সিলেটে মাজার-মসজিদ নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৩০
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Sylhet. It involved Locals against Locals, Law Enforcement. Reported casualties: 0 killed and 30 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
30
Summary
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলামে হযরত শাহ তৈয়ব ছৈলানি (রহ.) ওয়াকফ এস্টেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 30
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals, Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সিলেটে মাজার-মসজিদ নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৩০
সিলেটে মাজার-মসজিদ নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৩০ সংঘর্ষের পর কয়েকজন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬ | ০৩:৫৮ সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলামে হযরত শাহ তৈয়ব ছৈলানি (রহ.) ওয়াকফ এস্টেটের মাজার ও মসজিদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দুই ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে চকের বাজার এলাকার তৈয়ব ছৈলানি মসজিদ ও ঈদগাহের সামনে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন- শেখপাড়া গ্রামের মুরব্বি ও মসজিদের মোতাওয়াল্লী ফজলু মিয়া, মোগলাবাজার থানার ওসি মনিরুল ইসলাম, শোয়েব আহমদ, আরিফুল হক রনি, লতিফুর রহমান মেহেদি, বাবু মিয়া, শানু মিয়া, আলী রুবেল, শহীদ আহমদ, সোহান, সালমান, সাইফ এবং ইসলাম উদ্দিন। বাকি আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হযরত শাহ তৈয়ব ছৈলানি (রহ.) ওয়াকফ এস্টেট পরিচালনা নিয়ে সিলাম শেখপাড়া গ্রামের দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করতে উভয় পক্ষের লোকজন মসজিদে উপস্থিত হলে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। মুহূর্তে তা রণক্ষেত্রে রূপ নেয় এবং উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এ তাণ্ডবে চণ্ডীপুল-বালাগঞ্জ সড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এলাকাটিতে বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়াকফ প্রশাসন থেকে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিককে সভাপতি ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সহ-সভাপতি করে ৯ সদস্যের একটি কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটিতে মোতাওয়াল্লী হিসেবে দায়িত্ব পান মো. ফজলু মিয়া। পরবর্তীতে এ কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে শাহ আব্দুল মান্নান হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। গত ১৬ আগস্ট হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে নতুন অনুমোদিত কমিটি বহাল রাখেন। তবে সাময়িকভাবে মোতাওয়াল্লী ফজলু মিয়ার কার্যক্রম স্থগিত করে আবেদ রাজাকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের এ নির্দেশনার পরই এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং তা সংঘর্ষে গড়ায়। এ ব্যাপারে মোগলাবাজার থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, জুমার নামাজের আগে দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়ায়। আমার ৮/৯ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আমি নিজেও আহত হয়েছি। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। সবার সম্মতিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কেউ আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
