তিন মন্দিরে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় দম্পতি গ্রেপ্তার

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

প্রবন্ধে ৭ অক্টোবর রমনা কালী মন্দির থেকে স্বর্ণ চুরির ঘটনা এবং সংশ্লিষ্ট দম্পতির গ্রেপ্তার উল্লেখ আছে, যা একটি নির্দিষ্ট অপরাধমূলক (ডাকাতি) ঘটনার বর্ণনা; তাই এটি হিংসা হিসেবে গণ্য এবং ১৪ দিনের রিকেন্সি শর্ত পূরণ করে।

Reported by:Dhaka PostSingle source
07/10/26•Ramna Kali Temple

Killed

0

Injured

0

Summary

রমনা কালী মন্দির থেকে ৭ অক্টোবর প্রায় ৬ আনা স্বর্ণ চুরি করা দম্পতি লিপি কর্মকার ও অর্ণব রায় দীপ্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তারা পূর্বে অন্যান্য মন্দিরে চুরি করার অভিযোগেও জড়িত।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 2

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

লিপি কর্মকার (২৯)অর্ণব রায় দীপ্ত (৩০)মো. ফারুক হোসেন (ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার)সুজিত চক্রবর্তী (মন্দিরের পুরোহিত)মুহিন (সাদিয়া জুয়েলার্সের দোকান মালিক)

Affected infrastructure

স্বর্ণের বিগ্রহ (মন্দিরের সম্পদ)

Tags

Robbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 13/10/26open original ↗

তিন মন্দিরে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় দম্পতি গ্রেপ্তার

ঢাকার রমনা কালী মন্দিরে বিগ্রহের স্বর্ণ চুরির ঘটনায় এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন তারা হলেন— লিপি কর্মকার (২৯) ও অর্ণব রায় দীপ্ত (৩০)। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, তারা মোট তিনটি মন্দির থেকে চুরি করেছে বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে এবং তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে, আরও কোনো ঘটনায় তারা জড়িত কি-না। গেল ৭ অক্টোবর দিনের কোনো এক সময় কে বা কারা রমনা কালী মন্দিরে বিগ্রহের মুখ থেকে প্রায় ৬ আনা ওজনের স্বর্ণ চুরি করে নিয়ে যায়, যার আনুমানিক মূল্য ৮০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় ওই মন্দিরের পুরোহিত সুজিত চক্রবর্তী শাহবাগ থানায় একটি অভিযোগ দিলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। মো. ফারুক হোসেন বলেন, সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় চোর শনাক্ত করতে মাঠে নামে পুলিশ। উত্তরখানের দোবাদিয়া এলাকা থেকে গত রোববার সকালে ওই দম্পতিকে আটক করা হয়। সেদিনই শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয় এবং তাদেরকে আদালতে পাঠালে তারা ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। তিনি বলেন, তাদের দেওয়া তথ্যে সোমবার দক্ষিণখান এলাকায় ‘সাদিয়া জুয়েলার্সে’ অভিযান চালিয়ে চোরাই স্বর্ণ কেনার অপরাধে দোকান মালিক মুহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। চুরির দিনই লিপি কর্মকার ওই দোকানে গিয়ে স্বর্ণ বিক্রি করেছিলেন। গ্রেপ্তার মুহিনের কাছ থেকে ২ আনা ১ রতি ৪ পয়েন্ট স্বর্ণের পাত উদ্ধার করা হয়েছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির থেকেও স্বর্ণ চুরির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় রমনা থানায় আরেকটি মামলা হয়েছিল। এ ঘটনায়ও এই দম্পতির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এই দম্পতিই গত ১১ সেপ্টেম্বর নারায়নগঞ্জের দেওভোগে লোকনাথ মন্দির থেকে লেকনাথের বিগ্রহের গলার স্বর্ণের চেইন চুরি করে পালানোর সময় মন্দিরের পুরোহিতের হাতে ধরা পড়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, হাতেনাতে তাদেরকে ধরলেও মন্দির কমিটির সদস্যরা পরে তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছিল। পুলিশ কর্মকর্তা ফারুক বলেন, মন্দিরে চুরির বিষয়টি সেনসিটিভ, সামনেই দুর্গাপূজা। আমরা এই চুরির ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা তাদের ব্যাপারে তিনটি ঘটনা পেয়েছি। আরও কোনো ঘটনা আছে কি-না আমরা রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করব। ঘটনার সঙ্গে অন্য কারো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি-না তা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার ফারুক বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে দুর্গাপূজার কোনো সম্পর্ক নেই, ১৬ অক্টোবর দুর্গাপূজা উদযাপন শুরু হবে। আমাদের পর্যাপ্ত ডেপ্লয়মেন্ট রয়েছে, কোথাও কোনো সহিংসতা বা কোনো সমস্যা হয়নি। আমরা মনে করি, সুন্দরভাবে পূজা উদযাপিত হবে, কোনো ধরনের দুর্ঘটনার কোনো শঙ্কা নেই। এমএসি/এসএএস