নৌকায় বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে ও গুলি করে হত্যা
Why this classification
This event qualifies as relevant violence because it involves the targeted killing and murder of two individuals during a violent internal conflict within a criminal faction in Bangladesh within the 14-day recency window.
Killed
2
Injured
0
Summary
২৬ আগস্ট ২০২৬ রাতে সুন্দরবনের ভদরা-টগিবগি খালে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও চাঁদাবাজির অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে বিদ্রোহীদের হামলায় দস্যু বাহিনীর প্রধান হারুন ওরফে মাঞ্জু ও তার ভাগনে নিহত হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
নৌকায় বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে ও গুলি করে হত্যা
ভাসছে মামা-ভাগনের লাশ নৌকায় বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে ও গুলি করে হত্যা Advertisement আমির হোসেন আমু, মোংলা (বাগেরহাট) প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সুন্দরবনে নিজ দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সহযোগী সশস্ত্র বিদ্রোহীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন দস্যু বাহিনীর প্রধান হারুন ওরফে মাঞ্জু ও তার ভাগনে। দলের কর্তৃত্ব ও অর্থ ভাগাভাগির বিরোধে গহীন বনে তাদের এ করুণ পরিণতি হয়। সপ্তাহখানেক ধরে সুন্দরবনের পশ্চিম বিভাগের ভদরা-টগিবগি খালে নৌকার সঙ্গে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মাঞ্জুর লাশ এবং পানিতে তার ভাগনের গুলিবিদ্ধ লাশ ভাসতে দেখেছেন জেলেরা। তবে ভয়ে কেউ লাশ উদ্ধারে এগিয়ে যাননি। জেলেদের সূত্রে জানা গেছে, বছর দেড়েক আগে ৮ থেকে ১০ জন সদস্য নিয়ে নিজ নামে মাঞ্জু বাহিনী গঠন করেন হারুন ওরফে মাঞ্জু। এরপর দাপটে সুন্দরবনের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বিচরণ করত এ বাহিনী। নিরীহ জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ২৬ আগস্ট রাতে ভদরা-টগিবগি খালে দলের নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজির অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে বিদ্রোহীদের সঙ্গে মাঞ্জুর বিরোধ বাধে। বিদ্রোহীরা অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নেয়। এ সময় ভাগনে এগিয়ে এলে তার বুকে ও মাথায় গুলি করা হয়। পরে জীবিত মাঞ্জুর হাত-পা বেঁধে দলের নৌকার গুড়ায় উপুড় করে পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। খুলনার দাকোপ উপজেলার বানিশান্তা ইউনিয়নের রেখামারী গ্রামের জেলে সামাদ গাজী জানান, সুন্দরবন থেকে ফেরার পথে তিনি ও তার ছেলে উলটো অবস্থায় ভাসতে থাকা একটি নৌকা দেখতে পান। কাছে গিয়ে হাত-পা বাঁধা লাশ দেখতে পান। মাছ-কাঁকড়া ঠুকরে খাওয়ায় মুখের এক পাশ ক্ষতবিক্ষত ছিল। পোশাক দেখে তারা সেটি মাঞ্জুর লাশ বলে শনাক্ত করেন। জেলেদের বরাতে স্থানীয় এক মৎস্য ব্যবসায়ী জানান, ২৮ আগস্ট সকালে খালে একটি গুলিবিদ্ধ লাশ ভাসতে দেখা যায়। পরে মাঞ্জুর লাশও নৌকায় বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে তার ভাগনের পরিচয় জানা যায়নি। বুধবার জেলেরা জানান, ঘাগরামারী খালে ভাসতে থাকা নৌকাটি এবং ভদরা খালে থাকা লাশ আর দেখা যাচ্ছে না। তাদের ধারণা, লাশটি পানিতে তলিয়ে গেছে। দাকোপের ঢাংমারীর মাঞ্জুর শ্বশুরবাড়ির স্বজনরা গোপনে বনের বিভিন্নস্থানে লাশের সন্ধান করছেন। বন বিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মাদ রেজাউল করিম বলেন, ভদরা পশ্চিম বিভাগের অধীন। ঘাগরামারী পূর্ব বিভাগের অধীন হলেও এমন ঘটনা বন বিভাগ জানে না। খোঁজ নিয়ে সত্যতা পেলে জানানো হবে। বানিশান্তা নৌপুলিশের ইনচার্জ সুনীত কুমার বলেন, বনের ভেতরের খালে তারা টহল দেন না। সেখানে বনরক্ষীরা টহল দেন। তাই ঘটনাটি তার জানা নেই।
