সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে ৬ জেলে অপহরণ
Why this classification
Armed forest pirates abducted six fishermen in the Sundarbans on 31 May 2026 and demanded ransom, threatening to kill them. One fisherman was struck on the head with a boat oar while trying to stop the abduction and needed seven stitches, so this is a real, recent violent incident.
Killed
0
Injured
1
Summary
৩১ মে (রবিবার) রাত ১১টার দিকে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সুন্দরবনের মালঞ্চ নদীর চালতেবেড়ে ও সুবদে খাল এলাকা থেকে 'ডন বাহিনী' পরিচয়ে আসা বনদস্যুরা ৬ জেলেকে অপহরণ করে। বাধা দিতে গেলে ইসমাইল খাঁকে বৈঠা দিয়ে মারধর করা হয়, যাতে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং ৭টি সেলাই দিতে হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
88% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 31/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা
সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা ফাইল ছবি শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ২২:৩৫ | আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ২২:৫৬ পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে ২০ জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা। বৃহস্পতিবার রাতে মাহমুদা নদীর মাইটভাঙা খাল, রাজাখালী খাল, চুনকুড়ি নদীর শুবদি খাল, মালঞ্চ নদীর উলুবেড়ে খাল, মাইশার কোলসহ দোবেঁকীর কোস্টগার্ড অফিসসংলগ্ন কলাগাছি খাল থেকে তারা অপহরণের শিকার হন। ভুক্তভোগীদের পালিয়ে আসা সহকর্মীদের ভাষ্য, ‘ডন বাহিনী’ পরিচয় দিয়ে জলদস্যুরা তাদের তুলে নিয়ে যায়। এ জন্য মুক্তিপণ হিসেবে প্রতি জেলের পরিবারের কাছে তারা ৪০ হাজার টাকা দাবি করেছে। ফিরে আসা জেলেরা শুক্রবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১২ জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। তারা হলেন– সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার চুনকুড়ি গ্রামের সাদেক আক্কাছ, হরিনগরের আবু তাহের, রাজেত আলী, নজরুল গাইন, শুকর আলী, আবুল কালাম, হরিনগর ধলের আশিকুল, হাফিজুর, ছোট ভেটখালীর আসাদুল, আমজাদ আলী, মীরগাং গ্রামের ইউসুফ আলী ও মৌখালীর মিলন হোসেন। অপর আটজনের পরিচয় জানা যায়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফিরে আসা কয়েকজন জেলে জানিয়েছেন, ৮-৯ দিন আগে কদমতলা স্টেশন অফিস থেকে পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে তারা মাছ শিকার করতে সুন্দরবনে যান। প্রতিটি নৌকায় দু-তিনজন জেলে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতের বিভিন্ন সময়ে প্রতি নৌকা থেকে একজন করে জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় সফিকুল-শাহাজানের নেতৃত্বে আটজন জলদস্যু। নিজেদের ‘ডন বাহিনী’ পরিচয় দিয়ে তারা অপহৃত জেলেদের মুক্তির জন্য যোগাযোগ করতে একটি মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে যায়। ওই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে জেলেদের মুক্তির জন্য পরিবারের সদস্যদের কাছে ৪০ হাজার করে টাকা দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় জেলেরা জানায়, শ্যামনগর উপজেলার মৌখালী ও তদসংলগ্ন আটিরউপর গ্রামের ভেটো সফিকুল-শাহাজান ছয়জন সহযোগীকে নিয়ে এই কাজ করেছে। ভেটো সফিকুল ও শাহাজান অতীতে র্যাবের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। তবে প্রায় তিন মাস ধরে আবারও তারা সুন্দরবনে নেমে ‘ডন বাহিনী’ পরিচয়ে দস্যুতা করছে। জেলে ও অপহৃত জেলেদের স্বজনের ভাষ্য, অপহরণের ঘটনাটি পুলিশ বা কোস্টগার্ডকে জানালে জিম্মি জেলেদের জীবনহানির আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি তাদের শারীরিক নির্যাতনেরও হুমকি দিয়েছে দস্যুরা। তাই বাধ্য হয়ে তারা জলদস্যুদের সঙ্গে আপস করে মুক্তিপণের অঙ্ক কমিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। হরিনগর গ্রামের মহাজন আকরাম হোসেন বলেন, একজন করে অপহরণ করে দস্যুরা মুক্তিপণের টাকার জন্য নৌকাসহ অন্য জেলেদের ছেড়ে দিয়েছে। জলদস্যুদের সরবরাহ করা নম্বরে কল দেওয়ার পর মাথাপিছু ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের জলদস্যু তৎপরতা রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ তার। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত এ বিষয়ে সরাসরি অভিযোগ পাননি বলে জানান শ্যামনগর থানার ওসি মো. খালেদুর রহমান। তিনি খোঁজ নিচ্ছেন। বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন অফিসার মনিরুল ইসলাম বলেন, তার স্টেশন থেকে পাস নিয়ে বনে গিয়ে কিছু জেলে ডাকাতের হাতে জিম্মি হয়েছেন। ফিরে আসা জেলেদের কাছ থেকে এ তথ্য পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। সাতক্ষীরা রেঞ্জের রেঞ্জার মো. ফজলুল হকের ভাষ্য, রেঞ্জ অফিস থেকে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোস্টগার্ডের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়েছে। বনের ভেতরে থাকা টহল ফাঁড়িগুলোকে এ বিষয়ে খোঁজ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন।
সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে ৬ জেলে অপহরণ
সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে মাছ ও কাঁকড়া শিকার শেষে ফেরার পথে বনদস্যুদের হাতে ৬ জেলে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দস্যুদের হামলায় ইসমাইল খাঁ (৩৫) নামে এক জেলে আহত হয়েছেন। তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র ও জেলেদের স্বজনদের দাবি, রোববার (৩১ মে) রাত ১১টার দিকে সুন্দরবনের মালঞ্চ নদীর চালতেবেড়ে খাল ও সুবদে খাল এলাকায় থাকা কয়েকটি মাছ ধরার নৌকা থেকে ‘ডন বাহিনী’ পরিচয়ে আসা বনদস্যুরা ছয় জেলেকে তুলে নিয়ে যায়। অপহৃতরা হলেন- শ্যামনগর উপজেলার দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের ইয়াসিন খাঁ, আলমগীর খাঁ, হরিনগর গ্রামের আলামিন মোল্লা, শাহজাহান গাজী, কামরুল গাজী এবং খুলনার কয়রা উপজেলার শহিদুল ইসলাম। স্বজনদের অভিযোগ, অপহরণের পর বনদস্যুরা প্রথমে মাথাপিছু ৩০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে। পরে ফোন করে মোট দুই লাখ টাকা দাবি করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা না দিলে অপহৃতদের হত্যা করে মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের। আহত জেলে ইসমাইল খাঁ জানান, অপহরণের সময় তার দুই ভাইকে তুলে নেওয়া হলে তিনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় বনদস্যুরা নৌকার বৈঠা দিয়ে তাকে মারধর করে। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে তিনি আহত হন। চিকিৎসকরা তার মাথায় সাতটি সেলাই দিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুক্তিপণ দাবির একটি ফোনালাপ তাদের কাছে রয়েছে। সেখানে টাকা না দিলে অপহৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির মামলা দেওয়ার ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। জানা গেছে, অপহৃত জেলেরা গত ২৫ মে বৈধ পাস নিয়ে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে প্রবেশ করেছিলেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ৩১ মে রাতের মধ্যে তাদের ফিরে আসার কথা ছিল। সুন্দরবনের কদমতলা স্টেশনের কর্মকর্তা মনিরুল করিম বলেন, অপহরণের বিষয়টি তার জানা ছিল না। তবে, অপহৃতদের মধ্যে কয়েকজন তার স্টেশন থেকে পাস নিয়েছিলেন। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপহৃতদের পরিবারের সদস্যরা দ্রুত জেলেদের উদ্ধার এবং বনদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। ইব্রাহিম খলিল/এসএইচএ
সুন্দরবনে বনদস্যুর গুলিতে কাঁকড়া আহরণকারী আহত
সুন্দরবনে বনদস্যুর গুলিতে কাঁকড়া আহরণকারী আহত Advertisement সাতক্ষীরা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৬ এএম গুলিবিদ্ধ আতিয়ার রহমান (৬৫)। পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনের আওতাধীন কলাগাছিয়ায় বনদস্যুদের গুলিতে এক কাঁকড়া আহরণকারী গুরুতর আহত হয়েছেন। কলাগাছিয়ায় মুল্লির খালের ভারানির মুখে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে আতিয়ার রহমান (৬৫) গুলিবিদ্ধ হন। তিনি বুড়ি গোয়ালিনী ইউনিয়নের মৃত মান্দার গাজীর ছেলে। বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সকালে সুন্দরবনের কলাগাছি এলাকায় কাঁকড়া আহরণ করতে যান আতিয়ার । কাঁকড়া আহরণ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সুন্দরবনের ভেতর থেকে দুইজন অস্ত্রধারী বনদস্যু তাদের ডাক দেয়। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে দস্যুরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে আতিয়ার গুলিবিদ্ধ হন। গুলিতে তার পিঠ ও কোমরে গুরুতর আঘাত লাগে। তাৎক্ষণিকভাবে তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জেলে ও বনজীবীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত বনদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। এ বিষয়ে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আতিয়ার রহমান অফিসে আসেন। পরে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। বিষয়টি শ্যামনগর থানা পুলিশ ও কৈখালী কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সুন্দরবনের বিভিন্ন খাল ও নদীতে প্রায়ই বনদস্যুদের তৎপরতা দেখা যায়। এতে জেলে ও বনজীবীদের জীবন-জীবিকা চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।
