বগুড়ায় মহাসড়ক অবরোধ দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ
Why this classification
ঘটনাটি সিএনজি চালকদের দ্বারা মহাসড়ক অবরোধের মাধ্যমে বিক্ষোভ প্রদর্শন, যা হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় সংঘটিত হয়েছে। এটি একটি অপরাধমূলক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কারণ এতে পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে এবং অবরোধের কারণে জনগণের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
Killed
0
Injured
0
Summary
বগুড়ার শাজাহানপুরে হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজির অভিযোগে সিএনজি চালকরা বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক অবরোধ করে দুই ঘণ্টা বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশের মধ্যস্থতায় অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বগুড়ায় মহাসড়ক অবরোধ দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ
হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজি বগুড়ায় মহাসড়ক অবরোধ দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বগুড়ায় হাইওয়ে কুন্দারহাট থানা পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই অবিযোগে বিক্ষুব্ধ সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। রোববার বেলা ১১টা থেকে শাজাহানপুর উপজেলার জামাদারপুর এলাকায় প্রায় দুই ঘণ্টা এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে মহাসড়কের উভয়পাশে বিপুল সংখ্যক যানবাহন আটকা পড়লে জনগণকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পরে থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় চালকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এদিকে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, কোনো সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে হাইওয়ে পুলিশের চাঁদা নেওয়ার সত্যতা নেই। যদি কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, মহাসড়কে চলাচলকারী একটি সিএনজি অটোরিকশার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কিছু চালক পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে মহাসড়ক অবরোধ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার বেলা ১১টা থেকে শতাধিক সিএনজিচালিত অটোরিকশা রেখে চালকরা শাজাহানপুর উপজেলার জামাদারপুর এলাকায় বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক অবরোধ করেন। তারা হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে স্লোগান দেন এবং চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানান। বিক্ষোভকারী সিএনজি অটোরিকশা চালকদের অভিযোগ, বগুড়া থেকে নন্দীগ্রাম এবং নাটোরের সিংড়া পর্যন্ত সড়কে প্রতিদিন গড়ে ৮শ সিএনজি চলাচল করে। কুন্দারহাট হাইওয়ে পুলিশ চালকপ্রতি মাসিক ৮শ টাকা করে চাঁদা আদায় করেন। তাদের দাবি পুলিশের নিয়োগ করা কিছু ব্যক্তি এ চাঁদা সংগ্রহের সঙ্গে জড়িত। চাহিদামতো চাঁদা না দিলে মাঝপথে যাত্রী নামিয়ে দেওয়া, অটোরিকশা জব্দ, মামলা প্রদান এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি, মারধরের হুমকি দেওয়া হয়।
