মুচলেকায় মুক্তি পাওয়া যুবক এখন পুলিশি হেফাজতে
Why this classification
A man allegedly lured a third-grade student to a secluded garden and tried to rape her, and local people then caught and beat him. This is a specific, recent incident with physical violence, a child victim, and at least one person hospitalised, so it is classified as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের বিষ্ণপুরে ২১ মে ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) লিচুর লোভ দেখিয়ে এক তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়, এরপর স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পুলিশ পরে তাকে মুচলেকায় ছেড়ে দেয়, তবে শুক্রবার (২২ মে) বিষয়টি নিয়ে তৎপরতার পর তাকে আবার পুলিশি নজরদারিতে নেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, মুচলেকায় ছাড়া পেলেন অভিযুক্ত
গাইবান্ধা তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, মুচলেকায় ছাড়া পেলেন অভিযুক্ত প্রতীকী ছবি গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬ | ০৯:৪৩ | আপডেট: ২২ মে ২০২৬ | ১০:০১ গাইবান্ধার সদর উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক এক যুবককে মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাপুর উপজেলার এক ব্যক্তি সদর উপজেলায় একটি লিচুবাগান কেনেন। তার ছেলে বাগানটি দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন। গতকাল দুপুরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বাগানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে লিচু দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাগানের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে ওই যুবক। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে তার দাদা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে গ্রাম পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতেই বিষয়টি আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। পরে সদর থানা পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক এসে একটি ফাঁকা কাগজে মুচলেকা নিয়ে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান সরকার বলেন, স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে তার কাছে নিয়ে এলে তিনি থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়। তিনি দাবি করেন, মুচলেকায় ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ স্বাক্ষর করেননি এবং তিনিও তাতে স্বাক্ষর করেননি। তিনি আরও জানান, বিষয়টি আপস-মীমাংসার জন্য কয়েক দফা আলোচনা হয়েছিল। এমনকি মেয়ের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা হয়নি। গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সুমঙ্গল জানান, 'ঘটনাটির সত্যতা পাওয়া যায়নি। তাই চেয়ারম্যান মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন। দেশের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এ ধরনের অপরাধীকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, 'অবশ্যই আমরা এসব বিষয়ে সতর্ক আছি।' - বিষয় : - গাইবান্ধা - ধর্ষণচেষ্টা - আটক
মাদকাসক্ত ভাতিজার হাতে ফুফু খুন, মা-চাচি আশঙ্কাজনক
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে সোহেল (৩০) নামে মাদকাসক্ত ভাতিজার হাতে খুন হয়েছেন ফুফু জহুরা বেগম (৬০)। একই সাথে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ওই যুবকের মা আনোয়ারা বেগম (৫২) ও চাচি জুলেখা বেগমকে (৪৬)। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলছড়ি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা। সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাজেতেলকুপি (চর নিশ্চিন্তপুর) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত যুবক সোহেল ওই গ্রামের মৃত সামু মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক। নিহত জহুরা বেগম ওই এলাকার মৃত কাবেল শেখের মেয়ে। দীর্ঘদিন আগে তার স্বামীর মৃত্যু হয়। এরপর থেকে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকেন। এতিম ভাতিজাদের মানুষ করতেই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি। এছাড়া গুরুতর আহত জুলেখা ছমের মিয়ার স্ত্রী। স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে ঘুম থেকে উঠেই বঁটি জাতীয় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ওই যুবক প্রথমে তার মা আনোয়ারাকে আঘাত করেন। এ সময় মা চিৎকার করে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে চাচি জুলেখাকে পেয়ে তার শরীরে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। পরে ফুফু জহুরা আসলে তারও পেটে আঘাত করেন এবং কোপে দিয়ে এক হাত কেটে ফেলেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনায় গুরুতর আহত আনোয়ারা বেগম ও জুলেখা বেগমকে স্বজন ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতলে নেয়। কিন্তু তাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে রংপুরে পাঠান। অন্যদিকে বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা অভিযুক্ত যুবককে আটকে রেখে ফুলছড়ি থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। নিহতের অপর ভাইয়ের ছেলে ফুল মিয়া জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠেই বঁটি দিয়ে ফুফুকে খুন করে সোহেল। প্রথমে ওর মায়ের মাথায় কোপ দেয়। পরে চাচিকে পেয়ে তাকে এলোপাতাড়িভাবে কোপ দিয়ে নাক-মুখ, হাঁটুসহ সারা শরীর রক্তাক্ত করে। পরে ফুফুকে পেয়ে তার একটি হাত প্রায় কেটে ফেলে এবং পেটেও কোপ দেয়। এতে ফুফু ঘটনাস্থলেই মারা যায়। তিনি বলেন, আমি আহতদেরকে নিয়ে রংপুরে আছি। আমরা এখনো জানি না কেন এমন করলো সোহেল। ২-৩ দিন থেকে ও পাগলামো করছিল। ফুলছড়ি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, স্থানীয়রা জানিয়েছেন অভিযুক্ত যুবক নেশা করে। স্থানীয়দের খবরে আমরা তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসতেছি, নৌকায় পথিমধ্যে আছি। এর বেশি কিছু জানা যায়নি। থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জানা যাবে। মাসুম বিল্লাহ/আরএআর
মুচলেকায় মুক্তি পাওয়া যুবক এখন পুলিশি হেফাজতে
গাইবান্ধায় শিশু ধর্ষণচেষ্টা মুচলেকায় মুক্তি পাওয়া যুবক এখন পুলিশি হেফাজতে Advertisement গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গাইবান্ধায় শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে আটকের পর মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের বিষ্ণপুরে বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বিষ্ণপুর গ্রামের চক ভগবানপুরের বাসিন্দা ইমরান লিচু দেওয়ার প্রলোভনে নির্জন বাগানে ডেকে নিয়ে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় আশপাশের লোকজন মেয়েটির চিৎকারে এগিয়ে তাকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে অবগত করেন। তিনি পুলিশের এক এএসআইকে ঘটনাস্থলে পাঠান। অবশেষে পুলিশ বিষয়টি আমলে না নিয়ে আটক বখাটে যুবককে একটি মুচলেকায় স্বাক্ষর নিয়ে মুক্তি দেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে গাইবান্ধা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ নড়েচড়ে বসে। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ ওই অভিযুক্ত যুবককে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের নজরদারিতে নেয়।
