শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, যুবককে বিবস্ত্র করে ঘোরালো এলাকাবাসী

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

The article reports a recent (6 Oct 2026) physical beating and public humiliation by locals, which is a clear act of mob violence. No political parties are involved, so it is classified as Mob Justice / Lynchings.

Reported by:Dhaka PostSingle source
06/10/26•Kaziarhat Bridge area

Killed

0

Injured

0

Summary

৫ অক্টোবর পটুয়াখালীর একটি শিশুর ওপর ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আনসার ঘরামী গ্রেফতার হয়। পরের দিন কাজিরহাট বাজারে লোকজন তাকে জুতার মালা পরিয়ে মারধর ও উলঙ্গ করে ঘোরায়।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

93% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Unknown

Other actors

আনসার ঘরামীমিলন মৃধাআশরাফ গাজীমো. মনিরুজ্জামান

Tags

LynchingVigilante JusticeRape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 06/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 06/10/26open original ↗

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, যুবককে বিবস্ত্র করে ঘোরালো এলাকাবাসী

পটুয়াখালীর সদরে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আনসার ঘরামী নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশ উপস্থিত হওয়ার আগে তাকে জুতার মালা পরিয়ে মারধর ও বিবস্ত্র করে এলাকায় ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। ইতোমধ্যে এ ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে একজন ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে অপদস্থ ও বিবস্ত্র করে ঘোরানোর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে আনসার ঘরামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিশুটিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের উত্তর হাজিখালী গ্রামে। আর অভিযুক্ত যুবককে জুতার মালা পরানো ও বিবস্ত্র করে ঘোরানোর ঘটনা ঘটে পার্শ্ববর্তী কাজিরহাট বাজার ও কাজিরহাট ব্রিজ এলাকায়। শিশুটির পরিবার ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে স্কুল থেকে ফেরার পথে শিশুটিকে পাখির বাসা দেখানোর কথা বলে একটি নির্জন ঘরে নিয়ে যান তার চাচাতো চাচা আনসার ঘরামী। সেখানে শিশুটির জামাকাপড় খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় আশপাশে মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে আনসার পালিয়ে যান বলে অভিযোগ পরিবারের। পরে শিশুটির পরিবার থানায় মামলা দায়ের করে। এদিকে ঘটনার পরদিন আজ (মঙ্গলবার) সকালে আনসার কাজিরহাট বাজারে গেলে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে মারধর ও অপদস্থ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে জুতার মালা পরানোর পাশাপাশি বিবস্ত্র করে এলাকায় ঘোরানো হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি আনসারের গলায় জুতার মালা পরিয়ে রেখেছেন। অন্য একটি ভিডিওতে তাকে বিবস্ত্র করে জামার ঘাড় ধরে কাজিরহাট ব্রিজের এপার-ওপার নিয়ে যেতে দেখা যায়। ভিডিওতে উপস্থিত কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘যারা এইভাবে করবা তাদের শাস্তি এইভাবে হইবে। সাত বছরের মাইয়ার ধর্ষণকারী, দ্যাহো তোমরা…’ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় কাজিরহাট এলাকার ব্যবসায়ী মিলন মৃধা, মোটরসাইকেলচালক আশরাফ গাজীসহ আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত আনসারের বোন লিপি আক্তার বলেন, ‘আমার ভাইয়ের মাথায় সমস্যা। সে এক বছর যাবত বিছানায় পড়া ছিল। সে ওই মেয়ের সঙ্গে এমন কিছু করে নাই। জমিজমার বিরোধে আমার ভাইকে ফাঁসানো হচ্ছে। আমার পাগল ভাইটাকে ওরা কাজিরহাট ব্রিজে বসে জুতার মালা পড়াইছে, মারধর করে উলঙ্গ কইরা ঘুরাইছে। আমরা এর বিচার চাই।’ প্রতিবেশী খাদিজা বেগম বলেন, ‘আনসার এমন পোলা না। ওর মনে যদি এমন কিছু থাকতো তাইলে কি কাজিরহাট যাইতো। সেইখানকার পোলাপানে ওরে অনেক মারছে। বিবস্ত্র কইরা ৪-৫ বার ব্রিজের এপার-ওপার নেছে-আনছে। এগুলা কোনো মানুষের কাম হইতে পারে না। আমরা এর বিচার চাই।’ এদিকে যুবককে বিবস্ত্র করে ঘোরানোর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কচি কাইউম নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ছেলেটির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে, সেটার জন্য আইন আছে, আদালত আছে, প্রশাসন আছে। একতরফা অভিযোগ পেয়ে ছেলেটিকে এভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে জনসম্মুখে উলঙ্গ করে হাতে ধরে ঘুরানোটাকে আমি দাম্ভিকতা হিসেবেই দেখছি এবং যথেষ্ট ঘৃণার সঙ্গে এমন কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’ পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় মামলা হয়েছে। অলরেডি আমরা আসামি ধরেছি। আদালত তাকে জেলে পাঠিয়েছে।’ যুবককে বিবস্ত্র করে ঘোরানোর ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘বিষয়টা আমার জানা ছিল না। আমাকে ভিডিওটি পাঠান। খোঁজ নিয়ে দেখছি কী করা যায়।’ সোহাইব মাকসুদ নুরনবী/এএমকে