চাঁদাবাজির দ্বন্দ্বে উন্নয়ন স্থবির

AI-classifiedconfidence 75%

Why this classification

This is a specific, concrete incident in Dagonbhuiya, Feni, where a contractor's labour shed and warehouse were attacked and vandalised and workers were beaten, with threats to burn them alive. The attackers are not clearly identified, and the report does not give a count of injured people, but the physical attack and vandalism are clearly reported.

Reported by:JugantorSingle source
04/05/26•ফাজিলেরঘাট নার্সারি সড়ক প্রকল্প এলাকা, দাগনভূঞা পৌরসভা

Killed

0

Injured

0

Summary

ফেনীর দাগনভূঞা পৌরসভার ফাজিলেরঘাট নার্সারি সড়ক প্রকল্পের ঠিকাদারের লেবার শেড ও গুদামে হামলা, ভাঙচুর ও শ্রমিকদের মারধর করা হয়েছে, এবং শ্রমিকদের পুড়িয়ে মারার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও চাঁদাবাজির প্রেক্ষাপটে ঘটা এই ঘটনায় ঠিকাদার থানায় জিডি করেছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

75% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

ঠিকাদারশ্রমিকরাজামশেদুর রহমান ফটিক (বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা, অভিযোগকারী পক্ষ)আকবর হোসেন (উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, অভিযোগকারী পক্ষ)

Affected infrastructure

লেবার শেডগুদাম

Tags

ExtortionGang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 05/05/26open original ↗

চাঁদাবাজির দ্বন্দ্বে উন্নয়ন স্থবির

দাগনভূঞা পৌরসভা চাঁদাবাজির দ্বন্দ্বে উন্নয়ন স্থবির Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও চাঁদাবাজির ভাগাভাগি জেরে থমকে গেছে ফেনীর দাগনভূঞা পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। স্থানীয়ভাবে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের পালটাপালটি অভিযোগে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। একপক্ষ অপর পক্ষকে চাঁদাবাজি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাং লালন ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করছে। বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা জামশেদুর রহমান ফটিক অভিযোগ করে বলেন, আহ্বায়ক গ্রুপ চাঁদাবাজি ও মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফটিক গ্রুপের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেন। ফলে উভয়পক্ষই একে অপরকে দায়ী করায় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে উঠেছে। এদিকে এসব দ্বন্দ্বের প্রভাব পড়েছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে। ঠিকাদারদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি, না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া, শ্রমিকদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ফাজিলেরঘাট নার্সারি সড়ক প্রকল্পের ঠিকাদারের লেবার শেড ও গুদামে হামলা, ভাঙচুর ও শ্রমিকদের মারধরের ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি শ্রমিকদের পুড়িয়ে মারার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ঠিকাদার থানায় জিডি করেছেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, কুয়েত ফান্ডের প্রায় ৪ কোটি টাকার প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় বাতিল হয়েছে। পাশাপাশি পৌরসভার প্রস্তাবিত আরও প্রায় ৭ কোটি টাকার প্রকল্পও নাকচ করে দিয়েছে দাতা সংস্থা। আইইউজিআইপি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২২৫ কোটি টাকার চারটি প্যাকেজের মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার হলেও বাস্তবে অগ্রগতি নেই। এছাড়া ১০ কোটি টাকার ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান্ট প্রকল্পও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দা জানান, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের চোখের সামনে এসব ঘটনা ঘটলেও কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কাজ করছে। অভিযোগের সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। সচেতন মহল মনে করছে, রাজনৈতিক কোন্দল ও চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে দাগনভূঞার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বাধাগ্রস্ত হবে এবং জনভোগান্তি বাড়বে। দ্রুত সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।