যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

প্রকাশের তারিখের ১৪ দিনের মধ্যে ঘটেছে, হিংসাত্মক কুপি ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা রয়েছে এবং স্থানটি বাংলাদেশে, তাই সব সিদ্ধান্ত ট্রেস ফ্ল্যাগ সত্য এবং এটি রাজনৈতিক হিংসা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Reported by:JugantorSingle source
13/07/26•Khajura Bazar Telpump

Killed

1

Injured

0

Summary

১২ জুলাই ২০২৬-এ খাজুরা বাজার তেলপাম্পে যুবদল নেতা রুবেল হোসেনকে রাব্বি ধারালো ছুরিকায় আক্রমণ করে হত্যা করা হয়। পরে বিক্ষুব্ধরা রাব্বির বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Awami League

Other actors

রুবেল হোসেনরাব্বিরাব্বির বোনফারোজা বেগম (মা)রাজিব হোসেন (ভাই)শাহজালাল আলম (বাঘারপাড়া থানা ওসি)

Affected infrastructure

House (Rabi's residence)

Tags

MurderArsonPolitical Assassination

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 14/07/26open original ↗

যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, লাশ নিয়ে বিক্ষোভ Advertisement যশোর ব্যুরো প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ যশোরের বাঘারপাড়ায় রুবেল হোসেন (৩৮) নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় বিচার চেয়ে তার লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী। সোমবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার খাজুরা বাজার তেলপাম্প এলাকায় যশোর-মাগুরা মহাসড়কে এই বিক্ষোভ করা হয়। আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা এ কর্মসূচিতে নিহত রুবেলের স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা অংশ নেন। পরে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত দাবি করে বিক্ষুব্ধরা তেলীধান্যপুড়ার বাসিন্দা রাব্বির বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান। নিহত রুবেল বন্দবিলা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ডভ্যানের চালক ছিলেন। তিনি উপজেলার তেলীধান্যপুড়া গ্রামের মোনতাজ ঢালীর ছেলে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের সামনে রুবেল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশের ধারণা, পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে রুবেল বাইরে থেকে কাভার্ডভ্যান চালিয়ে খাজুরায় আসেন। কাভার্ডভ্যানটি যশোর-মাগুরা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে খাজুরা তেলপাম্পে রেখে পাশের বাড়িতে যান। পরে সেখান থেকে হেঁটে তেলপাম্পের দিকে যাওয়ার সময় খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের সামনে তার পথরোধ করেন তার বোনের দেবর একই গ্রামের রাব্বিসহ তিন থেকে চারজন। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রুবেলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন রাব্বি। পরে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। তখন স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় রুবেলকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিকালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে তার লাশ হস্তান্তর করে পুলিশ। পরে খাজুরা বাজার বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদের সামনে জানাজা শেষে রুবেলকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। নিহত রুবেলের মা ফিরোজা বেগম আহাজারি করে বলেন, ‘প্রায়ই স্থানীয় বখাটেদের নিয়ে রাব্বি তেলীধান্যপুড়া উলুমুল হাফেজিয়া কুরআন মাদ্রাসা মাঠে আড্ডা দিতেন। একদিন মাদ্রাসার হুজুর রাব্বিকে এখানে আড্ডা দিতে নিষেধ করেন। এজন্য রাব্বি হুজুরকে নানা আজেবাজে কথা বলে হুমকি দেন। এ কারণে রাব্বিকে চড় মারেন রুবেল। সেই থেকে রাব্বি প্রতিশোধের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সেই প্রতিশোধ হিসাবে রাব্বি ধারালো অস্ত্র দিয়ে রুবেলের বুকে, পিঠে ও মুখে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।’ নিহতের ভাই রাজিব হোসেন জানান, ‘রুবেলকে মারতে রাব্বির সঙ্গে আরও দুই থেকে তিনটি মোটরসাইকেল এসেছিল।’ বাঘারপাড়া থানার ওসি শাহজালাল আলম বলেন, হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনার পর থেকে পলাতক। তাকে ধরতে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।