গৃহবধূকে শারীরিক নির্যাতন ও হত্যা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

প্রবন্ধে কোনো রাজনৈতিক দল বা সংঘের অংশগ্রহণের উল্লেখ নেই; এটি স্বামী-স্ত্রীর গৃহহিংসা ও হত্যার ঘটনা, তাই রাজনৈতিক হিংসা হিসেবে বিবেচিত হয় না।

Reported by:SamakalSingle source
27/07/26•বিষমডাঙ্গা, দেশীগ্রাম ইউনিয়ন

Killed

1

Injured

0

Summary

রাত ২৭ জুলাই তানিয়া ইসলামকে তার স্বামী মো. শাহ পরান রশি দিয়ে বাঁধে মারধর করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার অভিযান চালাচ্ছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

তানিয়া ইসলামমো. শাহ পরানসোরহাব আলীমো. হাবিবুর রহমান

Tags

Domestic ViolenceMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 27/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 28/07/26open original ↗

বাথরুমজুড়ে ছোপ ছোপ রক্ত, রশি দিয়ে হাত-পা বাঁধা গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

বাথরুমজুড়ে ছোপ ছোপ রক্ত, রশি দিয়ে হাত-পা বাঁধা গৃহবধূর লাশ উদ্ধার ছবি: সমকাল তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬ | ১৬:৩৫ সিরাজগঞ্জের তাড়াশে তানিয়া ইসলাম (২২) নামে এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী মো. শাহ পরানের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের বিষমডাঙ্গা গ্রামে তানিয়ার বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তানিয়া ওই গ্রামের সোরহাব আলীর মেয়ে। আজ মঙ্গলবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তানিয়ার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিরাজগঞ্জ শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধারের সময় তানিয়ার হাত-পা রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলের বাথরুমে ছোপ ছোপ রক্তও ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের পর তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের বাবা সোরহাব আলী মঙ্গলবার দুপুরে জামাতা মো. শাহ পরানকে আসামি করে তাড়াশ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার বাসিন্দা আক্তার হোসেনের ছেলে শাহ পরানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তানিয়ার। পরে তাদের বিয়ে হয়। তবে ছেলের পরিবার বিয়ে মেনে না নেওয়ায় তানিয়ার বাবার বাড়িতেই তারা বসবাস করছিলেন। স্বজনদের ভাষ্য, সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান। পরে রাতের কোনো এক সময়ে শাহ পরান ঘরের ভেতরের বাথরুমে নিয়ে তানিয়ার হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে মারধর করেন। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে তাকে হত্যা করে পালিয়ে যান। আজ সকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরের দরজা খোলা দেখে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে বাথরুমে তানিয়ার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। - বিষয় : - সিরাজগঞ্জ - গৃহবধূ - মরদেহ উদ্ধার