আলমডাঙ্গায় ইউপিতে তালা যুব ও ছাত্রদলের

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A group of BNP youth and student wing activists locked all rooms of the Jehala Union Parishad office and physically assaulted and forcibly removed the assistant secretary on 20 May 2026. This is a concrete, recent physical attack and vandalism-type act, so it qualifies as violence. No deaths or injuries were reported.

Reported by:JugantorSingle source
20/05/26•জেহালা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, আলমডাঙ্গা

Killed

0

Injured

0

Summary

বুধবার (২০ মে ২০২৬) দুপুর ২টার দিকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অনিয়মের অভিযোগ তুলে চেয়ারম্যানসহ সব কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ সময় সহকারী সচিব আরমান হোসেনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

Lipon Ali (Ward 9 member and Jubo Dal leader)Ratan Ali (Upazila Chhatra Dal joint convener)Saeed (Jubo Dal leader)Nafiyal Arafat (College Chhatra Dal president)Arman Hossain (Union Parishad Assistant Secretary)Ahsan Habib Babu (Acting Union Parishad Chairman)Hasem Mahmud (Ward 7 member)Shahinur Akter (Upazila Nirbahi Officer)

Affected infrastructure

Union Parishad office rooms (locked)Chairman's roomSecretary's roomAccounts assistant's roomInformation service roomEntrepreneur roomHall room

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 21/05/26open original ↗

আলমডাঙ্গায় ইউপিতে তালা যুব ও ছাত্রদলের

অনিয়মের অভিযোগ আলমডাঙ্গায় ইউপিতে তালা যুব ও ছাত্রদলের Advertisement চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে যুবদল ও ছাত্রদল। অনিয়মের অভিযোগ তুলে বুধবার বেলা ২টার দিকে পরিষদের চেয়ারম্যানের রুমসহ সব কক্ষে তারা তালা ঝুলিয়ে দেয় তারা। এ সময় পরিষদের সচিবকে লাঞ্ছিত এবং কার্যালয় থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়। অভিযোগ-বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা ও ভিজিএফ কার্ডের ভাগ নিতেই এ হামলা চালানো হয়েছে। আজ দুস্থ পরিবারের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণের কথা থাকলেও তা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। উপজেলা প্রশাসন বলছে, যারা পরিষদে তালা ঝুলিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা করা হবে। দুপুর ১টার দিকে যুবদল নেতা ও জেহালা ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য লিপন আলীর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা পরিষদ ভবনে ঢুকে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন। তারা গালাগাল করেন এবং বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন। এ সময় তারা পরিষদের সহকারী সচিব আরমান হোসেনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং রুম থেকে তাকে বের করে দেন। এরপর চেয়ারম্যানের কক্ষ, সচিবের কক্ষ, হিসাব সহকারীর কক্ষ, তথ্যসেবা কক্ষ, উদ্যোক্তা কক্ষ ও হলরুমে তালা লাগিয়ে চলে যান। এতে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক রতন আলী, যুব নেতা সাইদ, নিগার সিদ্দিক কলেজ ছাত্রদল সভাপতি নাফিয়াল আরাফাতসহ ১০-১২ জন অংশ নেন। পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য হাসেম মাহমুদ জানান, পরিষদের নামে বরাদ্দের সিংহভাগ দলের প্রভাব খাঁটিয়ে ৯নং ওয়ার্ড সদস্য ও যুবদল নেতা লিপন আলী নিয়ে নেন। সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদে ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার উন্নয়ন সহায়তা বরাদ্দ এসেছে। এ বরাদ্দেরও বেশির ভাগ তিনি নিতে চান। এ কারণে তিনি পরিকল্পিতভাবে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও যুবনেতা লিপন আলী বলেন, অনেক প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে হয় না। দুর্নীতি-অনিয়ম হয় বলেই আমরা এর প্রতিবাদে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছি। ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব বাবু যুগান্তরকে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে ১৩ হাজার ৮৭০ কেজি ভিজিএফের চাল মজুত রয়েছে। আজ ১ হাজার ৩৮৭ জন দুস্থ পরিবারের মধ্যে চাল বিতরণের কথা রয়েছে। প্রকৃত দুস্থরা যাতে পায়, আমরা সেই ব্যবস্থা নিয়েছি। কিন্তু ইউপি সদস্য লিপন আলী ভিজিএফ কার্ড নিজের কবজায় নিতেই পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনুর আক্তার যুগান্তরকে বলেন, সরকারি কাজে বাধাদানকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হবে। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্টরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।