বরিশালে ফ্যাসিস্টের আস্তানা ও কার্যালয় উৎখাত
Why this classification
The article reports on the arson of political offices and residences in Barishal by the public following the news of the Prime Minister's departure.
Killed
0
Injured
0
Summary
শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বরিশালে জনতা রাজপথে নেমে আসে এবং শাসকগোষ্ঠীর বাসভবন ও কার্যালয় পুড়িয়ে দেয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ক্ষোভের আগুনে পোড়ে ফ্যাসিস্টের আস্তানা
ক্ষোভের আগুনে পোড়ে ফ্যাসিস্টের আস্তানা বরিশালে পথে লাখো জনতা Advertisement মনিকা চৌধুরী, বরিশাল প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আর দশটা দিনের মতো সেদিনও সূর্য উঠেছিল পুবাকাশে। অস্থিরতার পাশাপাশি ছিল তীব্র আতঙ্ক। রাজধানীতে তখন সর্বাত্মক দ্রোহের আয়োজন। ইতোমধ্যে খবর আসে, পালিয়েছেন ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা। এর পরপরই বরিশালে লাখো নারী-পুরুষ নেমে আসেন রাজপথে। আনন্দ-উল্লাসের পাশাপাশি শুরু হয় ফ্যাসিস্টের আস্তানার উৎখাত। জনতার ক্ষোভের আগুনে পুড়ে যায় অত্যাচারী শাসকগোষ্ঠীর বাসভবন আর কার্যালয়। জনতার সেই বিজয়োল্লাসের নেপথ্যে ছিল টানা ৩৬ দিনের উত্তাল আন্দোলন। ছিল রক্তাক্ত রাজপথ, অশ্রু, গুলির শব্দ, ধাওয়া-পালটাধাওয়া আর অগণিত তরুণের আত্মত্যাগে কেটে যাওয়া দিন-রাত্রি। প্রতিটি কর্মসূচির আগে পরিবারের সঙ্গে শেষবারের মতো কথা বলে বেরিয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। বিকালে ঘরে ফিরতে পারবেন কিনা, সেই নিশ্চয়তা ছিল না কারও। জুলাইয়ের প্রতিটি দিনই ছিল আন্দোলনকারীদের কাছে প্রতিরোধের আখ্যান। বরিশালের রাজপথে প্রতিদিনই জমেছে মিছিল। কখনো হামলা, কখনো গুলির শব্দ, কখনো আহতদের আর্তনাদ-সব মিলিয়ে নগরজুড়ে নেমে এসেছিল এক অমানিশার অন্ধকার। মানুষের মুখে ছিল ক্ষোভ, চোখে ছিল পরিবর্তনের দীর্ঘ আকাঙ্ক্ষা। ৫ আগস্টের সকালটাও ছিল তেমনই টানটান উত্তেজনার। শহরের প্রধান প্রধান সড়কে ছিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের অস্ত্রের মহড়া। বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র হাতে তাদের অবস্থান ছিল, ছিল ক্ষমতার দাপটের আস্ফালন। দুপুর ১টা ১০ মিনিট। হঠাৎ করেই খবর ছড়িয়ে পড়ে-শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। মুহূর্তেই বদলে যায় গোটা দেশ, গোটা বরিশালের চিত্রপট। যে শহরে কিছুক্ষণ আগেও ছিল আতঙ্ক, সেই শহরের রাস্তায় নেমে আসেন হাজারো মানুষ। কেউ ছুটে গিয়ে অপরিচিত মানুষকে জড়িয়ে ধরছেন, কেউ কান্নায় ভেঙে পড়ছেন, কেউ মিষ্টি বিতরণ করছেন। দীর্ঘ ৩৬ দিন ধরে রাজপথে থাকা শিক্ষার্থীদের চোখে তখন ক্লান্তির সঙ্গে মিশে ছিল বিজয়ের আনন্দ। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে নগরীর অলিগলি থেকে প্রধান সড়ক। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ শুধু আনন্দ হয়ে থাকেনি। বহু বছরের জমে থাকা ক্ষোভ বিস্ফোরিত হতে শুরু করে।
