পাঠাওয়ের তথ্য চুরির দাবি ঘিরে সাইবার আতঙ্ক

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

The article reports a hacking and ransom demand against a Bangladeshi company, which qualifies as a cyber attack (included in the definition of attacks). It is recent (published on 2026-10-12) and the alleged act occurred in Bangladesh, so it is classified as a violence incident.

Reported by:JugantorSamakalDhaka PostProthom AloCorroborated · 4 sources
12/10/26•Pathao ডেটা সেন্টার

Killed

0

Injured

0

Summary

একটি আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধী চক্র পাঠাওয়ের প্রায় ১৩৩ গিগাবাইট ডেটা চুরি করে র্যানসমের দাবি করেছে। ডার্ক ওয়েবে প্রকাশিত স্ক্রিনশটে ২৫ কোটি সারির ব্যবহারকারী তথ্যের তালিকা উল্লেখ আছে, তবে দাবির সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধী চক্রডার্ক ওয়েব পর্যবেক্ষক এক্স অ্যাকাউন্ট ‘ডেইলি ডার্ক ওয়েব’

Affected infrastructure

ডেটা সার্ভারইউজার ডেটাবেস

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 12/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 12/10/26open original ↗

মোহাম্মদপুরে ভ্যানিটি ব্যাগে হাতবোমা সদৃশ বস্তু

মোহাম্মদপুরে ভ্যানিটি ব্যাগে হাতবোমা সদৃশ বস্তু স্থানীয় লোকজন ঢাকা উদ্যান এলাকায় আদাবর থানার জন্য নির্ধারিত জায়গার পাশে একটি ভ্যানিটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। ছবি: সমকাল সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬ | ১৫:৩৭ | আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬:০৩ রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকায় একটি ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে হাতবোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় এসআরবি-২-এর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল। পরে ব্যাগসহ বস্তুগুলো উদ্ধার করে তারা। বিকেলে সমকালকে এসব তথ্য জানান এসআরবি-২-এর অপারেশন অফিসার মো. সজীব হোসেন। স্থানীয় লোকজন ঢাকা উদ্যান এলাকায় আদাবর থানার জন্য নির্ধারিত জায়গার পাশে একটি ভ্যানিটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে সেখানে গিয়ে তৎপরতা শুরু করেন এসআরবি সদস্যরা। এসআরবি কর্মকর্তা মো. সজীব হোসেন বলেন, ঢাকা উদ্যান এলাকায় ককটেল সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। এসআরবির বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল সেগুলো যাচাই করে নিয়ে এসেছে। রায়েরবাগ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের পাশে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে। ঘটনাস্থলে এসআরবি সদস্যদের পাশাপাশি মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশের সদস্যরাও রয়েছেন। - বিষয় : - মোহাম্মদপুর - হাতবোমা - এসআরবি - উদ্ধার

Source 2: Dhaka Post · 12/10/26open original ↗

চকবাজারের আগুন ছড়িয়েছে আরেকটি ভবনে, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট

1. চকবাজারের আগুন ছড়িয়েছে আরেকটি ভবনে, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট ! নিজস্ব প্রতিবেদক ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৪০ 161 Shares ! ! ! Follow অ+ অ- Follow অ+ অ- ! রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে ‘মনজুর খান প্লাজা’ নামের একটি সাততলা ভবনের ষষ্ঠ তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট কাজ করছে। ফায়ার সার্ভিস জানায়, প্রথমে আগুন লাগা ভবনটি থেকে পরে পাশের আরেকটি ভবনেও আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। বিজ্ঞাপন সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। আগুনের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, শুরুতে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। তবে ভবনে প্রচুর ধোঁয়া থাকায় ফায়ার ফাইটারদের কাজ করতে বেশ বেগ পেতে হয়। এরই মধ্যে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও পরে তা পাশের আরেকটি ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বর্তমানে মোট ৯টি ইউনিট কাজ করছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিংবা হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞাপন এমএসি/এমএন অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন বিজ্ঞাপন আরও পড়ুন নিয়ন্ত্রণে ১০ ইউনিট চকবাজারে আগুন : ধোঁয়া ও পানি স্বল্পতায় বেগ পেতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসকে](https://www.dhakapost.com/national/490008) চকবাজারে আগুন : ২ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে ফায়ার সার্ভিসের সময় লাগে ২০ মিনিট](https://www.dhakapost.com/national/490006) চকবাজারে আগুন : প্লাস্টিক পণ্য থাকায় নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের বেগ](https://www.dhakapost.com/national/490000) চকবাজারে সাততলা ভবনের মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট](https://www.dhakapost.com/national/489933) ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. কামরুল ইসলাম ৯৫ সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ, বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন, ঢাকা ১২১২।

