সেই অভিযুক্তের সঙ্গে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে
Why this classification
This is a valid incident because on Thursday night, 8 October 2026, local village officials forced an eight-month-pregnant schoolgirl, who had been raped eight months earlier, to marry her rapist in Kalighat Bazar, Dhamrai, after pulling her family away from the police station. The rape itself happened eight months ago, but the coerced marriage is a new act within the 14-day window, and the accused had earlier threatened the family with a knife.
Killed
0
Injured
0
Summary
ঢাকার ধামরাইয়ে বালিয়া ইউনিয়নে ৮ মাস আগে ধর্ষণের শিকার অন্তঃসত্ত্বা তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে গত ৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার রাতে) চৌকিদার ও মাতব্বরদের মধ্যস্থতায় ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। থানায় অভিযোগ দিতে যাওয়া ভুক্তভোগী পরিবারকে ফিরিয়ে এনে এবং পুলিশের অভিযানের মধ্যেই কালীঘাট বাজারে এই বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সেই অভিযুক্তের সঙ্গে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে
ধামরাইয়ে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা, মীমাংসা করলেন চৌকিদার ও মাতব্বর সেই অভিযুক্তের সঙ্গে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে Advertisement ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঢাকার ধামরাইয়ে আট মাস আগে ধর্ষণের শিকার তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রীর বিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই ধর্ষকের সঙ্গেই। বৃহস্পতিবার রাতে বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের এক চৌকিদার ও সুন্দর কাঁঠালিয়া গ্রামের এক মাতব্বরের নেতৃত্বে এ বিয়ে সম্পন্ন হয়। ধর্ষণের ঘটনা মীমাংসা করতে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়া শিশুটিকে বিয়ে দেওয়া হয় বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। ধামরাই থানায় অভিযোগ দিতে আসা ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজনকে থানা থেকে ফিরিয়ে নিয়ে এ বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের কালীঘাট বাজারের এক ট্রাকচালকের বাড়িতে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বালিয়া ইউনিয়নের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুকে আট মাস আগে ধর্ষণ করে সরবেশ আলীর ছেলে মাদ্রাসাছাত্র আলামিন হোসেন। ধর্ষণের পর ঘটনাটি পরিবারের কাউকে না জানাতে গরু জবাইয়ের ছুরি দিয়ে ওই শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদের জবাই করার হুমকি দেয় আলামিন। এদিকে ওই স্কুলছাত্রীর দেহের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি দেখে ৮ মাস পর তার ডাক্তারি পরীক্ষায় আট মাসের অন্তঃসত্তার বিষয়টি জানতে পারে পরিবার। এরপর গ্রাম্য সালিশি বৈঠকে ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও বিয়েতে অসম্মতি জানায় মাদ্রাসাছাত্র আলামিন হোসেন। গত মঙ্গল ও বুধবার সালিশি বৈঠকে কোনো সমঝোতা না হলে ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন বৃহস্পতিবার রাতে ধামরাই থানায় অভিযোগ দায়ের করতে যান। থানা কম্পাউন্ডে পৌঁছানোর পর চৌকিদার বাসের আলী ও মাতব্বর জিন্নাত আলী মোবাইল ফোনে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর চাচাকে ডেকে নিয়ে মীমাংসার কথা বলেন। বিষয়টি টের পেয়ে কাবলিপাড়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. ইলিয়াস হোসেনের নির্দেশে পুলিশ সুন্দর কাঁঠালিয়া গ্রামে অভিযান চালায়। পুলিশের তাড়া খেয়ে চৌকিদার ও জিন্নাত আলী মাতব্বর স্কুলছাত্রী ও আল আমিন হোসেনকে সঙ্গে করে বালিয়া ইউনিয়নের কালীঘাট বাজারে এক ট্রাকচালকের বাড়িতে গিয়ে ধর্ষণের ঘটনাটি মিটমাট করে। এরপর মসজিদের ইমাম ডেকে তাদের বিয়ে পড়িয়ে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে বাসের আলী চৌকিদার বলেন, আমি ইউনিয়ন পরিষদের একজন চৌকিদার। আইন-কানুন সবই জানি। মেয়েটি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। কাজেই মামলা-মোকদ্দমা বাদ দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। কাউয়ালীপাড়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ কয়েক দফা অভিযান চালিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার বাদী না হলে পুলিশের কী করার আছে?
