বলেন, ‘আমি যেহেতু স্বতন্ত্র প্রার্থী, আমি আসতেছি, এ কারণেই হয়তো কেউ না কেউ এটা করিয়েছে। আবু হোসেন ও আবুল কাশেম নামের দুজনের নেতৃত্বে ওই হামলা হয়েছে বলে আয়োজকদের কাছ থেকে শুনেছি।’ উল্লেখ্য, আবু হোসেন মোংলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং আবুল কাশেম পৌর যুবদলের সদস্যসচিব। অভিযোগ অস্বীকার করে আবু হোসেন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘কসম খোদা, আমি ওখানে যাইনি। আমরা যেহেতু মোংলায় ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি, তাই আমাদের বদনাম করতে পরিকল্পিতভাবে এই অভিযোগ করা হচ্ছে।’ আরও পড়ুন বিএনপির ‘মনোনয়নবঞ্চিত’ সেলিম একাই তিন আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ১০ জানুয়ারি ২০২৬ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন জাতীয় সংসদ নির্বাচনবিএনপিরাজনীতিমোংলাত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনজাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬জাতীয় নির্বাচনবাগেরহাটখুলনা বিভাগ