এনসিপি নেতা সাব্বির টিটিসি থেকে বহিষ্কার
Why this classification
২৪ মে বগুড়া টিটিসিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকারা এনসিপি নেতা সাব্বির খানকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জুতাপেটা করেন। এটি একটি সাম্প্রতিক শারীরিক সহিংসতার ঘটনা, তাই সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
0
Summary
২৪ মে বগুড়া টিটিসিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকারা এনসিপি নেতা আলী আজম সাব্বির খানকে জুতাপেটা করেন। পরে তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কার করা হয়।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: NCP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 24/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ছাত্রের হাতে শিক্ষক অপহরণ, মুক্তিপণ দাবির পর উদ্ধার
ছাত্রের হাতে শিক্ষক অপহরণ, মুক্তিপণ দাবির পর উদ্ধার সংগৃহীত বগুড়া ব্যুরো: প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬ | ১৮:২৩ বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে এক প্রাইভেট শিক্ষককে অপহরণের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃত শিক্ষককে উদ্ধার করে এবং এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে তারই এক সাবেক ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে। অপহৃত শিক্ষক আব্দুর রহমান ও গ্রেপ্তার মিনহাজুল ইসলাম বালিয়াদীঘির দড়িপাড়া এলাকার বাসিন্দা। জানা যায়, কয়েক বছর আগে মিনহাজুল ইসলামকে প্রাইভেট পড়াতেন আব্দুর রহমান। সে সময় থেকেই তাদের মধ্যে পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। পরে মিনহাজুল এসএসসি পাস করে শহরের কলোনি এলাকায় একটি ভাতের হোটেল চালু করেন। এরই মধ্যে আব্দুর রহমান তার কাছ থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ধার নেন। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিনেও সেই টাকা পরিশোধ না করায় তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জেরে গত রোববার দুপুর প্রায় ৩টার দিকে মিনহাজুল তার কয়েক সহযোগীকে নিয়ে আব্দুর রহমানকে বাড়ির পাশের রাস্তা থেকে মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে। পরে সন্ধ্যায় অপহৃত শিক্ষকের পরিবারের কাছে ফোন করে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বিষয়টি জানার পর পরিবারের সদস্যরা থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ দ্রুত প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালায়। একপর্যায়ে গাবতলীর নশিপুর এলাকার একটি ভুট্টা ক্ষেত থেকে অপহৃত শিক্ষককে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে মিনহাজুল ইসলামকে আটক করা হয়, তবে তার অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আব্দুর রহমান বাদী হয়ে থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিব হাসান জানান, ‘ছাত্র হয়ে শিক্ষককে অপহরণের মতো ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
ছাত্রী-শিক্ষিকাদের উত্ত্যক্ত করা সেই এনসিপি নেতাকে টিটিসি থেকে বহিষ্কার
নারী প্রশিক্ষণার্থী ও শিক্ষিকাদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে অব্যাহতি পাওয়া নেতা আলী আজম সাব্বির খানকে এবার বগুড়ার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে। আলী আজম সাব্বির খান বগুড়ার শিবগঞ্জ পৌর এলাকার দহিলা গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে। তিনি এনসিপির শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। টিটিসি সূত্রে জানা যায়, আলী আজম সাব্বির খান বগুড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ড্রাইভিং ও আরএসি (রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং) ট্রেডের প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে নারী প্রশিক্ষণার্থী ও শিক্ষিকাদের উত্ত্যক্ত করা, অশালীন আচরণ এবং আপত্তিকর বার্তা পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১ জুন) প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ প্রকৌশলী এস এম ইমদাদুল হকের স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কার আদেশে উল্লেখ করা হয়, প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা, নারী প্রশিক্ষণার্থীদের হয়রানি এবং অশালীন ও অনভিপ্রেত আচরণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৪ মে বগুড়া টিটিসিতে এক নারী প্রশিক্ষণার্থী আলী আজম সাব্বিরকে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে জুতাপেটা করেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে কয়েকজন নারী প্রশিক্ষণার্থী অভিযোগ করেন, সাব্বির তাদের মোবাইল ফোনে কুরুচিপূর্ণ বার্তা পাঠাতেন এবং অশালীন প্রস্তাব দিতেন। এছাড়া প্রকাশ্যেও তিনি একাধিক নারী প্রশিক্ষণার্থীকে যৌন হয়রানি করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ প্রশিক্ষণার্থীরা তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হন। এ ঘটনায় এনসিপির বগুড়া জেলা শাখা আলী আজম সাব্বিরকে দলের সব দায়িত্ব ও কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়ে তিন দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়। তবে দলীয় অব্যাহতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় দপ্তর বা বগুড়া জেলা শাখার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে টিটিসির অধ্যক্ষ প্রকৌশলী এস এম ইমদাদুল হক বলেন, প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও প্রশিক্ষণের পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এ বিষয়ে আলী আজম সাব্বির খানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। আব্দুল মোমিন/আরকে
এনসিপি নেতা সাব্বির টিটিসি থেকে বহিষ্কার
শিক্ষার্থী-শিক্ষকাদের উত্ত্যক্ত এনসিপি নেতা সাব্বির টিটিসি থেকে বহিষ্কার Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কয়েকজন শিক্ষার্থী-শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দেওয়ায় জাতীয় নাগরিক পাটির (এনসিপি) নেতা আলী আজম সাব্বির খানকে বগুড়ায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার টিটিসির অধ্যক্ষ প্রকৌশলী এসএম ইমদাদুল হক স্বাক্ষরিত আদেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে ২৪ মে অধ্যক্ষ কক্ষে শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকারা সাব্বিরকে জুতাপেটা করেন। টিটিসি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আলী আজম সাব্বির খান এনসিপির শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার সমন্বয়ক। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শিবগঞ্জ শাখার দায়িত্বশীল পদে ছিলেন। তিনি বগুড়া টিটিসিতে তিন মাসের ড্রাইভিং ও আরএসি (রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং) ট্রেডে ভর্তি হন। এরপর বিভিন্ন ট্রেডের অন্তত ২০ জন ছাত্রী ও ছয়জন শিক্ষিকাকে মোবাইল ফোনে উত্ত্যক্ত ও অশালীন প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষকে জানানো হলে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর পরও সাব্বির খান সংশোধন হননি। বরং তিনি শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকাদের দলীয় পদের পরিচয়ে হুমকি-ধামকি দেন। এ কারণে ২৪ মে সাব্বির খানকে অধ্যক্ষ কক্ষে ডেকে নিয়ে জুতাপেটা করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত হবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান সাব্বির। ওইদিন প্রতিষ্ঠান ছুটি হয়ে যাওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। এদিকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাব্বির খানকে সংগঠনের সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জেলা এনসিপি।
