বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a specific, recent incident in which rival BNP factions in Satkania, Chattogram fought with local weapons on the night of Tuesday 31 March 2026. Five people were injured and two auto-rickshaws were vandalised, so it is a real physical clash and qualifies as violence.

Reported by:SamakalSingle source
31/03/26•পুরানগড় ইউনিয়নের ফকিরখীল গ্রামের কুমারপাড়া ও ধলির গোপাট এলাকা, সাতকানিয়া

Killed

0

Injured

5

Summary

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আধিপত্য বিস্তার ও মোবাইল ফোন ছিনতাইকে কেন্দ্র করে ৩১ মার্চ ২০২৬ (মঙ্গলবার) রাতে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষে ৫ জন আহত হন এবং দুটি অটোরিকশা ভাঙচুর করা হয়। ঘটনায় পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে এবং পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Other actors

জসিম উদ্দিন (বিএনপি নেতা, পুরানগড় ইউনিয়ন)মোহাম্মদ টিপু (যুবদল নেতা)মোহাম্মদ সাকিবমোহাম্মদ আলমরবিউল ইসলামমো. তারেক (স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা)কামরুল হাসান তালুকদার (চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি)হারুনইদ্রিসমাঈনুদ্দিনরিয়াদরাজিবমঞ্জুরুল হক (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সাতকানিয়া থানা)

Affected infrastructure

অটোরিকশা (দুটি ভাঙচুর)

Tags

Party ClashRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 5

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 31/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 02/04/26open original ↗

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:৪৫ | প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আধিপত্য বিস্তার ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্য দু’দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় ৫ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ফকিরখীল গ্রামের কুমারপাড়া এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ধলির গোপাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন– বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন, যুবদল নেতা মোহাম্মদ টিপু, মোহাম্মদ সাকিব, মোহাম্মদ আলম ও রবিউল ইসলাম। স্থানীয়রা জানান, পুরানগড় ইউনিয়ন বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন ও মোহাম্মদ সাকিবের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি এক নারী-সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাকিবসহ কয়েকজন মিলে এক যুবকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এরপর বিষয়টি জসিমকে জানানো হলে তিনি ভুক্তভোগীকে থানা পুলিশের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন। ওই সময় জসিম ফকিরখীল গ্রামের একটি মিষ্টির দোকানে কার্টনের জন্য গেলে হেনস্তার শিকার হন।  সর্বশেষ গত মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে জসিমের অনুসারী হারুন, ইদ্রিস, মাঈনুদ্দিন, রিয়াদ, রাজিবসহ আরও কয়েকজন সমঝোতার মাধ্যমে মোবাইল ফোন উদ্ধারে কুমারপাড়ায় গেলে সাকিব সহযোগীদের নিয়ে তাদের ওপর হামলা করেন। পরে বিষয়টি জসিমকে জানানো হলে তিনি টিপুসহ কয়েকজন মিলে তাদেরকে উদ্ধারে কুমারপাড়ায় গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে জসিম, সাকিবসহ কয়েকজন আহত হন। এরপর জসিম, টিপুসহ কয়েকজন মিলে একটি অটোরিকশায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্দেশে রওনা হন। এরপর তারা একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ধলির গোপাট এলাকায় পৌঁছালে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. তারেকসহ ১৫-২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অটোরিকশার গতি রোধ করলে পুনরায় মারামারি এবং দুটি অটোরিকশা ভাঙচুর করা হয়। এতে জসিম ও টিপু গুরুতর আহত হন। পরে এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা মিলে তাদের উদ্ধার করে পুনরায় নতুনহাট নিয়ে আসেন। এর পর তারা পুরানগড়-চৌকিদার ফাঁড়িঘাট দিয়ে নৌকাযোগে সাঙ্গু নদী পার হয়ে চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভা হয়ে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছান। পরে উভয় পক্ষের আহতদের পৃথকভাবে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। সাকিব চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি কামরুল হাসান তালুকদারের অনুসারী হিসেবে এলাকায় দাপট দেখান বলে অভিযোগ রয়েছে।  কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, প্রায় ৪০ জন লোকসহ দা-কিরিচ নিয়ে সালিশ বৈঠকে যান জসিম। বৈঠকে গিয়ে সাকিব, আলমসহ কয়েকজনের ওপর হামলা করে। পরে দলবল নিয়ে ফিরে আসার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের ওপর হামলা করলে তারাও আহত হন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উভয় পক্ষই তাঁর নিকটাত্মীয়। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।  এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি ভিডিও বার্তায় জসিম উদ্দিন ঘটনার জন্য কামরুল হাসান তালুকদারকে দায়ী করেন। কামরুলের অভিযোগ বিষয়ে জসিম বলেন, তিনি দা-কিরিচ ও দলবল নিয়ে সালিশ বৈঠকে যাননি। এটা ডাহা মিথ্যা কথা। ঘটনাকে অন্যদিকে প্রবাহিত করার জন্য তাঁর ওপর দোষ চাপানো হচ্ছে।  সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - বিএনপি