Source 3: Jugantor · 12/10/26open original ↗

পাঠাওয়ের তথ্য চুরির দাবি ঘিরে সাইবার আতঙ্ক

পাঠাওয়ের তথ্য চুরির দাবি ঘিরে সাইবার আতঙ্ক Advertisement আইটি ডেস্ক প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ দেশের জনপ্রিয় রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাঠাওয়ের তথ্যভান্ডার থেকে প্রায় ১৩৩ গিগাবাইট তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার দাবি করেছে একটি আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধীচক্র। এসব তথ্য প্রকাশ না করার বিনিময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ৪ লাখ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে বলে ডার্ক ওয়েবে প্রকাশিত একটি স্ক্রিনশটে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিপুল পরিমাণ তথ্য চুরি ও মুক্তিপণ দাবির বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ডার্ক ওয়েব পর্যবেক্ষণকারী এক্স অ্যাকাউন্ট ‘ডেইলি ডার্ক ওয়েব’-এ প্রকাশিত স্ক্রিনশটের তথ্যমতে, কথিত তথ্যভান্ডারে রয়েছে প্রায় ২৫ কোটি সারির তথ্য, যা ৫৯১টি টেবিলে সংরক্ষিত। এর মধ্যে ব্যবহারকারীদের নাম, ই-মেইল, ফোন নম্বর, পাসওয়ার্ডের হ্যাশ, জিপিএস লোকেশন, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের তথ্য থাকার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বাসার ঠিকানা, প্রোফাইল ছবি, কর্মীদের বেতন ও জরুরি যোগাযোগের তথ্য এবং মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য হাতিয়ে নেওয়ারও দাবি করেছে অপরাধীরা। তাদের হুমকি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুক্তিপণ না পেলে এসব তথ্য প্রকাশ করে দেওয়া হবে। তবে স্ক্রিনশটে তথ্যের কোনো নমুনা না থাকায় দাবির সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ৭ অক্টোবর দেওয়া এক বিবৃতিতে পাঠাও জানায়, ৪ অক্টোবর সেবায় সমস্যা দেখা দেওয়ার পর নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু সিস্টেম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। পরবর্তী তদন্তে কিছু ব্যবহারকারীর নাম, ই-মেইল ও ফোন নম্বর অনাকাক্সিক্ষতভাবে হাতছাড়া হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে আর্থিক লেনদেন বা পাসওয়ার্ডসংক্রান্ত তথ্য ফাঁস হয়নি বলে দাবি করেছে তারা। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য সত্যিই ফাঁস হয়ে থাকলে পরিচয় জালিয়াতি, প্রতারণা ও সিম-সংক্রান্ত জালিয়াতির ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই গ্রাহকদের অপরিচিত লিংক এড়িয়ে চলা এবং ওটিপি, পিন ও পাসওয়ার্ড কারও সঙ্গে শেয়ার না করার পরামর্শ দিয়েছে পাঠাও।

Source 4: Prothom Alo · 14/10/26open original ↗

সাড়ে ৩৭ ঘণ্টা পর নিভল চকবাজারের আগুন

পুরান ঢাকার চকবাজারে মনজুর খান প্লাজার ষষ্ঠ তলার একটি দোকানে আগুন লাগে। ১২ অক্টোবর ২০২৬ছবি: ফায়ার সার্ভিসের সৌজন্যে পুরান ঢাকার চকবাজারের মুনসুর খান প্লাজা মার্কেটের আগুন পুরোপুরি নেভাতে প্রায় সাড়ে ৩৭ ঘণ্টা লেগেছে। গত সোমবার বিকেলে লাগা এ আগুন আজ বুধবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয় বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। আজ সকালে এক খুদে বার্তায় ফায়ার সার্ভিস এ তথ্য জানিয়েছে। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, গত সোমবার বিকেল ৫টা ৪ মিনিটে মার্কেটটিতে আগুন লাগার খবর পায় তারা। প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে ধাপে ধাপে ইউনিটের সংখ্যা বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। প্রায় ১২ ঘণ্টার চেষ্টায় গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে গুদামে থাকা মালামাল থেকে ধোঁয়া বের হওয়ায় আগুন পুরোপুরি নেভানোর কাজ চলতে থাকে। গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান বলেছেন, ভবনটির ষষ্ঠ ও সপ্তম তলার গুদামে আগুন লাগে। এর মধ্যে ষষ্ঠ তলায় ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে। সেখানে থাকা ১২ থেকে ১৪টি বড় গুদামের সাত থেকে আটটিতে আগুন লাগে। গুদামগুলোতে ছাতা, প্রসাধনসামগ্রী, আতরসহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল ছিল। কাজী নজমুজ্জামান বলেন, গুদামের মালামাল সরানোর সময় মাঝেমধ্যে ধোঁয়া বের হচ্ছিল। এসব মালামালে পানি দিয়ে আগুন পুরোপুরি নেভানোর কাজ চলছিল। পানি দেওয়া বন্ধ করলে আবার আগুন জ্বলে ওঠার আশঙ্কা ছিল। আগুন নেভাতে বাধা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন নেভানোর কাজে কয়েকটি প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। এলাকার সরু রাস্তার কারণে ঘটনাস্থলে গাড়ি প্রবেশে সমস্যা হয়। ভবনের ভেতরে ধোঁয়া বের হওয়ার পর্যাপ্ত পথ না থাকায় আগুন নেভানোর কাজ কঠিন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া পানির স্বল্পতাও সমস্যা তৈরি করে। গুদামগুলোর দরজা ও কলাপসিবল গেটে একাধিক তালা লাগানো ছিল। কোনো কোনো দোকানে তিন থেকে চারটি তালা থাকায় সেগুলো কেটে ভেতরে ঢুকতে হয়। গুদামগুলোতে মালামাল ঠাসা থাকায় আগুন পুরোপুরি নেভাতেও সময় লাগে। আগুন নেভানোর কাজে ফায়ার সার্ভিসের ১০০ থেকে ১৫০ জন কর্মী অংশ নেন। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের চারজন কর্মী আহত হন। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে আগুন লাগার কারণ জানা যাবে। আরও পড়ুন চকবাজারে আগুনে পুড়েছে ৭-৮টি গুদাম, ক্ষতি বেশি ছয়তলায় ২২ ঘণ্টা আগে প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন রাজধানী থেকে আরও পড়ুন রাজধানী ঢাকাদুর্ঘটনাআগুনফায়ার সার্ভিস