টিউমার সন্দেহে পরীক্ষার পর জানা গেল শিশুটি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, পলাতক নানা

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A single, specific incident is reported in which a 14-year-old girl was allegedly raped by her step-grandfather, who threatened to kill her. The report is recent, the case took place in Bangladesh, and the sexual assault counts as relevant violence.

Reported by:SamakalJugantorDhaka PostCorroborated · 3 sources
06/10/26•Kumarkhali

Killed

0

Injured

0

Summary

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে হত্যার হুমকি দিয়ে ১৪ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার সৎ নানার বিরুদ্ধে। পরীক্ষায় শিশুটি প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

85% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Step-grandfather (accused)Minor victim (14 years old)

Tags

RapeDomestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 06/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 06/10/26open original ↗

টিউমার সন্দেহে পরীক্ষার পর জানা গেল শিশুটি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, পলাতক নানা

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে হত্যার হুমকি দিয়ে ১৪ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার সৎ নানার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি পেটে ব্যথা হলে স্বজনরা শিশুটিকে স্থানীয় এক গাইনি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। টিউমার হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও পরীক্ষার পর জানা যায়, শিশুটি প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

Source 2: Dhaka Post · 13/05/26open original ↗

মেলা থেকে তুলে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মাজারের মেলা দেখতে এসে এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নিশান (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। ভুক্তভোগী ওই নারী বর্তমানে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃত নিশান উপজেলার চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের হিড়িমদিয়া এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১১ মে) রাতে দুই বছরের শিশুসন্তানকে নিয়ে মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ এলাকা থেকে ভেড়ামারায় একটি স্থানীয় মাজারের মেলা দেখতে যান ভুক্তভোগী নারী। সেখানে অভিযুক্ত নিশানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে নিশান শিশুটিকে মাজার সংলগ্ন একটি ফাঁকা স্থানে রেখে ওই নারীকে জোরপূর্বক নিজের বাড়িতে নিয়ে সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। এদিকে, দীর্ঘ সময় ধরে নির্জন স্থানে শিশুর কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে ভুক্তভোগীর বড় বোন বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নিশানকে বিকেলে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। রবিউল আলম ইভান/এসএইচএ

Source 3: Jugantor · 19/03/26open original ↗

দৌলতপুরে আড়াই বছরের শিশু হত্যা চাচি আটক

দৌলতপুরে আড়াই বছরের শিশু হত্যা চাচি আটক Advertisement দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আড়াই বছরের এক শিশুকে হত্যার ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ দাড়েরপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশুর নাম আফিয়া। সে ওই এলাকার শাহিন সরদারের মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পাশের একটি মেহগনি বাগানে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় গাছে আফিয়াকে ঝুলতে দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর শিশুটির বাবা অভিযোগ করেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আফিয়ার ছোট চাচি কল্পনা আক্তার (২০) জড়িত। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে কল্পনা আক্তার শিশুটিকে গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত কল্পনা আক্তারকে আটক করে হেফাজতে নেন।