চুরির অপবাদ দিয়ে তরুণকে বেঁধে নির্যাতন
Why this classification
A 23-year-old man was tied to a tree and beaten with sticks by five named men in Kaikhali village, Jhalakathi, and his father was also assaulted when he tried to help. The attackers allegedly took his mobile phone and demanded Tk 2 lakh, and the case is linked to a dispute over Tk 20,000, so this is a real, recent physical attack and not a mere allegation or report.
Killed
0
Injured
2
Summary
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে হৃদয় হাওলাদার (২৩) নামের এক তরুণকে রশি দিয়ে গাছে বেঁধে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়, এবং উদ্ধারে গিয়ে তাঁর বাবাও মারধরের শিকার হন। অভিযোগে টাকা-পয়সার বিরোধের জেরে এই নির্যাতন ও দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির কথা বলা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চুরির অপবাদ দিয়ে তরুণকে বেঁধে নির্যাতন
চুরির অপবাদ দিয়ে তরুণকে বেঁধে নির্যাতন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় নির্যাতনের শিকার হৃদয় হাওলাদার। ছবি: সমকাল কাঁঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ | ১৬:১০ ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় মোবাইল ফোনে ডেকে এনে হৃদয় হাওলাদার (২৩) নামের এক তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। মোবাইল ফোন চুরির অপবাদ দিয়ে রোববার সকালে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কৈখালী গ্রামে তাঁর ওপর নির্যাতন চালানো হয়। তাঁকে উদ্ধারে যাওয়া বাবাকেও এ সময় পেটানো হয়। হৃদয় দক্ষিণ কৈখালীর মো. আবদুল বারেক হাওলাদারের ছেলে। তিনি এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে কাঁঠালিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে বলা হয়, একই গ্রামের পারভেজ ও সাব্বিরের সঙ্গে পারিবারিক নানা বিষয় ও টাকা লেনদেন নিয়ে হৃদয়ের দ্বন্দ্ব চলছিলো। দুইদিন আগে হৃদয় পাশের বীনাপানি এলাকার শ্বশুরবাড়িতে যান। রোববার সকালে পারভেজ তাঁকে মোবাইল ফোনে কল করে ডেকে আনেন। হৃদয় নিজ বাড়িতে আসার পথে পারভেজ, সাব্বির, মিজান, প্রিন্স ও মেহেদী তাঁকে রশি দিয়ে গাছে বেঁধে ফেলে। পরে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। খবর পেয়ে আবদুল বারেক হাওলাদার ছেলে হৃদয়কে উদ্ধার করতে যান। এ সময় তাঁকেও মারধর করা হয়। লিখিত অভিযোগে হৃদয় দাবি করেন, মারধরকারীরা তাঁর মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। এমনকি দুই লাখ টাকা চাঁদাও দাবি করেন পারভেজ ও তাঁর লোকজন। বারেক হাওলাদারের ভাষ্য, পারভেজের কাছে তাঁর ছেলে হৃদয় ২০ হাজার টাকা পাবে। এ টাকা ফেরত চাওয়ায় তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এর জের ধরে হৃদয়কে গাছে বেঁধে নির্মম নির্যাতন করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন পারভেজ। তাঁর অভিযোগ, হৃদয় এলাকায় চোর হিসেবে পরিচিত। সুপারি ও মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ রয়েছে। এসব নিয়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়েছে। কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান বলেন, এ বিষয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। তদন্তের পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
