পাইপ বসাতে উপকূল রক্ষা বাঁধে ছিদ্র বালু ব্যবসায়ীর

AI-classifiedconfidence 75%

Why this classification

A sand trader drilled a hole in a coastal embankment and laid a 10-inch pipe through it, damaging public infrastructure in defiance of a court ban. Villagers who objected were also threatened with a false extortion case. No injuries or deaths were reported.

Reported by:SamakalSingle source
07/03/26•কুপোট গ্রাম, নওয়াবেঁকী খেয়াঘাটের দক্ষিণ (জামান ব্রিকসসংলগ্ন)

Killed

0

Injured

0

Summary

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কুপোট গ্রামে বালুর আড়তের পানি নিষ্কাশনের জন্য উপকূল রক্ষা বাঁধের পাঁচ নম্বর পোল্ডারে ছিদ্র করে পাইপ বসানো হয়েছে, যা ১০-১২ দিন ধরে চলছে। গ্রামবাসী বাধা দিলে চাঁদাবাজির মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

75% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

সোহেল তাজ (বালু ব্যবসায়ী)জহিরুল ইসলাম (গ্রামবাসী)স্বরজিৎ মণ্ডল (গ্রামবাসী)সুমন রায় (উপসহকারী প্রকৌশলী, পাউবো ৫ নম্বর পোল্ডার)

Affected infrastructure

উপকূল রক্ষা বাঁধ (পাঁচ নম্বর পোল্ডার)চরবালুর আড়ত

Tags

ExtortionLand Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 07/03/26open original ↗

পাইপ বসাতে উপকূল রক্ষা বাঁধে ছিদ্র বালু ব্যবসায়ীর

পাইপ বসাতে উপকূল রক্ষা বাঁধে ছিদ্র বালু ব্যবসায়ীর ছবি: সমকাল শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬ | ২০:৩৩ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বালুর আড়ত থেকে পানি নিষ্কাশনের জন্য উপকূল রক্ষা বাঁধে ছিদ্র করে পাইপ বসানো হয়েছে। ১০-১২ দিন ধরে উপজেলার নওয়াবেঁকী খেয়াঘাটের দক্ষিণে অবস্থিত জামান ব্রিকসসংলগ্ন কুপোট গ্রামে এই কাজ শুরু হয়। পাইপ বসানোর জন্য ছিদ্র করা হয়েছে বাঁধটির পাঁচ নম্বর পোল্ডারে। কুপোট গ্রামের জহিরুল ইসলাম, স্বরজিৎ মণ্ডলসহ কয়েকজন জানিয়েছেন, তারা খোলপেটুয়া নদীর তীরে বসবাস করেন। প্রতিবছরই নদীর বিভিন্ন অংশের চর দেবে উপকূল রক্ষা বাঁধ ভাঙনের মুখে পড়ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাঁধ কেটে বা ছিদ্র করে চিংড়ি চাষসহ যে কোনো কাজের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ১০-১২ আগে বালুর আড়ত তৈরির জন্য বাঁধ কেটে নিচ নিয়ে ১০ ইঞ্চি পাইপ বসিয়েছেন সোহেল তাজ নামের এক ব্যক্তি। এমনকি চর কেটে নিচেও পাইপ বসানো হয়েছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, বাঁধ কাটায় বাধা দিলে তাদের চাঁদাবাজির মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছেন সোহেল তাজ। এ বিষয়ে সোহেল তাজের ভাষ্য, তিনি বাঁধের ভেতরের কিছু জমি ইজারা নিয়ে বালুর আড়ত গড়ে তুলেছেন। নদী থেকে আনা বালুতে পানি থাকে। সেই পানি যেন সড়কসহ আশপাশের বসতবাড়িতে না ঢোকে, সেজন্য বাঁধের ভেতর দিয়ে পাইপ বসিয়েছেন। এতে বাঁধের কোনো ক্ষতি হবে না দাবি করেন সোহেল তাজ। তাঁর ভাষ্য, অন্য বালু ব্যবসায়ীরাও চরের মধ্যে পাইপ বসিয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৫ নম্বর পোল্ডারের উপসহকারী প্রকৌশলী সুমন রায়ের ভাষ্য, তাঁকে বিষয়টি আগে কেউ জানায়নি। এভাবে বাঁধ ছিদ্র করার কোনো সুযোগ নেই। পরিদর্শনে সেখানে লোক পাঠানো হচ্ছে। সত্যতা মিললে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।