৪ বছরের ছেলেকে হত্যার পর ফাঁস নিলেন প্রবাসীর স্ত্রী
Why this classification
A 25-year-old mother allegedly smothered her four-year-old son with a pillow in Atghoria, Pabna, early on 1 April 2026, after family members found messages about her affair on her phone. This is a single, concrete killing that happened within the reporting window, so it counts as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
পাবনার আটঘরিয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী রিমা খাতুন (২৫) বালিশ চাপা দিয়ে নিজের চার বছরের ছেলে তাওহীদকে শ্বাসরোধে হত্যা করার পর গলায় ফাঁস দেওয়ার চেষ্টা করেন। ১ এপ্রিল ২০২৬ ভোররাতে চাঁদভা ইউনিয়নের ভরতপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে ঘটা এই ঘটনায় পরিবারের লোকজন মায়ের মোবাইলে পরকীয়ার প্রমাণ পাওয়ার পর ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
৪ বছরের ছেলেকে হত্যার পর ফাঁস নিলেন প্রবাসীর স্ত্রী
সারাদেশ পাবনা ৪ বছরের ছেলেকে হত্যার পর ফাঁস নিলেন প্রবাসীর স্ত্রী জেলা প্রতিনিধি পাবনা ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০০ অ+ অ- পাবনার আটঘরিয়ায় নিজের চার বছরের ছেলেকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে। পরে নিজেও গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন অভিযুক্ত মা রিমা খাতুন(২৫)। তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) ভোররাতে উপজেলার চাঁদভা ইউনিয়নের ভরতপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিজ্ঞাপন পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভরতপুর গ্রামের বাসিন্দা সিঙ্গাপুর প্রবাসী টুটুলের স্ত্রী রিমা খাতুন তার স্বামীর অবর্তমানে দুই বছর ধরে এক যুবকের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত। এ ঘটনা বাড়ির লোকজনের মাঝে জানাজানি হলে ইতিপূর্বে রিমা ক্ষমা চেয়ে ভবিষ্যতে আর এমন করবে না- প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভালোভাবে সংসার করে আসছিল। হঠাৎ করে ঘটনার আগের দিন পুনরায় বাড়ির লোকজন রিমার মোবাইলে ওই যুবকের ছবি ও কথোপকথন দেখে ফেলে। এ নিয়ে ক্ষোভে রিমা নিজের সন্তানকে রাতে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং নিজেও গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করে। বিষয়টি বাড়ির লোকজন টের পেয়ে রিমাকে রশি থেকে নামিয়ে থানায় খবর দিলে ওসি (তদন্ত) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিশুর মরদেহ মায়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠান এবং রিমাকে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরবর্তীতে তারা আইননুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। নিহত তাওহীদের দাদি রহিমা তার পুত্রবধূর এই অপকর্মের জন্য ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আটঘরিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রাকিব হাসনাত/আরএআর
হর্ন বাজানোকে কেন্দ্র করে বরযাত্রীর গাড়িতে হামলা, ৪০ ভরি স্বর্ণ লুট
হর্ন বাজানোকে কেন্দ্র করে বরযাত্রীর গাড়িতে হামলা, ৪০ ভরি স্বর্ণ লুট Advertisement ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম দুর্বৃত্তদের হামলায় বর-কনে, নারী-শিশুসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। ছবি: যুগান্তর ফরিদপুরের ভাঙ্গায় হর্ন বাজানোকে কেন্দ্র করে বরযাত্রীর উপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তদের হামলায় বর-কনে, নারী-শিশুসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। হামলায় বরের একটি প্রাইভেটকার, দুটি মাইক্রোবাসসহ ৩টি গাড়ি ভাঙচুর এবং ৪০ ভরি স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত নয়টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের আজিমনগর মোড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, সোনামুখী এলাকার প্রবাসী বর ইব্রাহিম মোল্লা রাজৈর কাসেমপুর এলাকা থেকে নববধূ নিয়ে ফেরার পথে আজিমনগর মোড়ায় জ্যাম সৃষ্টি হয়। তখন ১৫ থেকে ২০জন যুবক মোটরসাইকেলে বসে হর্ন দিতে থাকে। হর্ন দেওয়া নিয়ে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে বর পক্ষের লোকজনের বিরোধ বাঁধে। উভয় পক্ষের লোকজনের তর্ক বিতর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা হামলা ও মারধর-ভাঙচুর করে। হামলায় আহতদের ভাঙ্গা হাসপাতাল ও গুরুতর আহত দুইজনকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়। বর ইব্রাহিম মোল্লা বলেন, নববধূসহ আমাদের কয়েকজন মহিলার প্রায় ৪০ ভরি স্বর্ণালংকার হামলা ও ছিনতাই করে নিয়ে যায়। আমরা কোনোরকম প্রাণভয়ে পালিয়ে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি হই। এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
