সৈনিক লীগ নেতার ছেলে ও তার সহযোগীদের কোপে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a sharp‑weapon attack by members linked to the Soldier League (Awami League) that killed a civilian mason, occurring in Shyamangor, Satkhira within the last 14 days, thus meeting the definition of violence.

Reported by:SamakalSingle source
08/10/26•Shyamangor

Killed

1

Injured

0

Summary

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সৈনিক লীগ নেতা ইসরাফিল হোসেনের ছেলে ও তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ৬২ বছর বয়সী মোজাম মিস্ত্রিকে আক্রমণ করে, তিন দিন পর তিনি খুলনা হাসপাতালে মারা যান। ঘটনায় কোনো পার্টি অফিস বা সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, তবে রাজনৈতিক পার্টি ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ দেখা যায়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

94% · severity 8

Perpetrator side

Awami League

Victim side

Locals

Other actors

ইসরাফিল হোসেনবিল্লাল হোসেন বাবুমোজাম মিস্ত্রিতফাজ্জল মিস্ত্রিসাগরআনোয়ারআবুজারজবেদ আলীসাফিউল ইসলাম

Tags

Political AssassinationParty Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 14/10/26open original ↗

সৈনিক লীগ নেতার ছেলে ও তার সহযোগীদের কোপে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু

সৈনিক লীগ নেতার ছেলে ও তার সহযোগীদের কোপে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু নিহত মোজাম মিস্ত্রি ও সৈনিক লীগ নেতার ছেলে বিল্লাল হোসেন বাবু শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১৫:২৪ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সৈনিক লীগ নেতা ইসরাফিল হোসেনকে গ্রেপ্তারের জেরে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত মোজাম মিস্ত্রি (৬২) মারা গেছেন। হামলার তিন দিন পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খুলনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মোজাম মিস্ত্রি উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের মিস্ত্রির ছেলে। ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার রাতে তাঁর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। নিহতের ছেলে তোফাজ্জল মিস্ত্রি, পৌত্র জাহিদ হোসেন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, শনিবার রাত ৮টার দিকে বিল্লাল হোসেন বাবু, সাগর, আনোয়ার, আবুজার, জবেদ আলীসহ ইসরাফিলের লোকজন মোজামকে খুঁজতে শুরু করেন। তাঁরা কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পৌরসদরের মঠবাড়ি, গৌরীপুর বাজারমোড়সহ আশপাশের এলাকায় তাঁর সন্ধান করেন। পরে গোপালপুর-সোয়ালিয়া সংযোগ সড়কের একটি কালভার্টের ওপর মোজামকে পেয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঘটনাস্থলের পাশের এক গৃহবধূ জানান, রাতের খাবার খেয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে তিনি চিৎকার শুনতে পান। প্রতিবেশী আরেক নারীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ১০ থেকে ১২ জনকে দ্রুত চলে যেতে দেখেন। পরে পথচারীদের সহায়তায় পাশের খালের পানি থেকে মোজামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই গৃহবধূর দাবি, হাসপাতালে নেওয়ার সময় মোজাম হামলায় জড়িত কয়েকজনের নাম জানিয়েছিলেন। হামলাকারীরা তাঁকে মৃত ভেবে কালভার্ট থেকে খালে ফেলে দেয় বলেও দাবি করেন তিনি। তোফাজ্জল মিস্ত্রির ভাষ্য, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শ্যামনগর থানা পুলিশ পুরোনো একটি নাশকতার মামলায় ইসরাফিল হোসেনকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। ইসরাফিল উপজেলা সৈনিক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং শ্যামনগরের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জহুরুল হায়দার বাবুর সহযোগী। পূর্ববিরোধের জেরে তাঁর বাবার সহায়তায় ইসরাফিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে—এমন ধারণা থেকে প্রতিপক্ষের লোকজন মোজামকে খুঁজতে বের হন বলে অভিযোগ করেন তোফাজ্জল। তাঁর অভিযোগ, বাবাকে হত্যার ঘটনায় ইসরাফিলের ছেলে বিল্লাল হোসেন বাবুসহ জহুরুল হায়দার বাবুর লোকজন জড়িত। তাঁদের কয়েকজন বর্তমানে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত। এ সুযোগে স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতা অভিযুক্তদের রক্ষার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শ্যামনগর থানার ওসি সাফিউল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনায় রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এজাহার পেলে মামলা করা হবে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনের নাম-পরিচয় পুলিশ সংগ্রহ করেছে। - বিষয় : - সাতক্ষীরা - কুপিয়ে জখম - মৃত্যু