চোর অপবাদ দিয়ে তিন যুবককে বেঁধে নির্যাতন
Why this classification
This article describes one specific incident on Wednesday, 15 April 2026, in which three Jamaat activists tied three young men's hands and beat them with bamboo sticks, causing serious injuries. The incident is recent, took place in Bangladesh, and is a physical attack, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
3
Summary
সাতক্ষীরার কলারোয়ার ঝিকরা গ্রামে ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল (বুধবার) ব্যাটারি চুরির সন্দেহে জামায়াতে ইসলামীর তিন কর্মী আল মামুন, জুয়েল হোসেন ও সম্রাট হোসেনের হাত পিঠের সঙ্গে বেঁধে বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন, যাতে তারা গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরা থানায় দুটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চোর অপবাদ দিয়ে তিন যুবককে বেঁধে নির্যাতন
চোর অপবাদ দিয়ে তিন যুবককে বেঁধে নির্যাতন জামায়াতের তিন কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ কলারোয়ার ঝিকরা গ্রামে বুধবার হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয় তিন যুবককে- সমকাল কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:২২ | প্রিন্ট সংস্করণ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় চোর অপবাদ দিয়ে তিন যুবককে বেঁধে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে। বুধবার বিকেলে পৌর সদরের ঝিকরা গ্রামের বিল্লাল চৌধুরীর বাড়ির উঠানে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় তিন কর্মীর নেতৃত্বে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। এ বিষয়ে থানায় দুটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা হলেন– কলারোয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঝিকরা গ্রামের আল মামুন (২৬), জুয়েল হোসেন (২৭) ও সম্রাট হোসেন (২৫)। তাদের ওপর বুধবার নির্যাতন চালানো হলেও বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত ভিডিওচিত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গতকাল শুক্রবার সকালে সরেজমিনে জানা গেছে, সম্প্রতি কলারোয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঝিকরা গ্রামের ছবেদ আলী গাজির ছেলে সেলিম হোসেনের ইজিবাইকের ব্যাটারি চুরি যায়। এ বিষয়ে জড়িত থাকার জন্য তিনি আল মামুন, জুয়েল ও সম্রাটকে সন্দেহ করছিলেন। তিনি একই এলাকার জামায়াতের কর্মী সাকিমুল, নাছের আলী ও আব্দুর রহিমের কাছে এ বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল মামুন, জুয়েল ও সম্রাটকে বাড়ি থেকে ডেকে বুধবার সকাল ৭টার দিকে বিল্লাল চৌধুরীর বাড়িতে নিয়ে যায় কিছু লোক। ওই তিন যুবক কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাদের হাত পিঠের সঙ্গে বেঁধে ফেলেন জামায়াতের তিন কর্মী। তারা ওই যুবকদের বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর শুরু করেন। সঙ্গে চলতে থাকে কিল-চড় ও লাথি। এতে ওই যুবকরা গুরুতর আহত হন। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে উদ্ধার করে কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা বাড়িতে অবস্থান করছেন। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাকিমুল ওরফে সাকিম, নাছের আলী ও আব্দুর রহিম বলেন, তাদের বেঁধে মারধর করা ভুল হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করছেন। তিনজনই জামায়াতের রাজনীতিতে জড়িত বলেও স্বীকার করেন তারা। কলারোয়া পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির সহকারী অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবুর ভাষ্য, তিন যুবককে নির্যাতনে জড়িত ব্যক্তিরা জামায়াতের সমর্থক। উভয়পক্ষকে নিয়ে মীমাংসার চেষ্টা চলছে। কলারোয়া থানার ওসি এইচ এম শাহীন বলেন, নির্যাতনের শিকার যুবকদের অভিভাবকরা বৃহস্পতিবার রাতে থানায় আসেন। তাদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়। পরে আল মামুনের বাবা নজরুল ইসলাম ও জুয়েলের বাবা মিজানুর রহমান পৃথক অভিযোগ দিয়েছেন। দ্রুতই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। - বিষয় : - নির্যাতন
